Chaper-6

Database Management System


Chapter-1 Part-1



Part-2 is given below

১.ডেটা কী?

উঃ Data শব্দটি ল্যাটিন শব্দ Datum এর বহুবচন। Datum অর্থ হচ্ছে তথ্যের উপাদান। তথ্যের অন্তর্ভূক্ত ক্ষুদ্রতর অংশসমূহ হচ্ছে ডেটা বা উপাত্ত।
অথবা,
Data হচ্ছে তথ্যের ক্ষুদ্রতম একক। সুশৃঙ্খলভাবে সাজানাে নয় এমন Fact বা উপাদান যা সুনির্দিষ্ট ফলাফল পাওয়ার জন্য প্রসেসিংয়ের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয় তাকে ডেটা বলে।
যেমনঃ অ, ক, ১, ২ ইত্যাদি অথবা সূর্য, চন্দ্র, গাড়ি বা অন্য যেকোনাে কিছুই ডেটা।


২. ডেটা প্রধানত কত প্রকার ও কী কী?

উঃ ডেটা প্রধানত তিন প্রকার যথাঃ
a) Numeric.(2,10,17 etc)
b) Non-Numeric.(Sam, Jon etc)
c) Boolean.(Yes, No)


৩. ইনফরমেশন (Information) কী?

উঃ ডেটাকে ব্যবহার করার জন্য প্রক্রিয়া করতে হয়। সরবরাহকৃত ডেটা প্রক্রিয়াকরনের পর যে ফলাফল পাওয়া যায় তাকে তথ্য বা Information বলে।


৪.ডেটা ও ইনফরমেশনের পার্থক্য লিখ ?

# ডেটা ইনফরমেশনের
1 সুনির্দিষ্ট আউটপুট বা ফলাফল পাওয়ার জন্যে যা প্রসেসিংয়ে ব্যবহৃত কাঁচামাল সমূহকে ডেটা উপাত্ত বলে ইনফরমেশন বা তথ্য হলাে সুশৃঙ্খলভাবে সাজানাে ডেটা যা প্রসেসিংয়ে সহজবােধ্য, অর্থবহ, কার্যকর ও ব্যবহারযােগ্য।
2 ডেটা একটি একক ধারনা ইনফরমেশন বা তথ্যের ক্ষুদ্রতম এককই ডেটা যা বিভিন্ন উৎস থেকে সংগ্রহ করা হয় । ডেটাকে প্রসেস করে ইনফরমেশনে রুপান্তর করা হয় ।
3 ডেটা পুরােপুরি কোন অর্থ বা ভাবার্থ প্রকাশ করে না। ইনফরমেশন কোন বিষয়ের অর্থ প্রকাশ করে যা ব্যবহারকারী বুঝতে পারে।
4 ডেটা ইনফরমেশন উপর নির্ভর করে । ইনফরমেশন ডেটার উপর। নির্ভর করে না।
5 ডেটা ইনফরমেশন তৈরি প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত হয়। ইনফরমেশন সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত হয়।
6 উদাহরণঃ ফলাফল, দ্বিতীয়, ০০১, ইসা,০০৫, সুমাইয়া, পরীক্ষা, বার্ষিক । বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল রােল নাম মেধাস্থান ইত্যাদি ডেটা ০০১ ইসা ০০৫ সুমাইয়া ।

৫. ডেটাবেজ কী ?

উঃ ডেটা শব্দের অর্থ হচ্ছে উপাত্ত এবং বেজ শব্দের অর্থ হচ্ছে ঘাঁটি বা সমাবেশ। পরস্পর সম্পর্কযুক্ত এক বা একাধিক ডেটা টেবিল বা ফাইলের সমষ্টি কে ডেটাবেজ বলে।
অথবা,
কোন একটি কম্পিউটারের সিস্টেমে জমাকৃত সর্বমােট স্ট্রাকচার ডাটার সমষ্টিকেই ডেটাবেজ বলে।


৬. ডেটাবেজ ব্যবহারের জন্য কোন সফটওয়্যার লাগে?

উঃ MS Access, My Sql, MS Sql, Oracle ইত্যাদি।


৭. ডেটা সংগঠন কাকে বলে?

উঃ একটি ডেটাবেজের প্রসেসিং-এর উপযােগী ডেটার বিশেষ সংগঠনকে ডেটা সংগঠন বলে। যেমনঃ টেবিল, রেকর্ড, ফিল্ড, বিট, ইত্যাদি ডেটা সংগঠনের উপাদান।


৮. ডেটাবেজে ব্যবহারের সুবিধা সমূহ লেখ?

উঃ ডেটাবেজে ব্যবহারের সুবিধা সমূহ হলাে :-
১) সফটওয়্যার ব্যবহার করে সহজে ডেটা সংরক্ষন করা যায়।
২) ডেটা সংশােধন, পরিবর্তন এবং বিভিন্নভাবে সাজানাে যায়।
৩) অপ্রয়ােজনীয় বা অতিরিক্ত ডেটা মুছা যায়।
৪) অতি দ্রুত ডেটা উপস্থাপন করা যায়।
৫) সংরক্ষিত ডেটাকে পরবর্তীতে আপডেট করা যায়।
৬) ডেটাবেজের তথ্যসমূহ প্রয়ােজনে বড় থেকে ছােট বা ছােট থেকে বড় আকারে সাজানাে যায়।
৭) ডেটা বিন্যাসে অল্প সময় লাগে ও ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে।


৯. ডেটাবেজে ব্যবহারের সুবিধা অসুবিধা সমূহ লেখ?

উঃ ডেটাবেজে ব্যবহারের সুবিধা অসুবিধা সমূহ হলাে :-
১) ডেটাবেজ বাস্তবায়নের জন্য প্রশিক্ষনপ্রাপ্ত ও অভিজ্ঞ জনবল নেই।
২) সফটওয়্যার অসুবিধার কারণে প্রক্রিয়াকরণ ধীরগতিসম্পন্ন হতে পারে।
৩) ভুল ডেটার কারনে অনেক ধরনের সমস্যা হতে পারে।
৪) সফটওয়্যার তৈরি করা সবার পক্ষে সম্ভব হয় না। অনেক সময় বেশি দাম দিয়ে ক্রয় করতে হয়।
৫) ডেটাবেজে সংরক্ষিত ডেটা চাহিবা মাত্র পাওয়া যায়।


১০. ডেটাবেজ ব্যবহার সমূহ লেখ ?

উঃ ডেটাবেজ ব্যবহার সমূহ হলােঃ
১) সরকারি প্রতিষ্ঠানে তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও সংরক্ষন ব্যবস্থাপনায় ডেটাবেজ ব্যবহার করা হয়।
২) কমিশন, অর্থ মন্ত্রনালয়, শিক্ষা মন্ত্রনালয়, পরিসংখ্যান ব্যুরাে, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরাে, ব্যানবেইজ ইত্যাদিতে ব্যবহার করা হয়।
৩) ব্যাংক ও বিমায় গ্রাহকের বিবরণ, ব্যালেন্স, অ্যাকাউন্ট, স্টেটমেন্ট, লােন, ব্যাংকিং লেনদেন, ক্রেডিট কার্ড ইত্যাদি কাজে ব্যবহার করা হয়।
৪) বিভিন্ন মােবাইল কোম্পানি ডেটাবেজ ব্যবহার করা হয়।
৫) শেয়ার মার্কেটে ডেটাবেজ ব্যবহার করা হয়।
৬) বিদ্যুৎ, পানি, টেলিফোন ব্যবহারের রেকর্ড, মাসিক বিল। ইত্যাদি।
৭) শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা বাের্ড, রেজিস্ট্রেশন, ফলাফল ইত্যাদি।
৮) এয়ার লাইনস , ট্রেন, হােটেল ইত্যাদি রিজাভেশন সিস্টেম, সিডিউলিং ও নেটওয়ার্কিংয়ে ব্যবহার হয়।


১২. ডেটাবেজের বিভিন্ন উপাদান সমূহের সংজ্ঞা সহ ব্যাখ্যা দাও?

উঃ ডেটাবেজের বিভিন্ন উপাদান সমূহের বণর্না
ডেটা(Data): ডেটা টেবিলের বিভিন্ন ফিল্ডে আমরা যা ইনপুট করি তাই ডেটা। উদাহরণঃ নাম, রােল, সিরিয়াল ইত্যাদি।
ফিল্ড(Field): ডেটা সংগঠনের কয়েকটি অক্ষর এর সমষ্টি অর্থাৎ রেকর্ডের ক্ষুদ্রতম অংশ হলাে ফিল্ড। উদাহরণঃ আইডি, নাম, রােল, শ্রেনী ইত্যাদি।
রেকর্ড(Record) পরস্পর সম্পর্কযুক্ত কয়েকটি ফিল্ডের সমন্বয়ে গঠিত হয় এক একটি রেকর্ড। উদাহরণঃ কোনাে ব্যাক্তির নাম, ঠিকানা, টেলিফোন, নম্বর ইত্যাদি।
ডেটা টেবিল বা ফাইল(Data Table or file) : পরস্পর সম্পর্কযুক্ত কতগুলাে রেকর্ডের সমন্বয়ে গঠিত হয় একটি ডেটা টেবিল বা ফাইল।

Example of Database

১৩. ডেটার এনটিটি(Entity) কী?

উঃ Entity হচ্ছে সত্তা যা দিয়ে অবজেক্টকে চিহ্নিত করা হয়। ডেটা ডেবিলকে চিহৃিত করার জন্য টেবিলের জন্য যে নাম। দেওয়া হয় তাকে ডেটার এনটিটি বলে। যেমনঃ একজন ছাত্রের নাম, রােল নম্বর ইত্যাদি এনটিটি।


১৪. ডেটা এনটিটি সেট(Entity Set) কী?

উঃ এক বা একাধিক ডেটার এনটিটি সেটের সমষ্টিকে এনটিটি সেট বলে।


১৫. অ্যাট্রিবিউট(Attribute) ও ভেলু(Value) কাকে বলে?

উঃ অ্যাট্রিবিউট(Attribute): একটি এনটিটি সেটের অন্তর্ভূক্ত প্রতিটি অবজেক্টকে নির্দেশ করার জন্য যে সকল বৈশিষ্ট্য ব্যবহৃত হয় সেসব বৈশিষ্ট্যকে অ্যাট্রিবিউট বলে। যেমনঃ Customer একটি এনটিটি যার অ্যাট্রিবিউটগুলাে হলাে Account-Id, Name, Address ইত্যাদি।
ভেলু(Value) বা মান : একটি এনটিটি সেটের প্রতিটি অ্যাট্রিবিউট প্রকাশ করার জন্য ব্যবহৃত নির্দিষ্ট শব্দ বা সংখ্যাকে ভেলু বলে। যেমনঃ Account -Id অ্যাট্রিবিউটের একটি মান A-20766 এবং Name অ্যাট্রিবিউটের মান Sajjad ইত্যাদি।

Entity Set Attribute Value
Customer Customer_Name Md.Shakil
Serial_No 10011
Customer_City Dinajpur
Account_Id A-1232

১৬. ফিল্ড ও রেকর্ড এর মধ্যে পার্থক্য(Difference between Field and Record) ?

ফিল্ড(Field) রেকর্ড(Record)
১। ফিল্ড হলাে কতগুলাে বাইট বা অক্ষরের সমষ্টি যা অর্থ প্রকাশ করে। ১। পরস্পর সম্পর্কযুক্ত কতগুলাে ফিল্ড নিয়ে রেকর্ড তৈরি হয়।
২। ফিল্ড হলাে ডেটা টেবিলের কলাম শিরােনাম। ২। রেকর্ড হলাে সবগুলাে কলামের সমন্বিত একটি সারির মান।
৩। ফিল্ড দ্বারা পরিপূর্ন তথ্য। পাওয়া যায় না। ৩। রেকর্ড দ্বারা পরিপূর্ন তথ্য পাওয়া যায়।
৪। প্রতিটি ফিল্ডের ডেটার মান একই হয়ে থাকে। ৪। একটি রেকর্ডের বিভিন্ন ফিল্ডের মান ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে।
৫। ডেটা সনাক্তকরনে ব্যবহৃত হয়। ৫। দুটি টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়।
৬। একটি টেবিলে একটি মাত্র প্রাইমারি কী থাকে। ৬। একটি টেবিলে বিভিন্ন টেবিলের একাধিক ফরেন কী থাকতে পারে।

১৭। ডেটাবেজের সুবিধা আসুবিধা লিখ ? ?

উঃ ডেটাবেজে ব্যবহারের সুবিধা অসুবিধা সমূহ হলাে :-
১) ডেটাবেজ বাস্তবায়নের জন্য প্রশিক্ষনপ্রাপ্ত ও অভিজ্ঞ জনবল নেই।
২) সফটওয়্যার অসুবিধার কারণে প্রক্রিয়াকরণ ধীরগতিসম্পন্ন হতে পারে।
৩) ভুল ডেটার কারনে অনেক ধরনের সমস্যা হতে পারে।
৪) সফটওয়্যার তৈরি করা সবার পক্ষে সম্ভব হয় না। অনেক সময় বেশি দাম দিয়ে ক্রয় করতে হয়।
৫) ডেটাবেজে সংরক্ষিত ডেটা চাহিবা মাত্র পাওয়া যায়।


১৮.কী ফিল্ড কাকে বলে?

উঃ ফাইল ও ডেটাবেজের রেকর্ড শনাক্তকরনের জন্য যেটা ব্যবহার করা হয় তাকে কী ফিল্ড বলে।

১৯. কী ফিল্ড কত প্রকার ও কী কী ব্যাখ্যা কর?

উঃ কী ফিল্ড সাধারনত ৩ প্রকার যথাঃ
ক) প্রাইমারি কী ফিল্ড (Primary Key Field)।
খ) কম্পােজিট প্রাইমারি কী ফিল্ড (Composite Primary Key) |
গ) ফরেন কী ফিল্ড (Foreign Key Field)।

ক) প্রাইমারি কী ফিল্ড: ডেটা টেবিলের যে ফিল্ডের মান সমূহ দ্বারা একটি রেকর্ডকে অন্যান্য রেকর্ড থেকে সম্পূর্নরুপে আলাদা করা যায় সেই ফিল্ডকে প্রাইমারি কী বলা হয়।
অথবা, | যে সকল ফিল্ড কোনাে একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে শনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী বলে।
অথবা,
examample of Primary Key Field
খ) কম্পােজিট প্রাইমারি কী ফিল্ড ঃ দুই বা ততােধিক এট্রিবিউট | বা কি এর সমষ্টি সম্মিলিতভাবে কোন এনটিটি সেটকে সনাক্ত করতে পারে তবে তাদেরকে কম্পােজিট প্রাইমারি কী বলে।
অথবা, একাধিক ফিল্ডের সমন্বয়ে যে প্রাইমারি কি গঠন করা হয় তাকে কম্পােজিট প্রাইমারি কী বলে। যেমনঃ কোনাে ছাত্রের নামের সাথে তার পিতার নাম সনাক্ত করা বা যুক্ত করাই হচ্ছে কম্পােজিট প্রাইমারি কী।
compogit Primary Key

গ) ফরেন কী ফিল্ডঃ ডেটাবেজের একটি ফাইলের প্রাইমারি কী | ফিল্ড অন্য কোনাে ডেটা ফাইলের সাধারন ফিল্ড হিসেবে ব্যবহার করা হয়, তা হলে ঐ ফিল্ডকে ফরেন কী ফিল্ড বলে।
অথবা,
একটি টেবিলের প্রাইমারী কী অন্য ডেটা টেবিলে সাধারন কী হিসেবে ব্যবহৃত হয় তাহলে এ কী-কে ফরেন কী বলা হয়।
অথবা,
রিলেশনাল টেবিলের ক্ষেত্রে কোনাে একটি টেবিলের প্রাইমারি কি যদি অন্য টেবিলে ব্যবহৃত হয় তখন ঐ কি কে প্রথম টেবিলের সাপেক্ষে দ্বিতীয় টেবিলের ফরেন কি বলে। যেমনঃ একজন ছাত্র/ছাত্রীর স্কুলের রােল নং তার স্কুলে প্রাইমারি কী এবং বাের্ডের রেজিঃ নং ফরেন কি, আর বাের্ডের কাছে রেজিঃ নং প্রাইমারি কি আর স্কুলের রােল ফরেন কী।

Foreign Key Field


২০. প্রাইমারী ও ফরেন কি এর মধ্যে পার্থক্য লিখ (Difference between Primary Key and Foreign Key )?

প্রাইমারি কী(Primary Key) ফরেন কী(Foreign Key)
১। যে কী দিয়ে নির্দিষ্ট এনটিটির কোন এনটিটি সেটকে সম্পূর্নরুপে শনাক্ত করা যায় তাকে প্রাইমারি কী বলে। ১। একটি টেবিলের প্রাইমারী কী অন্য ডেটা টেবিলে সাধারন কী হিসেবে ব্যবহৃত হয় তাহলে এ কী-কে ফরেন কী বলা হয়।
২। এ ফিল্ডের প্রত্যেকটি ভেলু Unique NULL বা অদ্বিতীয়। ২। এটি সর্বদা প্রাইমারি কী কে রেফার করে।
৩। এটি NULL নয়। ৩। এটি NULL।
৪।এটি Parent অর্থাৎ পিতা। ৪। এটি Child অর্থাৎ শিশু।
৫। ডেটা সনাক্তকরনে ব্যবহৃত হয়। ৫। দুটি টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়।
৬। একটি টেবিলে একটি মাত্র প্রাইমারি কী থাকে। ৬। একটি টেবিলে বিভিন্ন টেবিলের একাধিক ফরেন কী থাকতে পারে।

২১. পেরেন্ট(Parent) ও চাইল্ড(Child) টেবিল কাকে বলে?

উঃ একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যদি অন্য টেবিলে ব্যবহৃত হয় তখন ঐ কী-কে প্রথম টেবিলের সাপেক্ষে দ্বিতীয় টেবিলের ফরেন কী বলে। এখানে প্রথম টেবিলকে পেরেন্ট এবং দ্বিতীয় টেবিলকে চাইল্ড টেবিল বলে।


২২. DBMS বা ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম কাকে বলে?

উঃ DBMS এর পূর্নরুপ হলাে DataBase Management System। DBMS হচ্ছে পরস্পর সম্পর্কযুক্ত তথ্য একসেস, সংরক্ষন, নিয়ন্ত্রন এবং পরিচালনা করার জন্য প্রয়ােজনীয় | প্রােগ্রামের সমষ্টিকে ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বলে।


২৩.ডেটাবেস সফ্টওয়্যার কাকে বলে (What is database software)?

উঃ যে সফ্টওয়্যারের সাহায্যে কোন ডেটা সংরক্ষন করে প্রয়ােজনানুসারে ঐগুলাে সাজানাে বা কাজে লাগানাে যায় তাকে ডেটাবেজ সফ্টওয়্যার বলে।


২৪.DBMS এর প্রধান কাজ সমূহ কী কী?

উঃ DBMS এর প্রধান তিনটি কাজ হচ্ছে :
ক) ডেটবেজ সৃজন।
খ) ডেটাবেজ ইন্টারােগেশন ও
গ) ডেটবেজ রক্ষনাবেক্ষন।


২৫.DBMS কে কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়?

উঃ DBMS কে ৩ ভাগে ভাগ করা যায়। যথাঃ
ক)ক্লায়েন্ট সার্ভার ডেটাবেজ(Client Server Database)।
খ) ডিস্ট্রিবিউটেড ডেটবেজ (Distributed Database)।
গ) ওয়েব এনাবল ডেটাবেজ (Web Enable Database)।


২৬.DBMS কোন কোন সফটওয়্যারের মাধ্যমে কাজ করে?

উঃ ওরাকল (Oracle), মাইএসকিউএল(MySql), এমএস| কিউএল(Ms-Sql), মাইক্রোসফট এক্সেস (Microsoft Access),ফক্সপ্রাে(FoxPro) ইত্যাদি।


২৭. DBMS এর প্রাথমিক কাজসমূহ কী কী?

উঃ DBMS এর প্রাথমিক কাজগুলাে হলাে
১) ডেটাবেজ তৈরি করা, ডেটা এন্ট্রি করা এবং ডেটা সংরক্ষন করা।
২) ডেটার ভুল অনুসন্ধান ও সংশােধন করা ।
৩) অপ্রয়ােজনীয় ডেটা/রেকর্ড ডিলিট করা।
৪) নির্দিষ্ট ডেটা/রেকর্ড সার্চিং বা অনুসন্ধান এবং কুয়েরি করা।
৫) রিপাের্ট তৈরি ও প্রিন্ট করা।
৬) ডেটাবেজকে কোন ফিল্ডের ভিত্তিতে সাজানাে।
৭) ডেটা ডুপ্লিকেশন কমানাে ।
৮) প্রয়ােজনে সম্পূর্ন ডেটাবেজ বা ডেটাবেজের অংশবিশেষ প্রিন্ট করা।
৯) ডেটাবেজ আপডেট করা।
১০) ডেটার নিরাপত্তা বিধান করা এবং ব্যবহারকারী নিয়ন্ত্রন করা।
১১) ডেটার Backup ও Recovery করা ।


২৮. রিলেশান ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম(RDBMS) কাকে বলে?

উঃ ডেটাবেজে একাধিক টেবিলে একটি নির্দিষ্ট ফিল্ডের (প্রাইমারি ও ফরেন কী) উপর ভিত্তি করে সম্পর্ক স্থাপন করাকে RDBMS বলে। যেমনঃ ওরাকল (Oracle), মাইএসকিউএল(MySql), এমএস-এসকিউএল(Ms-Sql), মাইক্রোসফট এক্সেস (Microsoft Access), sicett(FoxPro) Conin আবিস্কারকঃ 1960 সালে ড. এডগার কোড (Dr. Edger Codd)।


২৯. ডেটাবেজ প্রােগ্রাম কতভাবে তৈরি করা যায়?

উঃ ডেটাবেজ প্রােগ্রাম তিনভাবে তৈরি করা যায়যথাঃ
ক) Database Wizard থেকে ডেটাবেজ তৈরি করা।
খ) মেনু থেকে ডেটবেজ তৈরি করা।
গ) ডেটাবেজ ল্যাংগুয়েজ দিয়ে ডেটাবেজ তৈরি করা।


৩০.RDBMS কী?

উঃ RDBMS এর পূর্নরুপ হলাে Relation DataBase Management System। RDBMS হচ্ছে পরস্পর সম্পর্কযুক্ত তথ্য ও সেই তথ্যগুলাে পর্যালােচনা করার জন্যে প্রয়ােজনীয় জটিল গ্রোগ্রামের সমষ্টিকে RDBMS বলে।


৩১. RDBMS এর বৈশিষ্ট্য সমূহ লেখ?

উঃ RDBMS এর বৈশিষ্ট্য সমূহ হলাে
১) সহজে এক ডেটাবেজ হতে অন্য ডেটাবেজে তথ্য আদানপ্রদান করা যায়।
২) সহজে ডেটাবেজ তৈরি করা যায়।
৩) সহজে টেবিলে তৈরি করে ডেটা এন্ট্রি করা যায় ।
৪) প্রাইমারি কী ফিল্ডের মাধ্যমে ডেটাবেজের ফাইলসমূহের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়।
৫) অসংখ্য ডেটার মধ্য থেকে যেকোনাে তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়।
৬) পছন্দমত রিপাের্ট তৈরি করা যায়।
৭) ডেটা এন্ট্রির জন্য কাস্টমাইজ ফরম ডিজাইন করা যায়।
৮) মেনু বিল্ডারের সাহায্যে সহজে মেনু তৈরি করা যায়।
৯) রিপাের্ট সহজে চার্ট,গ্রাফ, প্রদর্শন করা যায়।
১০) বিভিন্ন গ্যানিতিক ও লজিক্যাল কাজ করা যায়।


৩২. ডেটা টাইপ কী? এর ব্যাখ্যা দাও?

উঃ ডেটাবেজ প্রতিটি ফিল্ডের ধরনের বা তার বৈশিষ্ট্য হচ্ছে ডেটা টাইপ। নিচে ডেটা টাইপের বর্ণনা দেওয়া হলাে
১) টেক্সট ক্যারেক্টার(Text Character): টেক্সট ক্যারেক্টার। ফিল্ডে অক্ষর, সংখ্যা, চিহ্ন, ইত্যাদির ব্যবহার করা যায়। সাধারনত এ ফিল্ডে সর্বোচ্চ ২৫৫ বর্ণ বা অঙ্ক বা চিহ্ন এককভাবে বা সম্মিলিতভাবে ব্যাবহার করা যায়।
২) নাম্বার বা নিউমেরিক(Number Numeric) নাম্বার বা নিউমেরিক ফিল্ডে যােগ বা বিয়ােগ চিহৃসহ পূর্ন সংখ্যা যােগ, বিয়ােগ, গুন ও ভাগ করা যায়।
৩) হা/না বা যুক্তিমূলক(Yes/No or Logical): কোনাে ফিল্ডের মান “হ্যা” অথবা “না” এ দুটি তথ্য ফিল্ডে সংরক্ষন করা যায়। সত্যমিথ্যা বা হা/না তথ্যের জন্য ।
• True/False
• Yes/No.
• On/Off

৪) তারিখ বা সময়(Date/Time): এ ফিল্ডটি তারিখ বা সময়ের জন্য ব্যবহার করা হয় । 100 থেকে 9999 তারিখ ও সময়ের জন্য এ ফিল্ড ব্যবহৃত হয়।
৫) মেমাে(Memo): সাধারনত বিবরনমূলক লেখা বা বর্ণনার জন্য এ ফিল্ডের ব্যবহার করা হয়। সাধারনত এ ফিল্ডে 65,535টি ক্যারেক্টার লেখা যায়।
৬) ক্যারেন্সি(Currency): শুধু মুদ্রা বা টাকা সংক্রান্ত ডেটা এন্ট্রি করার জন্য Currency টাইপ সিলেক্ট করতে হয়।
৭) OLE Object: OLE এর পূর্নরুপ হলাে Object Linking and Embedding। এম.এস.ওয়ার্ড, ফটোশপ, সহ বিভিন্ন প্রােগ্রামের ফাইল, ছবি, গ্রাফ, ইত্যাদি যুক্ত করা যায়।
৮) Lookup Wizard : এর সাহায্যে কোনাে ডেটা টাইপ দ্বারা টেবিল হতে কোনাে মান সংযােজন করা যায়।
৯) Auto Number :এ এন্ট্রিকৃত রেকর্ডের পরিমান সংক্রিয়ভাবে গণনা করার জন্য ব্যবহার করা হয়।


৩৩.ফর্ম(Form) কী?

উঃ কোনাে ডেটাবেজের সফটওয়্যারে ডেটা ইনপুট করার জন্য অথবা সাময়িক কোনাে ম্যাসেজ প্রদর্শনের করে তাকে ফর্ম | বলে। এছাড়া অনেক ফরমের লেবেলে আমারা রিপাের্ট প্রদর্শন করতে পারি। সুতরাং ফরম ডেটাবেজের একটি অত্যাবশ্যকীয়। অংশ।


৩৪. রিপাের্ট(Report) কী?

উঃ ডেটাবেজ টেবিলে ইনপুটকৃত রেকর্ড প্রতিবেদন আকারে | প্রকাশ করার প্রক্রিয়াকে রিপাের্ট বলে।


৩৫. কুয়েরি(Query) কী?

উঃ কোনাে ডেটাবেজে সংরক্ষিত বিপুল ডেটা থেকে খুব দ্রুত ও সহজ উপায়ে যেকোনাে ডেটা খুঁজে বের করার পদ্ধতিকে Query বলে।

৩৬।ফর্ম(Form) ও রিপাের্ট (Report)এর মধ্যে পার্থক্য ?

Difference between form and Report

৩৭. ডেটাবেজ মডেল কাকে বলে?এটি কত প্রকার ও কী কী?

উঃ ডেটাবেজ এ বিন্যাসকে সঠিকভাবে বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন গঠনে ডেটাসমূহ সংরক্ষন করা হয়। এই গঠনগুলােকে ডেটা মডেল বলা হয়। ডেটাবেজে মডেল ৪ প্রকার যথাঃ
ক) লিস্ট স্ট্রকচার মডেল।
খ) ট্রি মডেল।
গ) নেটওয়ার্ক মডেল।
ঘ) রিলেশনাল মডেল।


৩৮.ডেটাবেজ অ্যাডমিনিস্ট্রেটর(DBA) কাকে বলে?

উঃ কোনাে DBMS এ যে ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠানে ডেটাবেজ ব্যবস্থাপনার সার্বিক দায়িত্ব পালন করে তাকে Database Administrator বলা হয়।


৩৯. sQL Query কী?

উঃ SQL শব্দের পূর্নরুপ হলাে Structure Query | Language। এটি অত্যন্ত শক্তিশালী ডেটা ম্যানিপিউলেশন, | ডেটা ডেফিনিশন, ডেটা কন্ট্রোল, ডেটা ট্রানজেকশন ভাষা। এটি বিভিন্ন শ্রেনীর কার্য সম্পাদনের জন্য ব্যবহৃত হয়। যেমনঃ ডেটা সন্নিবেশন করা, পরিবর্তন ও মুছে ফেলা, ডেটাবেজে অবজেক্ট তৈরি করা, সংশােধন করা ও ডেটাবেজে নিশ্চয়তা প্রদান করা ইত্যাদি।


৪০. সর্টিং (Sorting) কাকে বলে?

উঃ Sorting হলাে সাজানাে প্রক্রিয়া। ডেটাবেজের ডেটাকে নিম্নক্রম (Ascending) বা উর্ধ্বক্রম (Descending) অর্ডারে সাজানাের প্রক্রিয়াকে Sorting বলে।


৪১.ইনডেক্সিং(Indexing) কী?

উঃ ডেটা ফাইলের ইনপুটকৃত রেকর্ডের ক্রমিক নং এর কোনাে রুপ পরিবর্তন ছাড়া নির্দিষ্ট নিয়মে রেকর্ডকে সাজানাের পদ্ধতিকে ইনডেক্সিং বলে।


৪২. ইনডেক্সিং(Indexing) ও সর্টিং(Sorting) এর পার্থক্য লিখ?

ইনডেক্সিং(Indexing) সর্টিং(Sorting)
১। ইনডেক্সিং হলাে মূল টেবিল অপরিবর্তিত রেখে এক বা একাধিক ফিল্ড অনুসারে রেকর্ড গুলাে সাজানাের প্রক্রিয়া। ১। সর্টিং হলাে ডেটা টেবিলের রেকর্ডগুলােকে কোন নির্ধারিত ফিল্ড অনুসারে নিম্নক্রম বা উর্ধ্বক্রম অনুসারে সাজানাে।
২। মূল ডেটা ফাইলের রেকর্ডের ক্রমিক নাম্বার পরিবর্তন হয় না। মূল ডেটা ফাইলের রেকর্ডের ক্রমিক নাম্বার পরিবর্তন হয়।
৩। ডেটাবেজ ফাইলের এলােমেলাে রেকর্ডগুলাে তুলনামূলকভাবে দ্রুত সাজানাে যায়। ৩। ডেটাবেজ ফাইলের। এলােমেলাে রেকর্ডগুলাে সাজানাের তুলনামূলকভাবে বেশি সময়ের প্রয়ােজন হয়।
৪। ডেটাবেজ ফাইলের ইনডেক্স করলে নতুন ইনডেক্স ফাইল তৈরি হয় এবং মূল ডেটাবেজ ফাইল অপরিবর্তিত থাকে। ৪। সর্টকৃত মূল ডেটাবেজ ফাইলটি বিন্যাসকৃত অবস্থায় মেমােরিতে সংরক্ষিত হয়।
৫। ইনডেক্সকৃত ডেটাবেজে | নতুন কোন রেকর্ড সন্নিবেশিত করলে অথবা সংশােধন করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপডেট হয়। ৫। সর্টিং করা ডেটাবেজে নতুন কোন রেকর্ড সন্নিবেশিত করলে অথবা সংশােধন করলে। স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপডেট হয় না।


৪৪ ডেটাবেজ রিলেশন কত প্রকার ও কী কী ব্যাখ্যা দাও? ?


উঃ ডেটা টেবিলের উপর ভিত্তি করে রিলেশনকে ৪ ভাগে ভাগ করা যায়।
ক) One to One Relation
খ) One to Many Relation
গ)Many to One Relation
ঘ) Many to Many Relation।
ক) One to One Relation: যদি কোনাে ডেটাবেজের কোনাে একটি টেবিলের একটি রেকর্ড অপর একটি ডেটা টেবিলের একটি মাত্র রেকর্ডের সাথে সম্পর্কিত থাকে তবে। তাদের মধ্যে যে রিলেশনশিপ স্থাপন করা হয় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন।
খ) One to Many Relation : যদি কোনাে ডেটাবেজের কোনাে একটি টেবিলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ডেটা টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সাথে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশনশিপ স্থাপন করা হয় তাকে One to Many রিলেশন বলে।
গ) Many to One Relation : টেবিলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ডেটা টেবিলের একটি রেকর্ডের সাথে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলে।
ঘ) Many to Many Relation : কোন টেবিলে একাধিক রেকর্ডের সাথে অন্য কোন টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সম্পর্ককে Many to Many রিলেশন বলে।
TTypes of Database Relation


৪৫.কর্পোরেট ডেটাবেজ কাকে বলে?

উঃ প্রয়ােজনীয় তথ্য সংরক্ষন ও তা ব্যবহারের জন্য বিশেষ সফটওয়্যার দ্বারা তৈরিকৃত বহুমুখী সুবিধাসম্পন্ন ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকে কর্পোরেট ডেটাবেজ বলে।
উদাহরনঃ আমরা এটিএম বুথ থেকে টাকা উত্তোলন করি সেই। ডেটা আমাদের রেকর্ডে এন্ট্রি হয়। এটি একটি ইন্টারনেট ভিত্তিক ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। যা বড় বড় এন্টারপ্রাইজ বা কপোরেট প্রতিষ্টান। যেমন: ব্যাংক, বীমা, মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি, সরকারি প্রতিষ্ঠান, এনজিও এবং নেটওয়ার্কিং দ্বারা পরিচালিত।


৪৬. কর্পোরেট ডেটাবেজ কোন কোন কাজে ব্যবহৃত হয়?

উঃ যে সকল কাজে কর্পোরেট ডেটাবেজ ব্যবহৃত হয়
১) জাতীয় পরিচয়পত্রের ছবি ও তথ্য সংরক্ষনে।
২) বাড়ির হােল্ডিং নাম্বার, ভূমি ট্যাক্স, আয়কর প্রভৃতি তথ্য সংরক্ষনে।
৩) ভূমি জরিপ ও ম্যাপসংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষনে।
৪) অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িত ব্যক্তিদের তথ্য সংরক্ষনে।
৫) আদমশুমারি, কৃষিশুমারি ও অর্থনৈতিক তথ্য সংরক্ষনে।
৬) ব্যানবেইজ (BANBEIS= Bangladesh Bureau of Education Information and Statistics) a farem শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তথ্য সংরক্ষনে।
৭) শেয়ার মার্কেটের তথ্য, আয়কর, কাস্টমস ও আমদানিরপ্তানি সংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষনে।
৮) সরকারি আয়-ব্যয়, রাজস্ব আদায় এবং বাজেট সংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষনে।
৯) সামরিক বাহিনীর ভূমি, সৈন্য ও অপারেশন সংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষনে।
১০) আইন, আদালত ও মামলা সংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষনে ইত্যাদি।


৪৭. HRMS কাকে বলে?

উঃ HRMS এর পূর্নরুপ হলাে Human Resource Management System। মানব সম্পর্ক কার্যক্রমগুলােকে নিয়ন্ত্রনের জন্য যে তথ্য ও পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় তাকে হিউম্যান রিসাের্স ইনফরমেশন সিস্টেম বা HRMS বলে।
যেমনঃ প্রতিষ্ঠানের কর্মীর রেকর্ড সংরক্ষন, কর্মী মূল্যায়ন, কর্মকর্তা বা কর্মচারীদের প্রশিক্ষন এবং তাদের সুবিধা ও ক্ষতিপূরন ইত্যাদি ব্যাবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করে HRMS।


৪৮. ডেটা সিকিউরিটি কী? কত প্রকার ও কী কী?

উঃ ডেটাকে সবার জন্য প্রদর্শন বা পরিবর্তন করা উন্মুক্ত করা। নাও হতে পারে, শুধু অনুমােদিত ব্যাক্তি ব্যতিত অন্যদের থেকে ডেটার সুরক্ষাকে ডেটা সিকিউরিটি বলে।
অথবা,
আনঅথারাইজড অনাকাক্ষিত ব্যাক্তির হাত থেকে ডেটাকে মুক্ত রাখার পদ্ধতিকে ডেটা সিকিউরিটি বলে। সাধারনত ডেটার গােপনীয়তা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার পদ্ধতিকে ডেটা সিকিউরিটি বলে।


৪৯, ডেটা সিকিউরিটি কত প্রকার ও কী কী?

উঃ ডেটা সিকিউরিটি ২ প্রকার যথাঃ
ক) সিস্টেম সিকিউরিটি।
খ) ডেটা সিকিউরিটি।
ক) সিস্টেম সিকিউরিটিঃ ডেটাবেজ সিস্টেম লেবেলে ডেটা ব্যবহার করার জন্য নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থাকে সিস্টেম সিকিউরিটি বলে। যেমনঃ ডেটাবেজ সিস্টেম ব্যবহারের জন্য অনুমােদিত কিনা, ব্যবহারকারীর নাম ও পাসওয়ার্ড পরীক্ষা করা ইত্যাদি।
খ) ডেটা সিকিউরিটিঃ ডেটা সিকিউরিটি অবজেক্ট লেবেলে ডেটাবেজের একসেস ও ব্যবহার নিয়ন্ত্রন করে। এক্ষেত্রে কোনাে ব্যবহারকারী কী কী অবজেক্ট ব্যবহার করতে পারবে এবং কী ধরনের অ্যাকশন প্রয়ােগ করতে পারে তাকে ডেটা সিকিউরিটি বলে। অথবা, ডেটার গােপনীয়তা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার পদ্ধতিকে বলা হয়। ডেটা সিকিউরিটি। যেমনঃ ধরি ‘A’ নামের একজন ব্যবহারকারী ‘Student’ডেটাবেজের ডেটা দেখতে পারবে, কিন্তু মুছতে পারবে না।


৫০. ডেটা এনক্রিপশন কাকে বলে?

উঃ ডেটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ডেটাকে উৎস হতে গন্তব্যে প্রেরনের পূর্বে যে বিশেষ পদ্ধতিতে পরিবর্তন করা যায় তাকে ডেটা এনক্রিশন পদ্ধতি বলা হয়। অথবা, ডেটা এনক্রিপশন হলাে একটি প্রক্রিয়া, যেখানে প্লেইন টেক্সট ডেটাগুলাে সাইফার টেক্সট ডেটাতে রুপান্তরিত হয়যাতে করে এটি সর্বসাধারনের পড়ার ক্ষেত্রে দুর্বোধ্য হয়ে ওঠে যাতে করে কেউ তাতে অযাচিত হস্তক্ষেপ করতে না পারে। উদাহরণঃ এনক্রিপ্ট করে SAJJAD শব্দটিকে লেখা যায় TBKKBE। এক্ষেত্রে ‘পরবর্তী” অক্ষর'কে কোডিং পদ্ধতি হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। যেমন- S এর পরবর্তী অক্ষর |T, A এর পরবর্তী অক্ষর B, J এর পরবর্তী অক্ষর K এবং D এর পরবর্তী অক্ষর E। TBKKBE কাজেই থাকলে ডিক্রিপ্ট করে বুঝতে হবে সেটি আসলে SAJJAD।


৫১.এনক্রিপশন স্কিমের ধরন কয়টি ও কী কী?

উঃ এনক্রিপশন স্কিম ২ ধরনের যথাঃ
ক) সিমেট্রিক বা সিক্রেট-কী এনক্রিপশন।
খ) অ্যাসিমেট্রিক বা পাবলিক-কী এনক্রিপশন।


৫২. রিকভারী (Recovery) কাকে বলে?

উঃ কোনাে কারনে কম্পিউটার অচল হয়ে পড়ে ডেটাবেজের ডেটা হারিয়ে যায়। কিন্তু বিশেষ ব্যবস্থায় বিশেষ পদ্ধতির সাহায্যে হারিয়ে যাওয়া ডেটাকে পূনরুদ্ধার করাকে ডেটা রিকভারী বলে।


৫৩. ডেটা এনক্রিপশনের উপায় সমূহ লেখ?

উঃ ডেটা এনক্রিপ্ট করার জন্য অনেকগুলাে পদ্ধতি প্রচলিত আছে যেমনঃ-
ক) সিজার কোড।
খ) ডেটা এনক্রিপশন স্ট্যান্ডার্ড।
গ) ট্রিপল ডিইএস অ্যাডভান্সড এনক্রিপশন স্ট্যান্ডার্ড।
ঘ) ইন্টারন্যাশনাল ডেটা এনক্রিপশন অ্যালগরিদম।


৫৪.QBE কী?

উঃ QBE এর পূর্নরুপ হলাে- Query By Example। এর মাধ্যমে ব্যবহারকরী কী করতে চায় তার বর্ণনা Example অনুসারে Query লেখা হয়।


৫৪.QBE কী?

উঃ QBE এর পূর্নরুপ হলাে- Query By Example। এর মাধ্যমে ব্যবহারকরী কী করতে চায় তার বর্ণনা Example অনুসারে Query লেখা হয়।


৫৫. ফিজিক্যাল ডিজাইন কাকে বলে?

উঃ ডেটা কীভাবে সূরক্ষিত, সংগৃহীত, পরিবর্তন ও দ্রুত সময়ে ডেটা আহরন করার ব্যাখ্যাকেই ফিজিক্যাল ডিজাইন বলে।


৫৬. SQL কমান্ড ব্যবহার করে ডেটাটেবিল তৈরির ব্যাখ্যা দাও?

উঃ মনেকরি Teacher A_Section নামের একটি ডেটাটেবিল তৈরি করতে হবে। যে টেবিলটিতে নাম, রােল, পিতার নাম, জন্মতারিখ এই চারটি ফিল্ড থাকবে। এক্ষেত্রে সাথে নতুন টেবিল তৈরির কমান্ড ব্যবহার করতে হবে। নতুন টেবিল তৈরি করতে গেলে SQL এ “creat table” কমান্ড ব্যবহার করতে হবে। তাহলে যে কমান্ড ব্যবহার করে টেবিলটি তৈরি করতে হবে তার নিম্নরুপ:
Creat table A_Section (
Name char (2u),
Roll numeric (5),
Father's name char (20),
Data_of_birth Date
);


৫৭.SQL কমান্ড ব্যবহার সমূহ ?

উঃ ১. ict নামে ডেটাবেজ তৈরি করা: CREATE DATABASE ict;
উদাহরনঃ Student Table এর সব তথ্য দেখতে চাইলে Select From Studenti
২. Table তৈরি করাঃ CREATE TABLE Student StudentID int,
StudentName varchar(50),
FatherName varchar(50),
Address varchar(255),
Class varchar(15)
উদাহরনঃ Student Table এর Name Field দেখতে 1961- Select Name From Student;
৩.Table এর নিদিষ্ট data Delete ফেলাঃ
DELETE FROM table_name(student) DELETE FROM Customers WHERE CustomerName="Rabbi' AND ContactName=Rasel';


৫৮, Parameter Query কী?

উঃ ডায়লগ বক্সের মধ্যে বিভিন্ন প্যারামিটার নির্ধারন করে যে কুয়েরি পরিচালনা করা হয় তাকে Parameter Query বলে।


৫৯, Literal কী?

উঃ যে সকল ভেলু কে ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্টে- যথাযথভাবে সেই ভেন্যু হিসেবে বিবেচনা করে তাকে Literal বলে।

Best way of learing

Self learing is the best learing in the world. Discover yourself first then will get what you are And what you want to do .It will push you for self learing.

Why you need to learn coding?

Coding will play a vital role in one's life . It will help to open a new window of thinking . You can think better way than past . It helps to organise all the thing in better way .