Chaper-2

Communication System And Networking


Chapter-2 Part-1



Part-2 is given below

১. কম্পিউটার নেটওয়ার্ক(Computer Network) কাকে বলে?

উঃ বিভিন্ন কম্পিউটার কোন যােগাযােগ ব্যবস্থার দ্বারা একসঙ্গে যুক্ত থাকলে তাকে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বলে।


২. ইন্টানেট(Internet) কাকে বলে?

উঃ ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত একটি বৃহৎ নেটওয়ার্ককে ইন্টারনেট বলে।


৩. ডেটা(Data) কী??

উঃ Data শব্দটি ল্যাটিন শব্দ Datum -এর বহুবচন। Datum অর্থ হচ্ছে তথ্যের উপাদান। তথ্যের অন্তর্ভূক্ত ক্ষুদ্রতম অংশসমূহ। হচ্ছে ডেটা বা উপাত্ত।। অর্থাৎ, যে কোনাে তথ্য বা উপাত্তকেই ডেটা বলে।


৪. কমিউনিকেশন (Communication )কী?

উঃ কমিউনিকেশন শব্দটি ল্যাটিন শব্দ “Communicare” থেকে এসেছে যার অর্থ “to Share”(আদান-প্রদান) করা। কমিউনিকেশন শব্দটির অর্থ হল যােগাযােগ।


৫. ডেটা কমিউনিকেশন কাকে বলে?

উঃ কোন ডেটাকে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে অথবা এক | ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে অথবা একজনের ডেটা অন্যজনের নিকট বাইনারি পদ্ধতিতে স্থানান্তর করার পদ্ধতি। হলাে ডেটা কমিউনিকেশন। যেমনঃ কম্পিউটার থেকে পেনড্রাইভ, মােবাইল,মডেম ইত্যাদি।


৬. ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক উপাদান কয়টি ও কী কী?

উঃ ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক উপাদান ৩টি যথাঃ
ক) প্রেরক।
খ) মাধ্যম।
গ) গ্রাহক।


৭. কমিউনিকেশন সিস্টেম কত প্রকার ও কী কী বর্নণা কর?

উঃ কমিউনিকেশন সিস্টেম ৪ প্রকার যথাঃ
ক) বায়ােলজিক্যাল কমিউনিকেশন।
খ) গ্রাফিক্যাল কমিউনিকেশন।
গ) ওয়েভ কমিউনিকেশন।
ঘ) টেলিকমিউনিকেশন।

ক) বায়ােলজিক্যাল কমিউনিকেশন: সকল ধরনের কমিউনিকেশন যেখানে শরীরের বিভিন্ন অংশ দ্বারা করা হয়। তাকে বায়ােলজিক্যাল কমিউনিকেশন বলে। যেমন মস্তিস্ক, স্বরযন্ত্র, কান, বাহু, এবং হাত ইত্যাদি।

খ) গ্রাফিক্যাল কমিউনিকেশন ও সকল ধরনের কমিউনিকেশন যেখানে ছবি ও চিহ্নের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয় তাকে গ্রাফিক্যাল কমিউনিকেশন বলে। যেমনঃ ছবি, এ্যানিমেশন, ভিডিও ইত্যাদি।

গ) ওয়েভ কমিউনিকেশন: সকল ধরনের কমিউনিকেশন যা মেসেজকে একটি শক্তির উৎস দ্বারা বহন করে প্রকাশ করাকে ওয়েভ কমিউনিকেশন বলে। যেমনঃ বায়ু, পানি, মহাশূন্য ইত্যাদি।

ঘ) টেলিকমিউনিকেশন :দূরবর্তী স্থানে যােগাযােগের পদ্ধতিকে টেলিকমিউনিকেশন বলে। যেমনঃ টেলিফোন, মােবাইল ফোন, টেলিভিশন, রেডিও ইত্যাদি।


৮, ডেটা কমিউনিকেশনের উপাদান সমূহের বর্ণনা কর?

উঃ ডেটা কমিউনিকেশন সিস্টেম ৫টি উপাদান নিয়ে গঠিত। যথাঃ
ক) উৎস খ) প্রেরক
গ) মাধ্যম।
ঘ) গ্রাহক
ঙ) গন্তব্য।

ক) উৎস : যে ডিভাইস হতে ডেটা পাঠানাে হয় তাকে উৎস বলে। যেমনঃ কম্পিউটার, টেলিফোন ইত্যাদি।

খ) প্রেরকঃ উত্স থেকে প্রাপকের নিকট ডেটা পাঠানাের জন্য যে যন্ত্র ব্যবহৃত হয় তাকে প্রেরক বলে। যেমন মডেম।

গ) মাধ্যমঃ যার মাধ্যমে ডেটাসমূহ এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বা এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে স্থানান্তর করা হয় তাকে মাধ্যম বলে। যেমন রেডিও ওয়েব, ক্যাবল, মাইক্রোওয়েভ, স্যাটেলাইট ইত্যাদি।

ঘ) গ্রাহকঃ যে যন্ত্র ডেটা গ্রহন করে তাকে গ্রাহক বলে। যেমনঃ মডেম, মােবাইলের সিম ইত্যাদি।

ঙ) গন্তব্যঃ সর্বশেষ গন্তব্য হিসেবে সার্ভার বা কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়। যেমনঃ কম্পিউটার।


৯. Bps, বিট ও ক্যারেক্টার বা Word কী?

উঃ bps : প্রতি সেকেন্ডে বিট ডেটা স্থানান্তরিত হওয়ার হারকে bps বা Bit Per Second বলে।
বিটঃ তথ্যের ক্ষুদ্রতম একক হলাে বিট (Bit)। Bit এর পুরাে নাম Binary Digit এক বিট সমান বাইনারি তথ্য 0 বা 1
ক্যারেক্টারঃ 8 বিটে 1(এক) বাইট (Byte)। ১ বাইট সমান এক ক্যারেক্টার বা Word ।।


১০. ডেটা ট্রান্সমিশন (Data Transmission) স্পীড কী?

উঃ মােবাইল হতে অথবা এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ডেটা স্থানান্তরের হারকে ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড বলে।


১১. সিগন্যাল(Signal) কী?

উঃ সময়ের সাথে ভােল্টেজের পরিবর্তনকে অর্থাৎ উঠানামাকে সিগন্যাল বলে। সিগন্যাল দুই প্রকার যথাঃ
ক) এনালগ সিগন্যাল ।
খ) ডিজিটাল সিগন্যাল ।


১২. ওয়েভফর্ম(Web Form) কী?

উঃ ডেটা কমিউনিকেশনে বা ডেটা ট্রান্সমিশনে সিগন্যাল ট্রান্সমিট হয় ভােল্টেজের উঠানামার মাধ্যমে, এই উঠানামা প্রকাশের ধরনকে বলা হয় ওয়েভফর্ম।


১৩. স্কয়ার ওয়েভ(Squre web) ও সাইন(sign web) ওয়েভ কাকে বলে?

উঃ স্কয়ার ওয়েভঃ ডিজিটাল সিগনালের ওয়েবফর্মকে স্কয়ার ওয়েভ বলে। সাইন ওয়েভঃ এনালগ সিগনালের ওয়েবফর্মকে সাইন ওয়েভ বলে।


১৪. এমপ্লিচ্যুড(Amplitude) কী?

উঃ একটি ওয়েভের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন পয়েন্টের দুরত্বকে এমপ্লিচ্যুড বলে। এই এমপ্লিচ্যুড যত বেশি হবে সেই সিগন্যাল তত শক্তিশালী হবে। এই শক্তিকে মাপা হয় এম্পিয়ার(Ampere) হিসেবে।


১৫. ফ্রিকোয়েন্সি(Frequency) কী?

উঃ প্রতি সেকেন্ডে কোনাে সিগন্যাল যতগুলি ওয়েব তৈরি করে তাকে ফ্রিকোয়েন্সি বলে। এই ফ্রিকোয়েন্সি মাপা হয় হার্জ(Hz) হিসেবে।



১৬. ব্যান্ড উইঙ্খ(Band Width) কী?

উঃ একটি মাধ্যম হতে অন্য মাধ্যমে প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমাণ বিট ট্রান্সমিট করা হয় তাকে ব্যান্ড উইথ বলে। যেমনঃ Bps, Kbps, Mbps, Gbps, Tbps ইত্যাদি।


১৭. 325Kbps বলতে কী বুঝায়?

উঃ একক সময়ে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটার বা এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে ডেটা স্থানান্তরের হারকে ডেটা ট্রান্সমিশন স্পিড বলে। 325Kbps বলতে বােঝায় প্রতি সেকেন্ডে 325 কিলােবাইট ডেটা এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে স্থানান্তরিত হয়।


১৮. Bps, Kbps, Mbps, Gbps, Tbps এর পূর্নরুপ লিখ?


• Bps = Bit per Second (1 bit=0 or 1)
• Kbps = Kilobits per Second (1024 bit= 1Kb)
• Mbps = Megabits per Second (1024 kb= 1Mb)
• Gbps = Gigabits per second (1024mb= 1Gb)
• Tbps = Terabits per second (1024gb= 1Tb)
এছাড়া আরও আছে- Peta,Exa,Zetta,Yotta.


১৯. ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড কত প্রকার ও কী কী বর্ণা দাও?

উঃ ডেটা কমিউনিকেশনের গতিতে ৩ ভাগে বিভক্ত। যথাঃ
ক) ন্যারাে ব্যান্ড (Narrow Band)
খ) ভয়েস ব্যান্ড (Voice Band)
গ) ব্রড ব্যান্ড (Broad Band)

ক) ন্যারাে ব্যান্ডঃ সাধারনত 45bps থেকে 300bps পর্যন্ত হয়ে থাকে। এই ব্যান্ড ধীরগতি সম্পন্ন ডেটা ট্রান্সমিশন- এর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় । যেমনঃ টেলিগ্রাফ।

খ) ভয়েস ব্যান্ডঃ ভয়েস ব্যান্ডের গতি সাধারনত 1200 bps থেকে 9600 bps বা 9.6 Kbps পর্যন্ত হয়ে থাকে। এটি সাধারনত টেলিফোনে বেশি ব্যবহৃত হয়। যেমনঃ টেলিফোন, প্রিন্টার, কার্ড-রিডার ইত্যাদি।

গ) ব্রডব্যান্ডঃ উচ্চ গতিসম্পন্ন ডেটা স্থানান্তর প্রক্রিয়ায় ব্রড ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়। এ ব্যান্ডের গতি 1Mbps এর চেয়ে | বেশি হয়ে থাকে। এটি স্যাটেলাইট, মাইক্রোওয়েভ | কমিউনিকেশনে ব্যবহৃত হয়। যেমনঃ Wi-MAX, স্যাটেলাইট, মাইক্রোওয়েভ, কো এক্ৰিয়াল ক্যাবল, অপটিক্যাল ফাইবার ইত্যাদি।


২০.ট্রান্সমিশন মেথড কাকে বলে?

উঃ একটি কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারে ডেটা ট্রান্সমিশন হওয়ার প্রক্রিয়ার পদ্ধতি বা সিস্টেমকে ট্রান্সমিশন মেথড বলে।


২১. বিট সিনক্রোনাইজেশন কাকে বলে?

উঃ যে কোনাে ডেটা পাঠানাের সময় সিগন্যাল বিট ও ডেটা | বিটগুলাের মধ্যে সমন্বয়ের জন্য ব্যবহৃত পদ্ধতিকে বিট সিনক্রোনাইজেশন বলে।


২২. ডেটা ট্রান্সমিশন মেথড কত প্রকার ও কী কী বর্নণা দাও?

উঃ সিনক্রোনাইজেশনের ভিত্তিতে ডেটা ট্রান্সমিশন মেথড ৩ প্রকার, যথাঃ
ক) অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Asynchronous Transmission)
খ) সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Synchronous Transmission)
গ) আইসােক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Isochronous Transmission)

ক) অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনঃ যে ট্রান্সমিশন সিস্টেমে ডেটা প্রেরকের কাছ থেকে ডেটা প্রাপকের কাছে ক্যারেক্টার বাই ক্যারেক্টার ট্রান্সমিট হয় তাকে অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন বলে। যেমনঃ প্রতি ক্যারেক্টারে ১০ বা ১১ বিটের ডেটায় রুপান্তরিত হয়ে ডেটা ট্রান্সমিট হয়।

খ) সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনঃ যে ট্রান্সমিশন সিস্টেমে ডেটা সমূহকে ব্লক আকারে ভাগ করে প্রতি বার ১টি করে ব্লক ট্রান্সমিট করা হয় তাকে সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন বলে। যেমনঃ প্রতি ব্লক ৮০ থেকে ১৩২টি ক্যারেক্টার নিয়ে গঠিত হয়।

গ) আইসােক্রোনাস ট্রান্সমিশনঃ যে ট্রান্সমিশনে প্রেরক ও প্রাপক স্টেশনের মধ্যে ডেটা ট্রান্সমিশন ডিলে সর্বনিম্ন রাখা হয় অর্থাৎ, পর পর দুটি ব্লকের ডেটা ট্রান্সফারের সময় প্রায় ০(শুন্য) একক সময় ব্যবহার করা হয় তাকে আইসােক্রোনাস বলে। যেমনঃ প্রিন্টারের জন্য এক ধরনের মেথড, গানের জন্য এক ধরনের মেথড।


২৩. অ্যাসিনক্রোনাস ও সিনক্রোনাসের বৈশিষ্ট্য লিখ?

উঃ অ্যাসিনক্রোনাস এর বৈশিষ্ট্যঃ
ক) প্রেরক যেকোনাে সময় ডেটা ট্রান্সমিট করতে পারে এবং গ্রাহক তা গ্রহন করতে পারে।
খ) প্রতি ক্যারেক্টারের শুরুতে একটি স্টার্ট বিট ও শেষে একটি বা দুটি স্টপ বিট ট্রান্সমিট করা হয়।
গ) একটি ক্যারেক্টার পর আরেকটি ক্যারেক্টার ট্রান্সমিট হবার সময় মাঝখানে বিরতি সমান হয় না।
ঘ) ইন্সটলেশন খরচ অত্যন্ত কম এবং জটিল সার্কিট ছাড়াই। বাস্তবায়ন করা যায়।

সিনক্রোনাস এর বৈশিষ্ট্যঃ
ক) ডেটাকে ব্লক আকারে ট্রান্সমিট করা হয়।
খ) প্রতিটি ক্যারেক্টারের শুরু ও শেষে স্টার্ট এবং স্টপ বিটের প্রয়ােজন হয় না।
গ) পর পর দুটি ব্লক ট্রান্সমিট হওয়ার মধ্যবর্তী সময় সমান হয়।
ঘ) প্রতি ব্লকের শুরুতে একটি হেডার এবং শেষে একটি ট্রেইলার ইনফরমেশন সিগন্যাল পঠানাে হয়।


২৪. অ্যাসিনক্রোনাস ও সিনক্রোনাসের সুবিধা ও অসুবিধা লিখ?

উঃ অ্যাসিনক্রোনাস এর সুবিধাঃ
ক) অল্প করে ডেটা পরিবহনের পরিবেশে যেমন ইন্টারনেটে এই পদ্ধতি বেশি উপযােগী।
খ) প্রেরক যেকোনাে সময় ডেটা পাঠাতে পারে এবং গ্রাহক তা গ্রহন করতে পারে।
গ) প্রেরকের কোনাে প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইসের প্রয়ােজন হয় না।
ঘ) ইনস্টলেশন খরচ অত্যন্ত কম।

অ্যাসিনক্রোনাস এর অসুবিধাঃ
ক) সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনের তুলনায় এর দক্ষতা কম।
খ) ডেটা ট্রান্সমিশনে গতি অপেক্ষাকৃত কম।
গ) মাইক্রোওয়েভ বা স্যাটেলাইট মাধ্যমের ক্ষেত্র অত্যন্ত ব্যয়বহুল।
ঘ) প্রতি বর্ণের সাথে স্টার্ট বিট ও স্টপ বিট পাঠানাে হয়।

সিনক্রোনাস এর সুবিধাঃ
ক) স্টার্ট বা স্টাপ বিট না থাকায় এবং অনরবত চলতে থাকায় এর গতি অনেক দ্রুত হয়।
খ) প্রতিটি ক্যারেক্টারের শুরু ও শেষ স্টার্ট এবং স্টপ বিটের প্রয়ােজন হয় না।
গ) ক্যারেক্টারের পর টাইম ইন্টারভেলেরও প্রয়ােজন হয়না।
ঘ) এর দক্ষতা অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনের চেয়ে বেশি সময় তুলনামূলক কম লাগে।

সিনক্রোনাস এর অসুবিধাঃ
ক) এটি তুলনামূলক ব্যয়বহুল।
খ) এর সার্কিট জটিল।


২৪। অ্যাসিনক্রোনাস ও সিনক্রোনাস এর মধ্যে পার্থক্য লিখ?

অ্যাসিনক্রোনাস সিনক্রোনাস
১। যে ট্রান্সমিশন সিস্টেমে ডেটা প্রেরকের কাছ থেকে ডেটা প্রাপকের কাছে ক্যারেক্টার বাই ক্যারেক্টার ট্রান্সমিট হয় তাকে অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন বলে। ১।যে ট্রান্সমিশন সিস্টেমে ডেটা সমূহকে ব্লক আকারে ভাগ করে প্রতি বার ১টি করে ব্লক ট্রান্সমিট করা হয়। তাকে সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন বলে।
২। এতে ডেটা ট্রান্সমিশনের গতি কম। ২। ডেটা ট্রান্সমিশনের গতি অনেক দ্রুত হয়।
৩। প্রেরকের কোন প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইসের প্রয়ােজন হয় না। ৩। প্রেরক স্টেশনে প্রেরকের সাথে একটি প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইসের প্রয়ােজন হয়।
৪। ইন্সটলেশন খরচ অত্যন্ত কম। ৪। এটি তুলনামূলক ব্যয়বহুল।
৫। এ পদ্ধতিতে ট্রান্সমিট সময় বেশি লাগে। ৫। এ পদ্ধতিতে ট্রান্সমিট সময় কম লাগে।
৬। এতে অতিরিক্ত বিট ব্যবহার করা হয় বলে এই ট্রান্সমিশনে দক্ষতা কম। ৬। এর দক্ষতা অ্যাসিনক্রোস ট্রান্সমিটের চেয়ে বেশি।


২৬. ডেটা ট্রান্সমিশন কত প্রকার ও কী কী বর্ণা দাও?

উঃ ডেটা পাঠানাে উপর ভিত্তি করে ডেটা ট্রান্সমিশন ২ প্রকার যথাঃ
ক) সিরিয়াল ট্রান্সমিশন।
খ) প্যারালাল ট্রান্সমিশন।

ক) সিরিয়াল ট্রান্সমিশনঃ এ ধরনের ট্রান্সমিশনে প্রতিবারে সাত। বিটের তথ্য পাঠানাে হয়। উৎস থেকে গন্তব্যের দূরত্ব বেশি। হলে এ পদ্ধতি বেশি ব্যবহার করা হয়।

খ) প্যারালাল ট্রান্সমিশনঃ এ পদ্ধতিতে অনেকগুলাে তার দিয়ে। একসাথে অনেকগুলাে বিট ডেটা পাঠানাে হয়। দূরত্ব বেশি হলে| খরচ বেশি।


২৭. ডেটা ট্রান্সমিশন মােড কাকে বলে।

উঃ কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে ডেটা কমিউনিকেশন এর ডেটা ট্রান্সফারের প্রবাহকে ডেটা ট্রান্সমিশন মােড় বলা হয়।


২৮.ডেটা ট্রান্সফারের প্রবাহ কত প্রকার ও কী কী?

উঃ ডেটা ট্রান্সফারের প্রবাহের ভিত্তিতে ডেটা ট্রান্সমিশন মােড ৩ | প্রকার। যথাঃ
ক) ইউনিকাস্ট (Unicast) মােড।
খ) ব্রডকাস্ট(Broadcast) মােড।
গ) মাল্টিকাস্ট(Multicast) মােড।


২৯. ডেটা ট্রান্সমিশন মােড কত প্রকার ও কী কী এর বর্নণা কর ?

উঃ ডেটা ট্রান্সমিশন মােড ৩ প্রকার। যথাঃ
ক) সিমপ্লেক্স (Simplex)।
খ) হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex)।
গ) ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex)।

সিমপ্লেক্সঃ ডেটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে ডেটার একদিকে প্রবাহকে সিমপ্লেক্স মােড বলা হয়। যেমনঃ PABX সিস্টেম, রেডিও,টিভি ইত্যাদি।

হাফ-ডুপ্লেক্সঃ কোন প্রান্ত একই সময়ে কেবল ডেটা গ্রহন কিংবা প্রেরণ করতে পারে, কিন্তু গ্রহন এবং প্রেরণ একই সময়ে একসাথে করতে পারে না তাকে হাফ-ডুপ্লেক্স বলে। যেমনঃ ওয়াকিটকি।

ফুল-ডুপ্লেক্সঃ এ পদ্ধতিতে ডেটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে উভয় দিক থেকে একই সময়ে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহন করা যায় তাকে ফুলডুপ্লেক্স। যেমনঃ মােবাইল, টেলিফোন ইত্যাদি।


৩০. হাফ-ডুপ্লেক্স ও ফুল-ডুপ্লেক্স এর মধ্যে পার্থক্য লিখ?

হাফ-ডুপ্লেক্স(Half-Duplex) ফুল-ডুপ্লেক্স(Full-Duplex)
১। কোন প্রান্ত একই সময়ে কেবল ডেটা গ্রহন কিংবা প্রেরণ করতে পারে, কিন্তু গ্রহন এবং প্রেরণ একই সময়ে একসাথে করতে পারে না। ১। এ পদ্ধতিতে ডেটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে উভয় দিক থেকে একই সময়ে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহন করা যায়।
২। ব্যবহার তুলনামূলক জটিল। ২। ব্যবহার তুলনামূলক সহজ।
৩। কারিগরিভাবে অসমৃদ্ধ পদ্ধতি। ৩। কারিগরিভাবে সমৃদ্ধ পদ্ধতি।
৪। উদাহরণ- ওয়াকিটকি। ৪। উদাহরন- টেলিফোন, মােবাইল।

৩১. ডেটা কমিউনিকেশন মাধ্যম কাকে বলে?

উঃ প্রেরকের কম্পিউটারের সাথে প্রাপকের কম্পিউটারের | যােগাযােগ করার জন্য যে ট্রান্সমিশন মাধ্যম ব্যবহার করা হয় তাকে কমিউনিকেশন মাধ্যম বা Channel বা Media বলে।


৩২. ডেটা কমিউনিকেশন মাধ্যম কত প্রকার ও কী কী?

উঃ ডেটা কমিউনিকেশন মাধ্যম ২ প্রকার যথা-
ক) তার মাধ্যম(Wire Media)।
খ) তারবিহীন বা বেতার মাধ্যম(Wireless Media) ।

ক) তার মাধ্যমঃ যে সকল তারের মাধ্যমে একাধিক। ডিভাইসের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান তথা যােগাযােগ করার পদ্ধতিকে তার মাধ্যম বা ওয়্যার কমিউনিকেশন সিস্টেম। বলে। যেমনঃ কো-এক্সিয়াল ক্যাবল, টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল, ফাইবার অপটিক ক্যাবল।

খ) তারবিহীন মাধ্যমঃ যে সকল ডেটা কোন প্রকার তার | ব্যবহার না করে একাধিক ডিভাইসের মধ্যে ডেটা আদানপ্রদান তথা যােগাযােগ করার পদ্ধতিকে তারবিহীন বা| ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন সিস্টেম বলে।। যেমনঃ বেতার তরঙ্গ, মাইক্রোওয়েভ, ইনফ্রারেড, ওয়াই ফাই, ওয়াইমেক্স ইত্যাদি।


৩৩.ক্যাবল মাধ্যম বা Wire Media কত প্রকার ও কী কী?

উঃ ক্যাবল মাধ্যম নেটওয়ার্ক ৩ প্রকার যথাঃ
ক) কো-এক্সিয়াল ক্যাবল।
খ) টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল।
গ) ফাইবার অপটিক ক্যাবল।

ক) কো-এক্সিয়াল ক্যাবলঃ এটি এক ধরনের তামার তৈরি। তার। এটি অপরিবাহী পদার্থের আবরনে ঢাকা দুটি সুপরিবাহী। পদার্থ দিয়ে তৈরি করা হয়। এ ক্যাবলের কেন্দ্র দিয়ে থাকে একটি সলিড কপার তার এবং তারকে ঘিরে জড়ানাে থাকে প্লাস্টিক ফোমের ইনস্যুলেশন। ইনস্যুলেশন ফোমে চারপাশ। জাল বা নেট আকৃতির তার দ্বারা জড়ানাে থাকে এবং বাইরে। প্লাস্টিকের জ্যাকেট দিয়ে ঢাকা থাকে। এটি ১ কি.মি. পর্যন্ত দূরত্বের ডিজিটাল ডেটা প্রেরন করে ।এর ডেটা ট্রান্সফার রেট 200Mbps পর্যন্ত হতে পারে।

খ) টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবলঃ এ ক্যাবলে দুইটি কপার তার থাকে এবং তার দুইটিকে পৃথক রাখার জন্য মধ্যখানে অপরিবাহী পদার্থ ব্যবহার করা হয়। অর্থাৎ একজোড়া। পরিবাহী তারকে পরস্পরের সাথে পেঁচিয়ে এই ক্যাবল তৈরি করা হয়। এটি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ডেটা প্রেরন করতে পারে। এর ডেটা ট্রান্সফার রেট 1Gbps পর্যন্ত হতে পারে।

গ) ফাইবার অপটিক ক্যাবলঃ ফাইবার অপটিক ক্যাবল হলাে আলােকরশ্মি পরিবাহী স্বচ্ছ তার যা সিলিকা ও মাল্টিকম্পােনেন্ট কাচ দিয়ে তৈরি। এই ক্যাবলে সবচেয়ে গুরত্বপূর্ন বৈশিষ্ট্য হলাে লাইট সিগন্যাল ট্রান্সমিট করা। এটি 1Gbps এর চাইতে বেশি রেটে ডেটা পাঠাতে পারে।


৩৪. কো-এক্সিয়াল ক্যাবল কত প্রকার ও কী কী?

উঃ কো-এক্সিয়াল ক্যাবল ২ প্রকার যথাঃ
ক) থিন নেট (Thin net)
খ) থিক নেট (Thick net)


৩৫.টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল কত প্রকার ও কী কী?

উঃ টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল ২ প্রকার যথাঃ
ক) আবরনহীণ টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল (UTP - Unshielded twisted pair)
খ) আরনযুক্ত টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল (STP-Shielded twisted pair)


৩৬. থিকনেট ও থিননেট এর মধ্যে পার্থক্য লিখ?

থিকনেট (Thik net) থিন নেট (Thin net)
১। থিন কো-এক্সিয়াল ক্যাবল ব্যবহার করে যে নেটওয়ার্ক গড়ে উঠে তাকে থিকনেট বলে। ১। থিক কো-এক্সিয়াল ক্যাবল। ব্যবহার করে যে নেটওয়ার্ক গড়ে উঠে তাকে থিননেট বলে।
২। থিন কো-এক্সিয়াল ক্যাবলের ব্যাস ০.২৫ ইঞ্চি। ২। থিক কো-এক্সিয়াল। ক্যাবলের ব্যাস ০.৫ ইঞ্চি।
৩। কোনাে প্রকার রিপিটার ছাড়া এটি ১৮৫ মিটার পর্যন্ত ব্যবহার করা যায়। ৩। কোনাে প্রকার রিপিটার ছাড়া এটি ৫০০ মিটার পর্যন্ত ব্যবহার করা যায়।
৪। এ ধরনের নেটওয়ার্ককে ১০ বেজ ২ নেটওয়ার্কও বলা হয়। ৪। এ ধরনের নেটওয়ার্ককে ১০ বেজ ৫ নেটওয়ার্কও বলা হয়।

37. Difference between STP and UTP?

UTP STP
১। UTP ক্যাবল কোনাে অতিরিক্ত শিল্ডিং বা আবরন থাকে না। ১। STP ক্যাবলের প্রতিটি প্যাচানাে জোড়া তার একটি করে শক্ত শিল্ড বা আবরনের ভেতরে থাকে।
২। UTP তেমন সুরক্ষিত না। ২। STP শক্ত ও অনেক সুরক্ষিত।
৩। UTP ক্যাবলের ব্যান্ড। উইডথ সাধারনত 10Mbps ৩। STP ক্যাবলের ব্যান্ড উইডথ সাধারনত 16Mbps
৪।এতে ইলেকট্রোম্যাগনেটিক। ইন্টারফারেন্স প্রভাব খুব বেশি। ৪। এর বড় সুবিধা হলাে ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ইন্টারফারেন্স প্রভাব হ্রাস পায়।

৩৮.অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল কে কত সালে আবিস্কার করেন?

উঃ 1940 সালে পদার্থবিদ Daniel Collodon ও Jacones Babinet ফাইবারে ভিতরে আলাের পূর্ন অভ্যন্তরীণ হয় তা আবিস্কার করেন।


৩৯. অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল কয়টি অংশ?

উঃ অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল ৩টি অংশ যথাঃ
ক) কোর (Core) ।
খ) ক্ল্যাডিং (Cladding) ।
গ) জ্যাকেট (Jacket) ।


৪০. অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল কত প্রকার ও কী কী?

উঃ অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল ৩ প্রকার যথাঃ
ক) স্টেপ ইন্ডেক্স (Step Index) ।
খ) গ্রেডেড ইন্ডেক্স (Graded Index) ।
গ) মনােমােড ফাইবার (Monomode Fiber) ।


৪১. প্রত্যেকটি ক্যাবলের বৈশিষ্ট্য লিখ

উঃ কো-এক্সিয়াল ক্যাবল:
ক) সহজে স্থাপন করা যায়।
খ) অধিক নিরাপদ।
গ) দামে কম।
ঘ) অধিক দূরত্বে ডেটা প্রেরন।
ঙ) অধিক গতিতে ডেটা প্রেরন।

টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবলঃ
ক) কম দূরত্বে যােগাযােগ ক্যাবল স্থাপনে ব্যবহৃত হয়।
খ) সহজে স্থাপন করা যায়।
গ) অ্যানালগ ও ডিজিটাল উভয় ডেটা প্রেরন করে।
ঘ) এতে রিপিটারের প্রয়ােজন হয়।
ঙ) নয়েজ সিগন্যাল দ্বারা প্রভাবিত হয়।

ফাইবার অপটিক ক্যাবলঃ
ক) এটি আলােক রশ্মি দ্বারা সিগন্যাল ট্রান্সমিট করে ।
খ) নেটওয়ার্কের ব্যাকবােন হিসেবে ফাইবার ক্যাবল ব্যবহৃত হয়।
গ) এতে Gbps রেঞ্জ বা তার বেশি গতিতে ডেটা চলাচল করতে পারে।
ঘ) ডেটা সংরক্ষনের নিরাপত্তা ও গােপনীয়তা অনেক বেশি।
ঙ) শক্তি কম ক্ষয় হয়।


৪২. রেডিও ওয়েভ কী ও এর আবিস্কারক কে?

উঃ 10 KHz থেকে 1 GHz মধ্যে সীমিত তড়িৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ কে রেডিও ওয়েভ বলে ।এটি হলাে এক ধরনের ওয়্যারলেস ট্রান্সমিশন মিডিয়া, যা রেডিও ফ্রিকুয়েন্সি। সিগন্যালের মাধ্যমে ডেটা ট্রান্সমিট করে। এর ব্যান্ড উইথ 24 Kbps । এটি 1867 সালে স্কটিস গনিতবিদ James Clerk Maxwell প্রথম এটি আবিস্কার করেন।


৪৩. মাইক্রোওয়েভ কী?

উঃ মাইক্রোওয়েভ হলাে হাই-ফ্রিকুয়েন্সি রেডিও ওয়েভ। 1 GHz বা তার বেশি ফ্রিকুয়েন্সিতে পাঠানাে বিদ্যুৎ চুম্বকীয় তরঙ্গকে বলা হয় মাইক্রোওয়েভ। মাইক্রোওয়েভ সিস্টেম মুলত ২ প্রকার যথা
ক) সিগন্যাল ট্রান্সমিট।
খ) রিসিভ ট্রান্সমিট।


৪৪. ইনফ্রারেড (Infrared) কী?

উঃ ইনফ্রারেড হলাে এক ধরনের ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ওয়েভ যার ফ্রিকোয়েন্সি সীমা টেরাহার্জ(THz) হয়ে থাকে। খুবই কাছাকাছি ডিভাইসের মধ্যে ডেটা কমিউনিকেশন ইনফ্রারেড ব্যবহার করা হয়। ৩০০ গিগাহার্জ হতে ৪০০ টেরাহার্জ পর্যন্ত ফ্রিকোয়েন্সিকে বলা হয় ইনফ্রারেড। আবিস্কার : ১৮০০ শতাব্দীতে Infrared ত্বরঙ্গ আবিস্কার করেন উইলিয়াম হার্শেল (William Hershel)।


৫২. স্যাটেলাইট মাইক্রোওয়েভ ও টেরিস্টেরিয়াল মাইক্রোওয়েভ মধ্যে পার্থক্য লিখ ?

স্যাটেলাইট মাইক্রোওয়েভ টেরিস্টেরিয়াল মাইক্রোওয়েভ
১। এ পদ্ধতিতে উপগ্রমের সাহায্যে পৃথিবী থেকে প্রায় ২২,২৩০ মাইল উপরে জিওসিনক্রোনাস অরবিটে ট্রান্সমিটার এবং রিসিভার স্থাপিত। ১। এ পদ্ধতিতে ভূ-পৃষ্ঠেই ট্রান্সমিটার এবং রিসিভার স্থাপিত।
২। এক সঙ্গে একাধিক দেশে কাভারেজ প্রদান করা। যায়। ২। এই পদ্ধতিতে শুধুমাত্র একটি দেশেই কাভারেজ প্রদান করা সম্ভব।
৩। এই পদ্ধতিতে ট্রান্সমিটার এবং রিসিভার এর মধ্যে বাধা তৈরি হওয়া সম্ভব নয় বলে সিগন্যাল বাধাপ্রাপ্ত হয় না।/td> ৩। এই ট্রান্সমিটার এবং রিসিভার এর মধ্যে কোন বাধার তৈরি হলে সিগন্যাল বাধাপ্রাপ্ত হয়।

৪৬. ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন সিস্টেমের কত প্রকার ও কী কী?

উঃ ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন সিস্টেমের ৪ প্রকার যথাঃ
7) WPAN-Wireless Personal Area Network
খ) WLAN-Wireless Local Area Network
গ)WMAN-Wireless Metropolitan Area Network
ঘ) WWAN-Wireless Wide Area Network


৪৭.ব্লুটুথ (Bluetooth) কী?

উঃ স্বল্প দূরত্বে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত একটি ওপেন ওয়্যারলেস প্রটোকল হচ্ছে ব্লুটুথ। এটি ১-১০ মিটার দূরত্বের মধ্যে ওয়্যারলেস যােগাযােগের একটি পদ্ধতি। আবিস্কার ও টেলিকম ভেন্ডর কোম্পানি এরিকসন ১৯৯৪। সালে এটি উদ্ভাবন করে। ডেনমার্কের রাজা হ্যারােল্ড ব্লুটুথ (Harold Bluetooth) এর নামানুসারে করা হয়েছে।


৪৮.হটস্পট কী?

উঃ হটস্পট হচ্ছে একটি নির্দিষ্ট ওয়ারলেস কভারেজ এরিয়া । অর্থাৎ, যেখান থেকে সংশ্লিষ্ট ডিভাইসের সাহায্যে খুব সহজেই ইন্টারনেট এক্সেস করা যায়। এ ধরনের নেটওয়ার্কই হচ্ছে হটস্পট।


৪৯. ওয়াই-ফাই (Wi-Fi) কী?

উঃ Wi-Fi শব্দের পূর্ন অর্থ হলাে Wireless Fidelity । কম্পিউটার বা ডিজিটাল বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতিগুলােকে তারবিহীন উপায়ে ইন্টারনেটে সংযুক্ত করার একটি প্রযুক্তি হলাে ওয়াই-ফাই। আবিস্কারকঃ ডাচ কম্পিউটার বিজ্ঞানী ভিক্টর ভিক হেয়েস।


৫০. ব্লটুথ(Bluetooth) ও ওয়াইফাই(Wi-Fi) এর মধ্যে পার্থক্য লিখ?

ব্লটুথ(Bluetooth) ওয়াইফাই(Wi-Fi)
১। স্বল্প দূরত্বে বিভিন্ন ডিভাইসের মধ্যে তারবিহীন সংযােগের প্রযুক্তি। ১। মূলতঃ ইন্টারনেট ভিত্তিক তারবিহীন নেটওয়ার্কের প্রযুক্তি।
২।এর ফ্রিকুয়েন্সি 2.4 GHz ২।এর ফ্রিকুয়েন্সি 2.4,3.6,5 GHz
৩।3Mbps-25Mbps রেটে ডেটা ট্রান্সফার করে। ৩।1Mbps-250Mbps রেটে ডেটা ট্রান্সফার করে।
৪। এর নিরাপত্তা কম। ৪। এর নিরাপত্তা বেশি।
৫।এটি মােবাইল, মাউস, কীবাের্ড ইত্যাদি সংযােগ করা যায়। ৫।এটি কম্পিউটার, সার্ভার, টিভি, স্মার্ট মােবাইল ইত্যাদি সংযােগ করা যায়।

৫১. ওয়াইম্যাক্স(Wi-Max) কী?

উঃ Wi-Max এর পূর্নরুপ Worldwide Interoperability for Microwave Access WiMax হলাে এমন একটি প্রযুক্তি যার মাধ্যমে উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড সেবা, তারবিহীন বিস্তৃত এলাকাজুড়ে ইন্টারনেট অ্যাকসেস করা যায়। প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.11 নামে পরিচিত।


৫২. Wi-Fi ও Wi-Max এর মধ্যে বৈশিষ্ট্য লিখ ?

উঃ Wi-Fi এর বৈশিষ্ট্যঃ
ক) 2.4GHz-5GHz ফ্রিকুয়েন্সিতে Wi-Fi কাজ করে।
খ) Wi-Fi এর কভারেজ এরিয়া 50-200 মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।
গ) Wi-Fi এর একাধিক Standard রয়েছে ।
যেমনঃ 802.a, 802.b, 802.11g এবং 802.11n ইত্যাদি। ঘ) Wi-Fi এর ব্যান্ডউইথ 10-50Mbps ।
ঙ) যে কোন মানের বিশ্বের যে কোন জায়গায় কাজ করবে।
চ) এটি আইফোন, অ্যানড্রয়েড, ট্যাব, বাদা এবং সিম্বিয়ান অপারেটিং সিস্টেম চালিত ফোনগুলাে ওয়্যারলেস সংযােগ তৈরি করতে পারে।
ছ) ক্লায়েন্ট-টু-ক্লায়েন্ট সংযােগগুলাের জন্য রাউটার ছাড়াও এড হক মােডে Wi-Fi ডিভাইসগুলােকে সংযুক্ত করা যায়।
জ) Wireless LAN (WLAN) Corsico af 1990 হয়।


Wi-Max এর বৈশিষ্ট্যঃ
ক) Wi-Max 2-66GHz ফ্রিকুয়েন্সিতে কাজ করে।
খ) এর কভারেজ এরিয়া 30-50 কিলােমিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।
গ) Wi-Max এর ১টি Standard রয়েছে। যেমনঃ 802.16।
ঘ) Wi-Max এর ব্যান্ডউইথ 30 Mbps থেকে 75Mbps পর্যন্ত।
ঙ) বিভিন্ন ধরনের ডিভাইসের মাধ্যমে শহর এবং গ্রামে পাের্টেবল মােবাইল ব্রডব্যান্ড সংযােগ প্রদান করে।
চ) দ্রুতগতির ইন্টারনেট সুবিধা সহ ডেটা ট্রান্সফারিং, টেলিফোন সার্ভিস, ভিডিও স্ট্রিমিং ইত্যাদি মাল্টিফাংশন সুবিধা প্রদান করে।
ছ) Wireless MAN (WMAN) COFETCO eft 4990 হয়।


৫৩।Wi-Fi ও Wi-Max মধ্যে পার্থক্য লিখ ?

Wi-Fi Wi-Max
১। নেটওয়ার্কের জন্য কোনাে লাইসেন্স বা কর্তৃপক্ষের অনুমােদনের প্রয়ােজন হয় না। ১। নেটওয়ার্কের জন্য কোনাে লাইসেন্স বা কর্তৃপক্ষের অনুমােদনের প্রয়ােজন হয়।
২।2.4GHz-5GHz ফ্রিকুয়েন্সিতে Wi-Fi কাজ করে। ২।Wi-Max 2-66GHz ফ্রিকুয়েন্সিতে কাজ করে।
৩। Wi-Fi এর একাধিক Standard রয়েছে।যেমনঃ 802.a, 802.b, 802.11g এবং 802.1ln ইত্যাদি। ৩। Wi-Max এর ১টি Standard রয়েছে। যেমনঃ 802.16।
৪। তুলনামূলক ব্যয় কম। ৪। তুলনামূলক ব্যয় বেশি।
৫।এর ব্যান্ডউইথ 1050Mbps ৫। এর ব্যান্ডউইথ 30Mbps থেকে 75Mbps পর্যন্ত।

৫৪. মােবাইল ফোন কী?

উঃ মােবাইল শব্দটি উৎপত্তি মােভ (Move) থেকে। তাই মুভিং বা ভ্রমণ অবস্থায় তারবিহীনভাবে যে ফোন ব্যবহার করা হয় তাকে মােবাইল ফোন বলা হয়। মােবাইল ফোনে এক ধরনের মাইক্রোচিপ বা কার্ড(SIM /R-UIM) থাকে যেখানে টেলিফোন সার্ভিস সংযােগ প্রদান ও অন্যান্য মােবাইলের সাথে কল আদান-প্রদানের অনুমােদন, ব্যবহারকারী শনাক্তকরণ, ব্যবহৃত ফোন নম্বর প্রভৃতি থাকে।


৫৫.মােবাইলের আবিস্কার কে করেন এবং কত সালে?

উঃ আবিস্কার : ১৯৭৩ সালে ডঃ মার্টিন কুপার মােবাইল ফোন আবিস্কার করেন।


৫৬. মােবাইল ফোন কত প্রকার ও কী কী?

উঃ মােবাইল বা সেলুলার ফোন দুই প্রকার যথাঃ
ক) GSM
খ) CDMA


৫৭.Hand off কী?

উঃ মােবাইল ফোনে কথা বলার সময় হঠাৎ কল কেটে গেলে বা ডিসকানেক্ট হয়ে যাওয়াই হচ্ছে Hand off ।


৫৮.GSM ও CDMA এর মধ্যে পার্থক্য লিখ?

GSM CDMA
১। শব্দটির পূর্নরুপ হচ্ছে Global System for Mobile Communication. ১। CDMA শব্দটির পূর্নরুপ হচ্ছে Code Division Multiple Access.
২। ডেটা ট্রান্সফার রেট 56 Kbps। ২। ডেটা ট্রান্সফার রেট 154-614 Kbps।
৩। বিদ্যুৎ খরচ বেশী যা প্রায় ২ ওয়াট। ৩। বিদ্যুৎ খরচ কম যা প্রায় ২০০ মাইক্রোওয়াট।
৪। সেল কভারেজ এরিয়া ৩৫ কি.মি. পর্যন্ত বিস্তৃত। ৪। সেল কভারেজ এরিয়া ১১০ কি.মি. পর্যন্ত বিস্তৃত।
৫। যে কোন হ্যান্ডসেট ব্যবহার করা যায়। ৫। এ ধরনের কোনাে সুবিধা নেই।
৬। আন্তর্জাতিক রােমিং সুবিধা আছে। ৬। আন্তর্জাতিক রােমিং সুবিধা নেই।

৫৯. স্মার্ট ফোন কাকে বলে?

উঃ স্মার্ট ফোন হলাে উন্নত কম্পিউটিং ও কারেকটিভিটির সুবিধাসম্পন্ন মােবাইল ফোন। স্মার্ট ফোনগুলােতে উন্নত নানা অ্যাপ্লিকেশন ইন্সটল ও রান করা যায়। মােবাইল অপারেটিং সিস্টেম থাকে, যা প্লাটফর্ম নামে পরিচিত। 2G, 3G, 4G সহ বিভিন্ন নেটওয়ার্কের উপযােগী হয়ে থাকে।


৬০. সিম কার্ড (SIM Card) কী ?

উঃ SIM শব্দটির পূর্নরুপ হচ্ছে Subscriber Identity Module। GSM মােবাইলগুলাের জন্য একটি ক্ষুদ্র মাইক্রোচিপের প্রয়ােজন হয়। এই চিপকে SIM Card বলে।


৬১. প্রজন্ম কাকে বলে?

উঃ মােবাইল ফোনের ক্রমবর্ধমান ব্যবহার ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নের এক একটি পর্যায় বা ধাপকে মােবাইল ফোনের | প্রজন্ম বলে।


৬২. মােবাইলের ফোনের প্রজন্মের কত ভাগে করা যায়?

উঃ মােবাইলের ফোনের প্রজন্মকে ৫টি শ্রেনিতে ভাগ করা | হয়েছে। যথাঃ
a. 1 Generation-1G (1979-1990)
b. 2nd Generation-2G (1991-2000)
c. 3rd Generation-3G (2001-2008)
d. 4" Generation-4G (2009-বর্তমান)
e. 5th Generation-5G (2015- ভবিষ্যৎ)


৬৩. মােবাইলের ফোনের প্রজন্মের বৈশিষ্ট্য লিখ?

উঃ ১ম প্রজন্মঃ
ক) এ প্রজন্মের মােবাইলে কোনাে মেসেজ পাঠানাে যেত না।
খ) আকৃতি বড় ছিল।
গ) ওজন ভারী ছিল।
ঘ) রেডিও সিগন্যাল হিসেবে পদ্ধতির ব্যবহার হতাে।
ঙ) ডেটা ট্রান্সফার রেট ছিল ৩০০ বিপিএস।
চ) এই প্রজন্মের ফোন দিয়ে শুধু কথা বলা যেত।

২য় প্রজন্ম :
ক) প্রথম প্রি-পেইড সিস্টেম চালু হয়।
খ) এই প্রজন্মের ট্রান্সমিশন সিস্টেম ডিজিটাল পদ্ধতির।
গ) মােবাইল ফোনের পেমেন্ট সিস্টেম প্রবর্তন ঘটে।
ঘ) উচ্চ গতিসম্পন্ন ডেটা আদান-প্রদানের ব্যবস্থা চালু হয়।
ঙ) এসএমএস ও এমএমএস চালু হয়।
চ) আন্তর্জাতিক রােমিং সুবিধা প্রদান করা হয়।

৩য় প্রজন্ম : ক) ডেটা আদান-প্রদানের ব্যবস্থা উচ্চ রেটে চালু হয়েছে।
খ) এ প্রজন্মে ডেটা ট্রান্সমিশনের জন্য সার্কিট সুইচিংয়ের পরিবর্তে প্যাকেট সুইচিংয়ের প্রবর্তন ঘটেছে।
গ) নেটওয়ার্কে EDGE, GPRS এর অধিক ব্যবহার হয়।
ঘ) এ প্রজন্যে ব্যবহৃত নেটওয়ার্কগুলাের মধ্যে রয়েছে HSDPA 900, HSDPA 1700 HSDPA 2100।

ঙ) ডেটা রেট 2 Mbps এর অধিক।
চ) ভিডিও কলের ব্যবহার শুরু হল।
ছ) ব্যাপক আন্তর্জাতিক রােমিং সুবিধা।

৪র্থ প্রজন্মঃ
ক) সার্কিট সুইচের পরিবর্তে এর ব্যবহার হচ্ছে।
খ) প্রকৃত ডেটা ট্রান্সফার রেট সর্বোচ্চ 20 Mbps এর অধিক।
গ) 4G গতি 3G তুলনায় ৫০ গুন বেশি।
ঘ) ত্রিমাত্রিক (3D) ছবি প্রদর্শনের ব্যবস্থা থাকবে।
ঙ) উচ্চ গতিসম্পন্ন ফ্রিকুয়েন্সি।
চ) দ্রুত চলনশীল ডিভাইসে 100 Mbps এবং স্থির ডিভাইসে 1 Gbps ডেটা গতি রেট।

৫ম প্রজন্ম(What is 5G) :
ক) কম খরচে ডেটা ক্রয় করে ইচ্ছে অনুযায়ী ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়।
খ) ইন্টারনেটের সার্থে সার্বক্ষনিক যুক্ত থাকা যায়।
গ) ব্লু-টুথ বা ডেটা ক্যাবলের সাহায্যে মােবাইল ফোনকে। কম্পিউটারের সাথে যুক্ত হওয়া যায়।
ঘ) মােবাইল ফোনে গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম (GPS) ব্যবহার করা যায়।
ঙ) ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন অ্যাপস ব্যবহার করে টেলিভিশন দেখা যায়।
চ) সামাজিক নেটওয়ার্কিং ও ভিডিও শেয়ারিং সাইট যেমন-ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউব ইত্যাদি ব্যবহার করা যায়।
ছ) Wi-Fi হটস্পটগুলােতে ইন্টারনেট অ্যাকসেস করা যায়।


৬৪. জিপিআরএস (GPRS) কী?

উঃ GPRS এর পূর্ন রুপ হলাে General Packet Radio Service। একটি জেনারেল প্যাকেট ওরিয়েন্টেড মােবাইল ডেটা সার্ভিস। এটি 2G সেলুলার মােবাইল কমিউনিকেশন সিস্টেম। GPRS এর মাধ্যমে মােবাইল নেটওয়ার্কে অনেক বেশি ব্যান্ড উইডথ (Band Width) পাওয়া যায়।


৬৫. ইডিজিই(EDGA) কী?

উঃ GPRS -এর চাইতে ৪ গুন বেশি ট্রাফিক বহন করতে পারে। EDGA এর পূর্নরুপ হলাে Enhanced Data Rates for GSM Evolution। এটি 3G সেলুলার মােবাইল কমিউনিকেশন সিস্টেম। এটি 2003 সালের শুরুতে GSM নেটওয়ার্কে EDGA-কে চালু করা হয়।


৬৬. রােমিং কাকে বলে?

উঃ যখন কোনাে মােবাইল ব্যবহার করা হয় তখন একটি নেটওয়ার্ক কভারেজের মধ্যে থেকেই মােবাইলটিকে ডেটা আদান-প্রদানের সুযােগ দেওয়া হয়। নেটওয়ার্ক কভারেজের বাইরে গিয়েও অনরবত ডেটা সার্ভিস পাওয়াকে রােমিং বলা হয়।


৬৭. কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং কাকে বলে?

উঃ দুই বা ততােধিক কম্পিউটার আন্তঃসংযুক্ত হওয়াকে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বলে। অর্থাৎ, কম্পিউটারের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের উদ্দেশ্যে সংযােগ ব্যবস্থাকে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বলা হয়ে থাকে।


৬৮. মিডিয়া কাকে বলে?

উঃ কম্পিউটারের সাথে কম্পিউটারের সংযােগ স্থাপন করতে হলে কোনাে কিছুর সাহায্যের প্রয়ােজন হয়, যাদেরকে মিডিয়া বলে। যেমনঃ LAN, PAN ইত্যাদি।


৬৯. কম্পিউটার নেটওয়ার্কের ব্যবহার/ উদ্দেশ্য কী?

উঃ
ক) তথ্য বিনিময়।
খ) হার্ডওয়্যার রিসাের্স শেয়ারিং।
গ) সফটওয়্যার রিসাের্স শেয়ারিং।
ঘ) তথ্য সংরক্ষণ।
ঙ) দূরবর্তী স্থান থেকে ব্যবহার।
চ) ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট।
ছ) অফিস অটোমেশন।
জ) নিরাপত্তা।


৭০. হােস্ট কী এবং নোড কাকে বলে?

উঃ হােস্টঃ যে কম্পিউটার সার্ভার হিসেবে কাজ করে তাকে হােস্ট বলে। নােডঃ যে কম্পিউটারে বসে কাজ করা হয় তাকে নােড বা ওয়ার্কস্টেশন বলা হয়।


৭১. কম্পিউটার নেটওয়ার্কের প্রকারভেদকে চার্ট আকারে প্রকাশ কর?

কম্পিউটার নেটওয়ার্কের প্রকারভেদকে চার্ট


৭২. নেটওয়ার্ক কত প্রকার ও কী কী?

উঃ কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে প্রধানত ৪ ভাগে ভাগ করা যায়। যথাঃ
১) PAN (Personal Area Network)
২) LAN (Local Area Network)
3) MAN (Metropolitan Area Network)
8) WAN (Wide Area Network)


৭৩. নেটওয়ার্কের বৈশিষ্ট্য গুলাে লেখ?

উঃ ১) PAN এর বৈশিষ্ট্যঃ
ক) পার্সোনাল কম্পিউটার ডিভাইসসমূহের মধ্যে যােগাযােগের জন্য ব্যবহৃত হয়।
খ) খরচ তুলনামূলক কম।
গ) দ্রুত ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে।
ঘ) এ ধরনের নেটওয়ার্ক যে কোন জায়গায় তৈরি করা যায় ।
ঙ) ব্যাপ্তি সাধারণত ১০ মিটারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে।
চ) ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি দ্বারা একটি ওয়্যারলেস পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা WPAN তৈরি করা সম্ভব।

২) LAN এর বৈশিষ্ট্যঃ
ক) সীমিত দুরত্বের মধ্যে এর কার্যক্রম সীমাবদ্ধ।
খ) শ্রেনি সংযােগের মাধ্যমে কম্পিউটারগুলাে সংযুক্ত হয়।
গ) ডেটা স্থানান্তরের হার সাধারনত 10Mb থেকে 1000Mb ।
ঘ) এই নেটওয়ার্ক স্থাপন ও রক্ষনাবেক্ষন পদ্ধতি সহজ ও খরচ কম।
ঙ) এই নেটওয়ার্কে কম্পিউটারসমূহ তার বা তারবিহীন সংযোগ প্রদান করা যায়।

৩) MAN এর বৈশিষ্ট্যঃ
ক) এর বিস্তৃতি ১০ থেকে ৩০ কি.মি. পর্যন্ত হতে পারে।
খ) LAN এর চাইতে দ্রুত গতির।
গ) খরচ তুলনামূলক ভাবে কম।
ঘ) বেশি পরিমান তথ্য আদান-প্রদান করা যায় ।
ঙ) MAN এর মালিকানা সাধারনত কোনাে অর্গানাইজেশনের হয়ে থাকে।
চ) ডেটা স্থানান্তরের হার সাধারনত 10Mbps থেকে 10Gbps ।

৪) WAN এর বৈশিষ্ট্যঃ
ক) বিভিন্ন তথ্য, পত্র-পত্রিকা, বই, চলচ্চিত্র প্রভৃতি সংগ্রহ ও ব্যবহার করা যায়।
খ) বিশ্বের যে কোন স্থান থেকে ইমেইল প্রেরন করা যায়।


পাবলিক নেটওয়ার্ক(public network) and প্রাইভেট নেটওয়ার্ক(private network) পার্থক্য লিখ ?

পাবলিক নেটওয়ার্ক(public network) প্রাইভেট নেটওয়ার্ক(private network)
১। পাবলিক নেটওয়ার্ক কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের একক মালিকাধীন নয়। ১। CDMA শব্দটির পূর্নরুপ হচ্ছে Code Division Multiple Access.
২। যে কেউ এ নেটওয়ার্ক ব্যবহার করতে পারে। ১। প্রাইভেট নেটওয়ার্ক কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের একক মালিকাধীন হয়ে থাকে।
৩। কম নিরাপদ। ২। যে কেউ এ নেটওয়ার্ক ব্যবহার করতে পারে না।
৪। ট্রাফিক কম। ৪। ট্রাফিক বেশি।
৫। ইহা কোন প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার মাধ্যমে পরিচালিত হয়। ৫। ইহা ব্যক্তি মালিকাধীন নিয়ন্ত্রিত হয়।
৬। ডেটা দ্রুত গতির হয়। উদাঃ ব্যাংকের এটিএম। ৬। আন্তর্জাতিক রােমিং সুবিধা নেই।৬। ডেটা ট্রান্সফার কম গতির হয়। উদাঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট এর নিজস্ব নেটওয়ার্ক।


৭১.LAN and MANপার্থক্য লিখ ?

LAN MAN
১। LAN এর পূর্নরুপ হলাে _Local Area Network ১। MAN এর পূর্নরুপ হলাে _Metropolitan Area Network
২। এক্ষেত্রে সাধারনত একটি নির্দিষ্ট ভবন বা ক্যাম্পাসে একদল কম্পিউটার নেটওয়ার্কভূক্ত হয়। ২। MAN হলাে কতগুলাে ল্যান এর সমন্বয় যা একটি পুরাে শহর বা বড় আকারের কোন এলাকাব্যাপী বিস্তৃত।
৩। LAN এর মালিকানা সাধারনত কোন একক ব্যক্তি বা কিছু সংখ্যক লােকের একটি গুপের হতে পারে। ৩। MAN এর মালিকানা সাধারনত কোনাে অর্গানাইজেশনের হয়ে থাকে।
৪। LAN এর গতি কম। ৪। LAN এর চাইতে MAN দ্রুত গতির।

৭৬. NIC বা NIC Card কী?

উঃ NIC এর পূর্নরুপ হচ্ছে Network Interface কে কম্পিউটারকে নেটওয়ার্কভুক্ত করার জন্য একটি বি বর্তনীর প্রয়ােজন হয়। এ বর্তনীকে যে কার্ডের উপর সf করা হয় তাকেই নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড বা NIC বলে


৭৭. মডেম(Modem) কী এর প্রকারভেদ লেখ?

উঃ একটি ডেটা কমিউনিকেশন ডিভাইস যা ডেটাকে কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে মাধ্যমের সাহায্যে দেয়া। মডেম শব্দটি Modulator ও DEModulator সংক্ষিপ্ত রুপ। যা ডিজিটাল ডেটাকে অ্যানালগ এবং অ্যান ডেটাকে ডিজিটাল সিগন্যালে রুপান্তর করে তাকে Modem বলে। মডেম ২ প্রকার যথাঃ 1) Internal Modem 2) External Modem


৭৮. হাব(HUB) কী এর প্রকারভেদ লেখ?

উঃ হাব হলাে নেটওয়ার্ক ডিভাইসসমূহের জন্য একটি সাধারণ কানেকশন পয়েন্ট। ল্যানের সেগমেন্টগুলাে কানেক্ট করার জন্য সাধারনভাবে হাব ব্যবহৃত হয়। হাবের মাধ্যমে কম্পিউটারসমূহ পরস্পরের সাথে যুক্ত থাকে। কার্যকারিতার দিক হতে “হাব” প্রধানত ৩ প্রকার যথাঃ
ক) সক্রিয় হাব (Active Hub)।
খ) নিষ্ক্রিয় হাব (Passive Hub)।
গ) ইন্টেলিজেন্ট হাব (Intelligent Hub)।


৭৯. সুইচ (Switch) কী?

উঃ সুইচ ও হাবের কাজ প্রায় একই। ডেটা সিগন্যাল নেটওয়ার্কে প্রেরক প্রান্ত থেকে প্রাপ্ত ডেটা সিগন্যাল কম্পিউটারের সুনির্দিষ্ট পাের্টে প্রেরন করে তাকে সুইচ বলে। অথবা, সুইচ এক ধরনের নেটওয়ার্ক কানেকটিভিটি ডিভাইস যা মিডিয়া সেগমেন্টগুলােকে একটি কেন্দ্রীয় অবস্থানে এনে একত্রিত করে। সুইচ সিগন্যাল গ্রহন করার পর তা সরাসরি টার্গেট কম্পিউটার বা কম্পিউটারসমূহে প্রেরন করে।


৮০.রিপিটার (Repeater) কী এর প্রকারভেদ লেখ?

উঃ নেটওয়ার্কে ক্যাবলের সংকেতকে ইলেকট্রিক্যাল| অ্যামপ্লিফাই করে এবং পুনরায় নেটওয়ার্কে প্রেরন করার প্রক্রিয়াকে রিপিটার বলে। যা নেটওয়ার্ক ক্যাবলের নির্দিষ্ট দূরত্বের অতিক্রম করার পর সংকেত দূর্বল হয়ে পড়ে তাকে সবল করা এবং গন্তব্য স্থানের দিকে প্রেরন করার জন্য রিপিটার ব্যবহার করা হয়। রিপিটার ২ প্রকার যথা ঃ ক) এমপ্লিফায়ার ও খ) সিগন্যাল রিজেনারেটিং ।


৮১. গেটওয়ে(Gateway) কাকে বলে?

উঃ যদি একাধিক নেটওয়ার্কের প্রটোকল ভিন্ন হয় তাহলে তাদের সংযুক্ত করতে রাউটারের চেয়ে বুদ্ধিমান একটি ডিভাইস প্রয়ােজন হয়, আর এই বুদ্ধিমান ডিভাইসকে গেটওয়ে বলে। অথবা, যে নেটওয়ার্ক ব্যবস্থায় একটি নেটওয়ার্ককে এক বা একাধিক নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত করা হয় তকে গেটওয়ে বলে। এটি বিভিন্ন প্রটোকলকে একত্রিত করে বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনের মধ্যে যােগাযােগ রক্ষা করে।


৮২.রাউটার(Router) কাকে বলে?

উঃ এক নেটওয়ার্ক থেকে আরেক নেটওয়ার্কে ডেটা পাঠানাের পদ্ধতিকে বলে রাউটিং। যে ডিভাইস রাউটিং এর কাজে। ব্যবহৃত হয় তাকে রাউটার বলে। এটি ডেটাকে গন্তব্য পৌঁছে। দেওয়ার জন্য সবচেয়ে কম দূরত্বের পাথ(Path) ব্যবহার করে। অথবা, রাউটার একই প্রটোকলবিশিষ্ট দুই বা ততােধিক স্বতন্ত্র নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযােগ স্থাপন করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারন করতে পারে তাকে রাউটার বলে। অথবা, রাউটার একটি বুদ্ধিমান ইন্টারনেট ওয়ার্ক কানেকটিভিটি ডিভাইস যা লজিক্যাল এবং ফিজিক্যাল অ্যাড্রেস ব্যবহার। করে দুই বা ততােধিক নেটওয়ার্ক সেগমেন্টের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদানের ব্যবস্থা করে।


৮৩.ব্রিজ(Bridge) কী এর প্রকারভেদ লেখ?

উঃ একাধিক নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে একটি বৃহৎ| নেটওয়ার্ক গঠনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত বিশেষ ধরনের ডিভাইসকে ব্রিজ বলা হয়। ব্রিজ ৩ প্রকার যথা ঃ
ক) লােকাল ব্রিজ। (এটি সরাসরি LAN এর সাথে যুক্ত থাকে।)
খ) রিমােট ব্রিজ । (ভৌগােলিকভাবে বিচ্ছিন্ন অবস্থানের একাধিক নেটওয়ার্ককে যুক্ত করে।)
গ) ওয়্যারলেস ব্রিজ। (একধিক WLAN কে যুক্ত করে।)


৮৪.নেটওয়ার্কের কাজ সমূহ লেখ।

উঃ ক) কম্পিউটার নেটওয়ার্ক এর সাথে সংযুক্ত ডিভাইসগুলাের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদানে সহায়তা করে।
খ) নেটওয়ার্কভুক্ত প্রতিটি কম্পিউটারগুলােকে কোনাে দামি যন্ত্রপাতি ব্যবহারের সুযােগ প্রদান করে।
গ) কোনাে কম্পিউটারে প্রয়ােজনীয় ডেটা বা সফ্টওয়্যার না থাকলে অন্য কম্পিউটার থেকে সেগুলাে ব্যবহারের সুযােগ করে দেয়।
ঘ) নেটওয়ার্ক বিশ্বের যে কোনাে প্রান্তের অবস্থানরত বন্ধুবান্ধবের সাথে অত্যন্ত অল্প সময়ের মধ্যে যােগাযােগে সহায়তা করে।
ঙ) স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির আবেদন, পরীক্ষার ফলাফল সহ ক্লাস করার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সহায়তা করে।
চ) ঘরে বসেই চাকরি, চিকিৎসা, ব্যবসা-বানিজ্য, পন্য ক্রয়বিক্রয় ইত্যাদি সেবা পাওয়া যায়।


৮৫.নেটওয়ার্কের ব্যাকবােন হিসেবে অপটিক্যাল ফাইবার সুবিধাজনক কেন? ব্যাখ্যা কর।

উঃ ফাইবার অপটিক্যাল ক্যাবল হচ্ছে কাচের তন্তুর তৈরি এক ধরনের ক্যাবল এবং আলােকরশ্মি পরিবাহী। এর মধ্য দিয়ে আলাের গতিতে ডেটা স্থানান্তরিত হয়। ইহার ব্যান্ডউইথ উচ্চ এবং বৈদ্যুতিক ও চুম্বক প্রবাহ হতে মুক্ত। তাছাড়া ডেটা ট্রান্সফারে অধিক নিরাপত্তা প্রদান করে। অর্থাৎ পরিবেশের চাপ তাপ দ্বারা ডেটা আদান-প্রদানে বাধাগ্রস্থ হয় না। এজন্য ফাইবার অপটিক্যাল নেটওয়ার্কের ব্যাকবােন হিসেবে কাজ করে।


৮৬. নেটওয়ার্ক টপােলজি কাকে বলে?

উঃ একটি নেটওয়ার্কে কম্পিউটার এবং আনুষঙ্গিক একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকার পদ্ধতিতে নেটওয়ার্ক টপােলজি বলে। অথবা, নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারগুলাের ভৌত সংযােগ বিন্যাস এবং নির্বিঘ্নে ডেটা আদান-প্রদানের যুক্তিনির্ভর সুনিয়ন্ত্রিত পথের পরিকল্পনা, এ দুয়ের সমন্বিত ধারণাকে বলা হয় নেটওয়ার্ক টপােলজি।


৮৭.নেটওয়ার্ক টপােলজি (Network Topology) বর্ণনা কর।

উঃ কম্পিউটার নেটওয়ার্ক টপােলজি ৬ ধরনের যথাঃ
ক) বাস টপােলজি (Bus Topology)।
খ) রিং টপােলজি (Ring Topology)।
গ) স্টার টপােলজি (Star Topology)।
ঘ) ট্রি টপােলজি (Tree Topology)।
ঙ) মেশ টপােলজি (Mesh Topology)।
চ) হাইব্রিড টপােলজি (Hybrid Topology)।

ক) বাস টপােলজিঃ একটি ক্যাবলের সাথে যদি সবকটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক করা থাকে তাকে বাস টপােলজি বলেবাস টপােলজির ক্যাবলটিকে প্রধান মেরুদন্ড(Backbone)। বলা হয়। সিগন্যাল যখন ব্যাকবােনের মধ্য দিয়ে চলাফেরা করে তখন শুধু প্রাপক কম্পিউটার সিগন্যাল গ্রহন করে, বাকি কম্পিউটারগুলাে গ্রহন করে না। এই সংগঠনে কোনাে কম্পিউটার নষ্ট হয়ে গেলে সম্পূর্ন সিস্টেম নষ্ট হয়ে যায় না।
Bus Topology
খ) রিং টপােলজিঃ একাধিক কম্পিউটার বৃত্তাকার পথে পরস্পর সংযুক্ত হয়ে নেটওয়ার্কভুক্ত হওয়াকে রিং টপােলজি বলে। এ টপােলজিতে রিংয়ের সর্বশেষে কম্পিউটারটি প্রথমটির সাথে যুক্ত থাকে। এ টপােলজিতে কোনাে কম্পিউটার ডেটা পাঠানাে তা বৃত্তাকার পথে কম্পিউটারগুলাে মধ্যে পর পর ঘুরতে থাকে, যতক্ষন নির্দিষ্ট কম্পিউটার ডেটা প্রদান না করে ততক্ষন প্রক্রিয়া চলতে থাকে। এতে কোনাে কেন্দ্রিয় কম্পিউটার থাকে না। এতে প্রতিটি কম্পিউটারের গুরত্ব সমান।
Ring Topology
গ) স্টার টপােলজিঃ একটি কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রনকারী কম্পিউটার বা হােস্ট কম্পিউটারের সাথে অন্যান্য কম্পিউটার হাব বা সুইচের মাধ্যমে সংযুক্ত করে যে নেটওয়ার্ক গড়া হয় তাকে স্টার টপােলজি বলে। এক্ষেত্রে একটি কম্পিউটার কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের (সার্ভরের) মাধ্যমে আদান-প্রদান করে থাকে।
Star Topology
ঘ) ট্রি টপােলজিঃ যে টপােলজিতে কম্পিউটারগুলাে পরস্পরের সাথে যুক্ত হয়ে গাছের শাখা-প্রশাখার মতাে বিন্যস্ত থাকে তাকে ট্রি টপােলজি বলে। এ সংগঠনে এক বা একাধিক স্তরের নােড হােস্ট কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে। অর্থাৎ প্রথম স্তরের কম্পিউটারগুলাে দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলাের হােস্ট হয়। একইভাবে দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলাে তৃতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলাের হােস্ট হয়।
Tree Topology
ঙ) মেশ টপােলজিঃ মেশ টপােলজিতে একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্কভুক্ত অন্য প্রতিটি কম্পিউটারের সাথে সরাসরি যুক্ত থাকে। ফলে যেকোনাে কম্পিউটার নেটওয়ার্কভুক্ত অন্য যে কোনাে কম্পিউটারের সাথে সরাসরি দ্রুত ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে। এ ধরনের সংগঠনে নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারগুলাের মধ্যে পারস্পরিক সংযােগকে পয়েন্ট-টুপয়েন্ট লিংক নামে অভিহিত করা হয়।
Mesh Topology
চ) হাইব্রিড টপােলজিঃ বিভিন্ন টপােলজি অর্থাৎ স্টার, রিং, বাস ইত্যাদি নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয় তাকে হাইব্রিড টপােলজি বলে। ইন্টারনেট একটি হাইব্রিড নেটওয়ার্ক, কেননা এতে প্রায় সব ধরনের নেটওয়ার্ক সংযুক্ত আছে। কোনাে কাজের একটি নেটওয়ার্ক টপােলজি স্বয়ংসম্পূর্ন নাও হতে পারে। এ জন্য এসব ক্ষেত্রে হাইব্রিড টপােলজি ব্যবহার করা হয়।
Hybrid Topology


৮৮.ক্লাউড কম্পিউটিং কাকে বলে?

উঃ ক্লাউড মম্পিউটিং হলাে এমন এক প্রকার সাবস্ক্রিপশন ভিত্তিক পরিসেবা বা সার্ভিস, যা নেটওয়ার্ক স্টোরেজ স্পেস এবং কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্রাংশের দ্রুত ও সুবিধাজনক ব্যবহার নিশ্চিত করে। অথবা, এটি এমন একটি প্রযুক্তি যা সহজতরভাবে কম সময়ে অধিক ক্ষমতাসম্পন্ন অনলাইন কম্পিউটিং সেবা প্রদান করে থাকে। কম্পিউটার ও ডেটা স্টোরেজ সহজে, ক্রেতার সুবিধামত চাহিবামাত্র এবং ব্যবহার অনুযায়ী ভাড়া দেওয়ার সিস্টেম হলাে ক্লাউড কম্পিউটিং বলে।


৮৯. ক্লাউড কম্পিউটিং কত প্রকার ও কী কী?

উঃ ক্লাউড কম্পিউটিং ৪ প্রকার যথা ঃ
ক) পাবলিক ক্লাউড।
খ) কমিউনিটি ক্লাউড।
গ) প্রাইভেট ক্লাউড।
ঘ) হাইব্রিড ক্লাউড।


৯১. ক্লাউড কম্পিউটিং(cloud computing) এর সুবিধা ও অসুবিধা লেখ।

উঃ ক্লাউড কম্পিউটিং এর সুবিধাঃ
১) এ পদ্ধতিতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সফটওয়্যার আপডেট করা যায়।
২) কম্পিউটার নেটওয়ার্ক তৈরি ও রক্ষনাবেক্ষন খরচ অনেক কম।
৩) এত কম হার্ডওয়্যার ব্যবহার করে বেশি আউটপুট পাওয়া যায়।
৪) দ্রুতগতিতে সেবা দেওয়া যায়।
৫) ব্যবহার অনুযায়ী খরচ কম।
৬) বিশ্বের যেকোনাে স্থানে দ্রুত ইন্টারনেট এক্সেস করার সুযােগ সৃষ্টি হয়েছে।
৭) নতুন সফটওয়্যার লাইসেন্স করতে হয় না।
৮) অপারেটিং সিস্টেম খরচ কম।

ক্লাউড কম্পিউটিং এর অসুবিধাঃ
১) সর্বদা ব্যবহারকারীকে নিয়ন্ত্রন করা যায় না।
২) অনেক সময় ব্যবহারকারীর গােপনীয় তথ্যের নিরাপত্তা থাকে না।
৩) এতে অনেক সময় ভুল বা মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত ছড়ানাে হয়।
৪) এতে ভেন্ডরদের প্রতি নির্ভরতা বৃদ্ধি পায়, যা Vendor Lock নামে পরিচিত।
৫) মেইনটেন্যান্স বা হ্যাকিং বা অন্য কারনে সার্ভার ডাউন হলে কাজ বন্ধ হয়ে যায়।
৬) নির্ধারিত সময় অন্তর নির্ধারিত ফি দিয়ে হয়, না দিলে সার্ভিস বন্ধ হয়ে যায়।


৯২. রিংগিং(Ringing) কী?

উঃ ক্যাবলের এক প্রান্ত থেকে সিগন্যাল পাঠালে এবং অন্য প্রান্তে টার্মিনেটর না থাকলে তা ক্যাবলের অন্য প্রান্তে ধাক্কা খেয়ে আবার ফেরত আসে। এ সিগন্যাল ফেরত আসাকে রিংগিং বলে।


৯৩.প্রটোকল(what is protocol) কী?

উঃ তথ্য আদান প্রদানের যে নিয়ম কানুন আছে, তা আসলে সফটওয়্যার আকারে থাকে তাকে প্রটোকল বলে।

Best way of learing

Self learing is the best learing in the world. Discover yourself first then will get what you are And what you want to do .It will push you for self learing.

Why you need to learn coding?

Coding will play a vital role in one's life . It will help to open a new window of thinking . You can think better way than past . It helps to organise all the thing in better way .