HSC ICT CHAPTER 2 VIP QUESTIONS AND ANSWER

Hsc Chapter 1 Vip Question : ✪ ব্যান্ড উইঙ্খ (Band Width) কী? ✪ 325Kbps বলতে কী বুঝায়? ✪ Bps, Kbps, Mbps, Gbps, Tbps এর পূর্নরুপ লিখ? ✪ ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড কত প্রকার ও কী কী বর্ণা দাও? ✪ ট্রান্সমিশন মেথড কাকে বলে? ✪ বিট সিনক্রোনাইজেশন কাকে বলে? ✪ ডেটা ট্রান্সমিশন মেথড কত প্রকার ও কী কী বর্নণা দাও? ✪ অ্যাসিনক্রোনাস ও সিনক্রোনাসের বৈশিষ্ট্য লিখ? ✪ অ্যাসিনক্রোনাস ও সিনক্রোনাসের সুবিধা ও অসুবিধা লিখ? ✪ অ্যাসিনক্রোনাস ও সিনক্রোনাস এর মধ্যে পার্থক্য লিখ? ✪ ডেটা ট্রান্সমিশন কত প্রকার ও কী কী বর্ণা দাও? ✪ ডেটা ট্রান্সমিশন মােড কাকে বলে। ✪ ডেটা ট্রান্সফারের প্রবাহ কত প্রকার ও কী কী? ✪ ডেটা ট্রান্সমিশন মােড কত প্রকার ও কী কী এর বর্নণা কর ? ✪ হাফ-ডুপ্লেক্স ও ফুল-ডুপ্লেক্স এর মধ্যে পার্থক্য লিখ?


1. ব্যান্ড উইঙ্খ (Band Width) কী?

একটি মাধ্যম হতে অন্য মাধ্যমে প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমাণ বিট ট্রান্সমিট করা হয় তাকে ব্যান্ড উইথ বলে। যেমনঃ Bps, Kbps, Mbps, Gbps, Tbps ইত্যাদি।


2. 325Kbps বলতে কী বুঝায়?

একক সময়ে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটার বা এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে ডেটা স্থানান্তরের হারকে ডেটা ট্রান্সমিশন স্পিড বলে। 325Kbps বলতে বােঝায় প্রতি সেকেন্ডে 325 কিলােবাইট ডেটা এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে স্থানান্তরিত হয়।


3. Bps, Kbps, Mbps, Gbps, Tbps এর পূর্নরুপ লিখ?

• Bps = Bit per Second (1 bit=0 or 1)
• Kbps = Kilobits per Second (1024 bit= 1Kb)
• Mbps = Megabits per Second (1024 kb= 1Mb)
• Gbps = Gigabits per second (1024mb= 1Gb)
• Tbps = Terabits per second (1024gb= 1Tb)
এছাড়া আরও আছে- Peta,Exa,Zetta,Yotta.


4. ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড কত প্রকার ও কী কী বর্ণা দাও?

ডেটা কমিউনিকেশনের গতিতে ৩ ভাগে বিভক্ত। যথাঃ
ক) ন্যারাে ব্যান্ড (Narrow Band)
খ) ভয়েস ব্যান্ড (Voice Band)
গ) ব্রড ব্যান্ড (Broad Band)
ক) ন্যারাে ব্যান্ডঃ সাধারনত 45bps থেকে 300bps পর্যন্ত হয়ে থাকে। এই ব্যান্ড ধীরগতি সম্পন্ন ডেটা ট্রান্সমিশন- এর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় । যেমনঃ টেলিগ্রাফ।
খ) ভয়েস ব্যান্ডঃ ভয়েস ব্যান্ডের গতি সাধারনত 1200 bps থেকে 9600 bps বা 9.6 Kbps পর্যন্ত হয়ে থাকে। এটি সাধারনত টেলিফোনে বেশি ব্যবহৃত হয়। যেমনঃ টেলিফোন, প্রিন্টার, কার্ড-রিডার ইত্যাদি।
গ) ব্রডব্যান্ডঃ উচ্চ গতিসম্পন্ন ডেটা স্থানান্তর প্রক্রিয়ায় ব্রড ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়। এ ব্যান্ডের গতি 1Mbps এর চেয়ে | বেশি হয়ে থাকে। এটি স্যাটেলাইট, মাইক্রোওয়েভ | কমিউনিকেশনে ব্যবহৃত হয়। যেমনঃ Wi-MAX, স্যাটেলাইট, মাইক্রোওয়েভ, কো এক্ৰিয়াল ক্যাবল, অপটিক্যাল ফাইবার ইত্যাদি।


5. ট্রান্সমিশন মেথড কাকে বলে?

একটি কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারে ডেটা ট্রান্সমিশন হওয়ার প্রক্রিয়ার পদ্ধতি বা সিস্টেমকে ট্রান্সমিশন মেথড বলে।


6. বিট সিনক্রোনাইজেশন কাকে বলে?

যে কোনাে ডেটা পাঠানাের সময় সিগন্যাল বিট ও ডেটা | বিটগুলাের মধ্যে সমন্বয়ের জন্য ব্যবহৃত পদ্ধতিকে বিট সিনক্রোনাইজেশন বলে।


7. ডেটা ট্রান্সমিশন মেথড কত প্রকার ও কী কী বর্নণা দাও?

সিনক্রোনাইজেশনের ভিত্তিতে ডেটা ট্রান্সমিশন মেথড ৩ প্রকার, যথাঃ
ক) অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Asynchronous Transmission)
খ) সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Synchronous Transmission)
গ) আইসােক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Isochronous Transmission)
ক) অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনঃ যে ট্রান্সমিশন সিস্টেমে ডেটা প্রেরকের কাছ থেকে ডেটা প্রাপকের কাছে ক্যারেক্টার বাই ক্যারেক্টার ট্রান্সমিট হয় তাকে অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন বলে। যেমনঃ প্রতি ক্যারেক্টারে ১০ বা ১১ বিটের ডেটায় রুপান্তরিত হয়ে ডেটা ট্রান্সমিট হয়।
খ) সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনঃ যে ট্রান্সমিশন সিস্টেমে ডেটা সমূহকে ব্লক আকারে ভাগ করে প্রতি বার ১টি করে ব্লক ট্রান্সমিট করা হয় তাকে সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন বলে। যেমনঃ প্রতি ব্লক ৮০ থেকে ১৩২টি ক্যারেক্টার নিয়ে গঠিত হয়।
গ) আইসােক্রোনাস ট্রান্সমিশনঃ যে ট্রান্সমিশনে প্রেরক ও প্রাপক স্টেশনের মধ্যে ডেটা ট্রান্সমিশন ডিলে সর্বনিম্ন রাখা হয় অর্থাৎ, পর পর দুটি ব্লকের ডেটা ট্রান্সফারের সময় প্রায় ০(শুন্য) একক সময় ব্যবহার করা হয় তাকে আইসােক্রোনাস বলে। যেমনঃ প্রিন্টারের জন্য এক ধরনের মেথড, গানের জন্য এক ধরনের মেথড।


8. অ্যাসিনক্রোনাস ও সিনক্রোনাসের বৈশিষ্ট্য লিখ?

অ্যাসিনক্রোনাস এর বৈশিষ্ট্যঃ
ক) প্রেরক যেকোনাে সময় ডেটা ট্রান্সমিট করতে পারে এবং গ্রাহক তা গ্রহন করতে পারে।
খ) প্রতি ক্যারেক্টারের শুরুতে একটি স্টার্ট বিট ও শেষে একটি বা দুটি স্টপ বিট ট্রান্সমিট করা হয়।
গ) একটি ক্যারেক্টার পর আরেকটি ক্যারেক্টার ট্রান্সমিট হবার সময় মাঝখানে বিরতি সমান হয় না।
ঘ) ইন্সটলেশন খরচ অত্যন্ত কম এবং জটিল সার্কিট ছাড়াই। বাস্তবায়ন করা যায়।
সিনক্রোনাস এর বৈশিষ্ট্যঃ
ক) ডেটাকে ব্লক আকারে ট্রান্সমিট করা হয়।
খ) প্রতিটি ক্যারেক্টারের শুরু ও শেষে স্টার্ট এবং স্টপ বিটের প্রয়ােজন হয় না।
গ) পর পর দুটি ব্লক ট্রান্সমিট হওয়ার মধ্যবর্তী সময় সমান হয়।
ঘ) প্রতি ব্লকের শুরুতে একটি হেডার এবং শেষে একটি ট্রেইলার ইনফরমেশন সিগন্যাল পঠানাে হয়।


9. অ্যাসিনক্রোনাস ও সিনক্রোনাসের সুবিধা ও অসুবিধা লিখ?

অ্যাসিনক্রোনাস এর সুবিধাঃ
ক) অল্প করে ডেটা পরিবহনের পরিবেশে যেমন ইন্টারনেটে এই পদ্ধতি বেশি উপযােগী।
খ) প্রেরক যেকোনাে সময় ডেটা পাঠাতে পারে এবং গ্রাহক তা গ্রহন করতে পারে।
গ) প্রেরকের কোনাে প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইসের প্রয়ােজন হয় না।
ঘ) ইনস্টলেশন খরচ অত্যন্ত কম। অ্যাসিনক্রোনাস এর অসুবিধাঃ br>ক) সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনের তুলনায় এর দক্ষতা কম।
খ) ডেটা ট্রান্সমিশনে গতি অপেক্ষাকৃত কম।
গ) মাইক্রোওয়েভ বা স্যাটেলাইট মাধ্যমের ক্ষেত্র অত্যন্ত ব্যয়বহুল।
ঘ) প্রতি বর্ণের সাথে স্টার্ট বিট ও স্টপ বিট পাঠানাে হয়।
সিনক্রোনাস এর সুবিধাঃ
ক) স্টার্ট বা স্টাপ বিট না থাকায় এবং অনরবত চলতে থাকায় এর গতি অনেক দ্রুত হয়।
খ) প্রতিটি ক্যারেক্টারের শুরু ও শেষ স্টার্ট এবং স্টপ বিটের প্রয়ােজন হয় না।
গ) ক্যারেক্টারের পর টাইম ইন্টারভেলেরও প্রয়ােজন হয়না।
ঘ) এর দক্ষতা অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনের চেয়ে বেশি সময় তুলনামূলক কম লাগে।
সিনক্রোনাস এর অসুবিধাঃ
ক) এটি তুলনামূলক ব্যয়বহুল।
খ) এর সার্কিট জটিল।


10. অ্যাসিনক্রোনাস ও সিনক্রোনাস এর মধ্যে পার্থক্য লিখ?


11. ডেটা ট্রান্সমিশন কত প্রকার ও কী কী বর্ণা দাও?

ডেটা পাঠানাে উপর ভিত্তি করে ডেটা ট্রান্সমিশন ২ প্রকার যথাঃ
ক) সিরিয়াল ট্রান্সমিশন।
খ) প্যারালাল ট্রান্সমিশন।
ক) সিরিয়াল ট্রান্সমিশনঃ এ ধরনের ট্রান্সমিশনে প্রতিবারে সাত। বিটের তথ্য পাঠানাে হয়। উৎস থেকে গন্তব্যের দূরত্ব বেশি। হলে এ পদ্ধতি বেশি ব্যবহার করা হয়।
খ) প্যারালাল ট্রান্সমিশনঃ এ পদ্ধতিতে অনেকগুলাে তার দিয়ে। একসাথে অনেকগুলাে বিট ডেটা পাঠানাে হয়। দূরত্ব বেশি হলে| খরচ বেশি।


12. ডেটা ট্রান্সমিশন মােড কাকে বলে।

কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে ডেটা কমিউনিকেশন এর ডেটা ট্রান্সফারের প্রবাহকে ডেটা ট্রান্সমিশন মােড় বলা হয়।


13. ডেটা ট্রান্সফারের প্রবাহ কত প্রকার ও কী কী?

ডেটা ট্রান্সফারের প্রবাহের ভিত্তিতে ডেটা ট্রান্সমিশন মােড ৩ | প্রকার। যথাঃ
ক) ইউনিকাস্ট (Unicast) মােড।
খ) ব্রডকাস্ট(Broadcast) মােড।
গ) মাল্টিকাস্ট(Multicast) মােড।


14. ডেটা ট্রান্সমিশন মােড কত প্রকার ও কী কী এর বর্নণা কর ?

ডেটা ট্রান্সমিশন মােড ৩ প্রকার। যথাঃ
ক) সিমপ্লেক্স (Simplex)।
খ) হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex)।
গ) ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex)।
সিমপ্লেক্সঃ ডেটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে ডেটার একদিকে প্রবাহকে সিমপ্লেক্স মােড বলা হয়। যেমনঃ PABX সিস্টেম, রেডিও,টিভি ইত্যাদি।
হাফ-ডুপ্লেক্সঃ কোন প্রান্ত একই সময়ে কেবল ডেটা গ্রহন কিংবা প্রেরণ করতে পারে, কিন্তু গ্রহন এবং প্রেরণ একই সময়ে একসাথে করতে পারে না তাকে হাফ-ডুপ্লেক্স বলে। যেমনঃ ওয়াকিটকি।
ফুল-ডুপ্লেক্সঃ এ পদ্ধতিতে ডেটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে উভয় দিক থেকে একই সময়ে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহন করা যায় তাকে ফুলডুপ্লেক্স। যেমনঃ মােবাইল, টেলিফোন ইত্যাদি।


15. হাফ-ডুপ্লেক্স ও ফুল-ডুপ্লেক্স এর মধ্যে পার্থক্য লিখ?