HSC ICT Chapter 2 Important Question

HSC ICT Chapter 2 Important Question: কম্পিউটার নেটওয়ার্ক (Computer Network) কাকে বলে? | ইন্টারনেট (Internet) কাকে বলে? | ডেটা (Data) কী?? | কমিউনিকেশন (Communication )কী? | ডেটা কমিউনিকেশন (Data Communication) কাকে বলে? | ডেটা কমিউনিকেশনের (Data Communication) মৌলিক উপাদান কয়টি ও কী কী? | কমিউনিকেশন সিস্টেম কত প্রকার ও কী কী বর্নণা কর? | ডেটা কমিউনিকেশনের (Data Communication) উপাদান সমূহের বর্ণনা কর? | Bps, বিট ও ক্যারেক্টার বা Word কী? | ডেটা ট্রান্সমিশন (Data Transmission) স্পীড কী? | সিগন্যাল (Signal) কী? | ওয়েভফর্ম (Web Form) কী? | স্কয়ার ওয়েভ(Squre web) ও সাইন(sign web) ওয়েভ কাকে বলে? | এমপ্লিচ্যুড (Amplitude) কী? | ফ্রিকোয়েন্সি (Frequency) কী? |


1. কম্পিউটার নেটওয়ার্ক (Computer Network) কাকে বলে?

বিভিন্ন কম্পিউটার কোন যােগাযােগ ব্যবস্থার দ্বারা একসঙ্গে যুক্ত থাকলে তাকে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বলে।


2. ইন্টারনেট (Internet) কাকে বলে?

ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত একটি বৃহৎ নেটওয়ার্ককে ইন্টারনেট (Internet) বলে।


3. ডেটা (Data) কী??

Data শব্দটি ল্যাটিন শব্দ Datum -এর বহুবচন। Datum অর্থ হচ্ছে তথ্যের উপাদান। তথ্যের অন্তর্ভূক্ত ক্ষুদ্রতম অংশসমূহ। হচ্ছে ডেটা বা উপাত্ত অর্থাৎ, যে কোনাে তথ্য বা উপাত্তকেই ডেটা বলে।


4. কমিউনিকেশন (Communication )কী?

কমিউনিকেশন শব্দটি ল্যাটিন শব্দ “Communicare” থেকে এসেছে যার অর্থ “to Share”(আদান-প্রদান) করা। কমিউনিকেশন শব্দটির অর্থ হল যােগাযােগ।


5. ডেটা কমিউনিকেশন (Data Communication) কাকে বলে?

কোন ডেটাকে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে অথবা এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে অথবা একজনের ডেটা অন্যজনের নিকট বাইনারি পদ্ধতিতে স্থানান্তর করার পদ্ধতি। হলাে ডেটা কমিউনিকেশন। যেমনঃ কম্পিউটার থেকে পেনড্রাইভ, মােবাইল,মডেম ইত্যাদি।


6. ডেটা কমিউনিকেশনের (Data Communication) মৌলিক উপাদান কয়টি ও কী কী?

ডেটা কমিউনিকেশনের (Data Communication) মৌলিক উপাদান ৩টি যথাঃ
ক) প্রেরক।
খ) মাধ্যম।
গ) গ্রাহক।


7. কমিউনিকেশন সিস্টেম কত প্রকার ও কী কী বর্নণা কর?

কমিউনিকেশন সিস্টেম ৪ প্রকার যথাঃ
ক) বায়ােলজিক্যাল কমিউনিকেশন।
খ) গ্রাফিক্যাল কমিউনিকেশন।
গ) ওয়েভ কমিউনিকেশন।
ঘ) টেলিকমিউনিকেশন।
ক) বায়ােলজিক্যাল কমিউনিকেশন: সকল ধরনের কমিউনিকেশন যেখানে শরীরের বিভিন্ন অংশ দ্বারা করা হয়। তাকে বায়ােলজিক্যাল কমিউনিকেশন বলে। যেমন মস্তিস্ক, স্বরযন্ত্র, কান, বাহু, এবং হাত ইত্যাদি।
খ) গ্রাফিক্যাল কমিউনিকেশন ও সকল ধরনের কমিউনিকেশন যেখানে ছবি ও চিহ্নের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয় তাকে গ্রাফিক্যাল কমিউনিকেশন বলে। যেমনঃ ছবি, এ্যানিমেশন, ভিডিও ইত্যাদি।
গ) ওয়েভ কমিউনিকেশন: সকল ধরনের কমিউনিকেশন যা মেসেজকে একটি শক্তির উৎস দ্বারা বহন করে প্রকাশ করাকে ওয়েভ কমিউনিকেশন বলে। যেমনঃ বায়ু, পানি, মহাশূন্য ইত্যাদি।
ঘ) টেলিকমিউনিকেশন :দূরবর্তী স্থানে যােগাযােগের পদ্ধতিকে টেলিকমিউনিকেশন বলে। যেমনঃ টেলিফোন, মােবাইল ফোন, টেলিভিশন, রেডিও ইত্যাদি।


8. ডেটা কমিউনিকেশনের (Data Communication) উপাদান সমূহের বর্ণনা কর?

ডেটা কমিউনিকেশন সিস্টেম ৫টি উপাদান নিয়ে গঠিত। যথাঃ
ক) উৎস
খ) প্রেরক
গ) মাধ্যম।
ঘ) গ্রাহক
ঙ) গন্তব্য।
ক) উৎস : যে ডিভাইস হতে ডেটা পাঠানাে হয় তাকে উৎস বলে। যেমনঃ কম্পিউটার, টেলিফোন ইত্যাদি।
খ) প্রেরকঃ উত্স থেকে প্রাপকের নিকট ডেটা পাঠানাের জন্য যে যন্ত্র ব্যবহৃত হয় তাকে প্রেরক বলে। যেমন মডেম।
গ) মাধ্যমঃ যার মাধ্যমে ডেটাসমূহ এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বা এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে স্থানান্তর করা হয় তাকে মাধ্যম বলে। যেমন রেডিও ওয়েব, ক্যাবল, মাইক্রোওয়েভ, স্যাটেলাইট ইত্যাদি।
ঘ) গ্রাহকঃ যে যন্ত্র ডেটা গ্রহন করে তাকে গ্রাহক বলে। যেমনঃ মডেম, মােবাইলের সিম ইত্যাদি।
ঙ) গন্তব্যঃ সর্বশেষ গন্তব্য হিসেবে সার্ভার বা কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়। যেমনঃ কম্পিউটার।


9. Bps, বিট ও ক্যারেক্টার বা Word কী?

bps : প্রতি সেকেন্ডে বিট ডেটা স্থানান্তরিত হওয়ার হারকে bps বা Bit Per Second বলে। বিটঃ তথ্যের ক্ষুদ্রতম একক হলাে বিট (Bit)। Bit এর পুরাে নাম Binary Digit এক বিট সমান বাইনারি তথ্য 0 বা 1 ক্যারেক্টারঃ 8 বিটে 1(এক) বাইট (Byte)। ১ বাইট সমান এক ক্যারেক্টার বা Word ।


10. ডেটা ট্রান্সমিশন (Data Transmission) স্পীড কী?

মােবাইল হতে অথবা এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ডেটা স্থানান্তরের হারকে ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড (Data Transmission) বলে।


11. সিগন্যাল (Signal) কী?

সময়ের সাথে ভােল্টেজের পরিবর্তনকে অর্থাৎ উঠানামাকে সিগন্যাল বলে। সিগন্যাল দুই প্রকার যথাঃ
ক) এনালগ সিগন্যাল ।
খ) ডিজিটাল সিগন্যাল ।


12. ওয়েভফর্ম (Web Form) কী?

ডেটা কমিউনিকেশনে বা ডেটা ট্রান্সমিশনে (Data Transmission) সিগন্যাল ট্রান্সমিট হয় ভােল্টেজের উঠানামার মাধ্যমে, এই উঠানামা প্রকাশের ধরনকে বলা হয় ওয়েভফর্ম।


13. স্কয়ার ওয়েভ(Squre web) ও সাইন(sign web) ওয়েভ কাকে বলে?

স্কয়ার ওয়েভঃ ডিজিটাল সিগনালের ওয়েবফর্মকে স্কয়ার ওয়েভ বলে।
সাইন ওয়েভঃ এনালগ সিগনালের ওয়েবফর্মকে সাইন ওয়েভ বলে।


14. এমপ্লিচ্যুড (Amplitude) কী?

একটি ওয়েভের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন পয়েন্টের দুরত্বকে এমপ্লিচ্যুড বলে। এই এমপ্লিচ্যুড যত বেশি হবে সেই সিগন্যাল তত শক্তিশালী হবে। এই শক্তিকে মাপা হয় এম্পিয়ার(Ampere) হিসেবে।


15. ফ্রিকোয়েন্সি (Frequency) কী?

প্রতি সেকেন্ডে কোনাে সিগন্যাল যতগুলি ওয়েব তৈরি করে তাকে ফ্রিকোয়েন্সি বলে। এই ফ্রিকোয়েন্সি মাপা হয় হার্জ(Hz) হিসেবে।