HSC ICT CHAPTER 2 VIP QUESTIONS AND ANSWER

Hsc Chapter 1 Vip Question : ✪ NIC বা NIC Card কী? ✪ মডেম(Modem) কী এর প্রকারভেদ লেখ? ✪ হাব(HUB) কী এর প্রকারভেদ লেখ? ✪ সুইচ (Switch) কী? ✪ রিপিটার (Repeater) কী এর প্রকারভেদ লেখ? ✪ গেটওয়ে(Gateway) কাকে বলে? ✪ রাউটার(Router) কাকে বলে? ✪ ব্রিজ(Bridge) কী এর প্রকারভেদ লেখ? ✪ নেটওয়ার্কের কাজ সমূহ লেখ। ✪ নেটওয়ার্কের ব্যাকবােন হিসেবে অপটিক্যাল ফাইবার সুবিধাজনক কেন? ব্যাখ্যা কর। ✪ নেটওয়ার্ক টপােলজি কাকে বলে? ✪ নেটওয়ার্ক টপােলজি (Network Topology) বর্ণনা কর। ✪ ক্লাউড কম্পিউটিং কাকে বলে? ✪ ক্লাউড কম্পিউটিং কত প্রকার ও কী কী? ✪ ক্লাউড কম্পিউটিং(cloud computing) এর সুবিধা ও অসুবিধা লেখ।


1. NIC বা NIC Card কী?

NIC এর পূর্নরুপ হচ্ছে Network Interface কে কম্পিউটারকে নেটওয়ার্কভুক্ত করার জন্য একটি বি বর্তনীর প্রয়ােজন হয়। এ বর্তনীকে যে কার্ডের উপর সf করা হয় তাকেই নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড বা NIC বলে


2. মডেম(Modem) কী এর প্রকারভেদ লেখ?

একটি ডেটা কমিউনিকেশন ডিভাইস যা ডেটাকে কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে মাধ্যমের সাহায্যে দেয়া। মডেম শব্দটি Modulator ও DEModulator সংক্ষিপ্ত রুপ। যা ডিজিটাল ডেটাকে অ্যানালগ এবং অ্যান ডেটাকে ডিজিটাল সিগন্যালে রুপান্তর করে তাকে Modem বলে। মডেম ২ প্রকার যথাঃ
1) Internal Modem
2) External Modem


3. হাব(HUB) কী এর প্রকারভেদ লেখ?

হাব হলাে নেটওয়ার্ক ডিভাইসসমূহের জন্য একটি সাধারণ কানেকশন পয়েন্ট। ল্যানের সেগমেন্টগুলাে কানেক্ট করার জন্য সাধারনভাবে হাব ব্যবহৃত হয়। হাবের মাধ্যমে কম্পিউটারসমূহ পরস্পরের সাথে যুক্ত থাকে। কার্যকারিতার দিক হতে “হাব” প্রধানত ৩ প্রকার যথাঃ
ক) সক্রিয় হাব (Active Hub)।
খ) নিষ্ক্রিয় হাব (Passive Hub)।
গ) ইন্টেলিজেন্ট হাব (Intelligent Hub)।


4. সুইচ (Switch) কী?

সুইচ ও হাবের কাজ প্রায় একই। ডেটা সিগন্যাল নেটওয়ার্কে প্রেরক প্রান্ত থেকে প্রাপ্ত ডেটা সিগন্যাল কম্পিউটারের সুনির্দিষ্ট পাের্টে প্রেরন করে তাকে সুইচ বলে। অথবা, সুইচ এক ধরনের নেটওয়ার্ক কানেকটিভিটি ডিভাইস যা মিডিয়া সেগমেন্টগুলােকে একটি কেন্দ্রীয় অবস্থানে এনে একত্রিত করে। সুইচ সিগন্যাল গ্রহন করার পর তা সরাসরি টার্গেট কম্পিউটার বা কম্পিউটারসমূহে প্রেরন করে।


5. রিপিটার (Repeater) কী এর প্রকারভেদ লেখ?

নেটওয়ার্কে ক্যাবলের সংকেতকে ইলেকট্রিক্যাল| অ্যামপ্লিফাই করে এবং পুনরায় নেটওয়ার্কে প্রেরন করার প্রক্রিয়াকে রিপিটার বলে। যা নেটওয়ার্ক ক্যাবলের নির্দিষ্ট দূরত্বের অতিক্রম করার পর সংকেত দূর্বল হয়ে পড়ে তাকে সবল করা এবং গন্তব্য স্থানের দিকে প্রেরন করার জন্য রিপিটার ব্যবহার করা হয়। রিপিটার ২ প্রকার যথা ঃ ক) এমপ্লিফায়ার ও খ) সিগন্যাল রিজেনারেটিং ।


6. গেটওয়ে(Gateway) কাকে বলে?

যদি একাধিক নেটওয়ার্কের প্রটোকল ভিন্ন হয় তাহলে তাদের সংযুক্ত করতে রাউটারের চেয়ে বুদ্ধিমান একটি ডিভাইস প্রয়ােজন হয়, আর এই বুদ্ধিমান ডিভাইসকে গেটওয়ে বলে। অথবা, যে নেটওয়ার্ক ব্যবস্থায় একটি নেটওয়ার্ককে এক বা একাধিক নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত করা হয় তকে গেটওয়ে বলে। এটি বিভিন্ন প্রটোকলকে একত্রিত করে বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনের মধ্যে যােগাযােগ রক্ষা করে।


7. রাউটার(Router) কাকে বলে?

এক নেটওয়ার্ক থেকে আরেক নেটওয়ার্কে ডেটা পাঠানাের পদ্ধতিকে বলে রাউটিং। যে ডিভাইস রাউটিং এর কাজে। ব্যবহৃত হয় তাকে রাউটার বলে। এটি ডেটাকে গন্তব্য পৌঁছে। দেওয়ার জন্য সবচেয়ে কম দূরত্বের পাথ(Path) ব্যবহার করে। অথবা, রাউটার একই প্রটোকলবিশিষ্ট দুই বা ততােধিক স্বতন্ত্র নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযােগ স্থাপন করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারন করতে পারে তাকে রাউটার বলে। অথবা, রাউটার একটি বুদ্ধিমান ইন্টারনেট ওয়ার্ক কানেকটিভিটি ডিভাইস যা লজিক্যাল এবং ফিজিক্যাল অ্যাড্রেস ব্যবহার। করে দুই বা ততােধিক নেটওয়ার্ক সেগমেন্টের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদানের ব্যবস্থা করে।


8. ব্রিজ(Bridge) কী এর প্রকারভেদ লেখ?

একাধিক নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে একটি বৃহৎ| নেটওয়ার্ক গঠনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত বিশেষ ধরনের ডিভাইসকে ব্রিজ বলা হয়। ব্রিজ ৩ প্রকার যথা ঃ
ক) লােকাল ব্রিজ। (এটি সরাসরি LAN এর সাথে যুক্ত থাকে।)
খ) রিমােট ব্রিজ । (ভৌগােলিকভাবে বিচ্ছিন্ন অবস্থানের একাধিক নেটওয়ার্ককে যুক্ত করে।)
গ) ওয়্যারলেস ব্রিজ। (একধিক WLAN কে যুক্ত করে।)


9. নেটওয়ার্কের কাজ সমূহ লেখ।

ক) কম্পিউটার নেটওয়ার্ক এর সাথে সংযুক্ত ডিভাইসগুলাের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদানে সহায়তা করে।
খ) নেটওয়ার্কভুক্ত প্রতিটি কম্পিউটারগুলােকে কোনাে দামি যন্ত্রপাতি ব্যবহারের সুযােগ প্রদান করে।
গ) কোনাে কম্পিউটারে প্রয়ােজনীয় ডেটা বা সফ্টওয়্যার না থাকলে অন্য কম্পিউটার থেকে সেগুলাে ব্যবহারের সুযােগ করে দেয়।
ঘ) নেটওয়ার্ক বিশ্বের যে কোনাে প্রান্তের অবস্থানরত বন্ধুবান্ধবের সাথে অত্যন্ত অল্প সময়ের মধ্যে যােগাযােগে সহায়তা করে।
ঙ) স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির আবেদন, পরীক্ষার ফলাফল সহ ক্লাস করার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সহায়তা করে।
চ) ঘরে বসেই চাকরি, চিকিৎসা, ব্যবসা-বানিজ্য, পন্য ক্রয়বিক্রয় ইত্যাদি সেবা পাওয়া যায়।


10. নেটওয়ার্কের ব্যাকবােন হিসেবে অপটিক্যাল ফাইবার সুবিধাজনক কেন? ব্যাখ্যা কর।

ফাইবার অপটিক্যাল ক্যাবল হচ্ছে কাচের তন্তুর তৈরি এক ধরনের ক্যাবল এবং আলােকরশ্মি পরিবাহী। এর মধ্য দিয়ে আলাের গতিতে ডেটা স্থানান্তরিত হয়। ইহার ব্যান্ডউইথ উচ্চ এবং বৈদ্যুতিক ও চুম্বক প্রবাহ হতে মুক্ত। তাছাড়া ডেটা ট্রান্সফারে অধিক নিরাপত্তা প্রদান করে। অর্থাৎ পরিবেশের চাপ তাপ দ্বারা ডেটা আদান-প্রদানে বাধাগ্রস্থ হয় না। এজন্য ফাইবার অপটিক্যাল নেটওয়ার্কের ব্যাকবােন হিসেবে কাজ করে।


11. নেটওয়ার্ক টপােলজি কাকে বলে?

একটি নেটওয়ার্কে কম্পিউটার এবং আনুষঙ্গিক একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকার পদ্ধতিতে নেটওয়ার্ক টপােলজি বলে। অথবা, নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারগুলাের ভৌত সংযােগ বিন্যাস এবং নির্বিঘ্নে ডেটা আদান-প্রদানের যুক্তিনির্ভর সুনিয়ন্ত্রিত পথের পরিকল্পনা, এ দুয়ের সমন্বিত ধারণাকে বলা হয় নেটওয়ার্ক টপােলজি।


12. নেটওয়ার্ক টপােলজি (Network Topology) বর্ণনা কর।

কম্পিউটার নেটওয়ার্ক টপােলজি ৬ ধরনের যথাঃ
ক) বাস টপােলজি (Bus Topology)।
খ) রিং টপােলজি (Ring Topology)।
গ) স্টার টপােলজি (Star Topology)।
ঘ) ট্রি টপােলজি (Tree Topology)।
ঙ) মেশ টপােলজি (Mesh Topology)।
চ) হাইব্রিড টপােলজি (Hybrid Topology)।
ক) বাস টপােলজিঃ একটি ক্যাবলের সাথে যদি সবকটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক করা থাকে তাকে বাস টপােলজি বলেবাস টপােলজির ক্যাবলটিকে প্রধান মেরুদন্ড(Backbone)। বলা হয়। সিগন্যাল যখন ব্যাকবােনের মধ্য দিয়ে চলাফেরা করে তখন শুধু প্রাপক কম্পিউটার সিগন্যাল গ্রহন করে, বাকি কম্পিউটারগুলাে গ্রহন করে না। এই সংগঠনে কোনাে কম্পিউটার নষ্ট হয়ে গেলে সম্পূর্ন সিস্টেম নষ্ট হয়ে যায় না।
খ) রিং টপােলজিঃ একাধিক কম্পিউটার বৃত্তাকার পথে পরস্পর সংযুক্ত হয়ে নেটওয়ার্কভুক্ত হওয়াকে রিং টপােলজি বলে। এ টপােলজিতে রিংয়ের সর্বশেষে কম্পিউটারটি প্রথমটির সাথে যুক্ত থাকে। এ টপােলজিতে কোনাে কম্পিউটার ডেটা পাঠানাে তা বৃত্তাকার পথে কম্পিউটারগুলাে মধ্যে পর পর ঘুরতে থাকে, যতক্ষন নির্দিষ্ট কম্পিউটার ডেটা প্রদান না করে ততক্ষন প্রক্রিয়া চলতে থাকে। এতে কোনাে কেন্দ্রিয় কম্পিউটার থাকে না। এতে প্রতিটি কম্পিউটারের গুরত্ব সমান।
স্টার টপােলজিঃ একটি কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রনকারী কম্পিউটার বা হােস্ট কম্পিউটারের সাথে অন্যান্য কম্পিউটার হাব বা সুইচের মাধ্যমে সংযুক্ত করে যে নেটওয়ার্ক গড়া হয় তাকে স্টার টপােলজি বলে। এক্ষেত্রে একটি কম্পিউটার কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের (সার্ভরের) মাধ্যমে আদান-প্রদান করে থাকে।
ঘ) ট্রি টপােলজিঃ যে টপােলজিতে কম্পিউটারগুলাে পরস্পরের সাথে যুক্ত হয়ে গাছের শাখা-প্রশাখার মতাে বিন্যস্ত থাকে তাকে ট্রি টপােলজি বলে। এ সংগঠনে এক বা একাধিক স্তরের নােড হােস্ট কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে। অর্থাৎ প্রথম স্তরের কম্পিউটারগুলাে দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলাের হােস্ট হয়। একইভাবে দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলাে তৃতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলাের হােস্ট হয়।
ঙ) মেশ টপােলজিঃ মেশ টপােলজিতে একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্কভুক্ত অন্য প্রতিটি কম্পিউটারের সাথে সরাসরি যুক্ত থাকে। ফলে যেকোনাে কম্পিউটার নেটওয়ার্কভুক্ত অন্য যে কোনাে কম্পিউটারের সাথে সরাসরি দ্রুত ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে। এ ধরনের সংগঠনে নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারগুলাের মধ্যে পারস্পরিক সংযােগকে পয়েন্ট-টুপয়েন্ট লিংক নামে অভিহিত করা হয়।
চ) হাইব্রিড টপােলজিঃ বিভিন্ন টপােলজি অর্থাৎ স্টার, রিং, বাস ইত্যাদি নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয় তাকে হাইব্রিড টপােলজি বলে। ইন্টারনেট একটি হাইব্রিড নেটওয়ার্ক, কেননা এতে প্রায় সব ধরনের নেটওয়ার্ক সংযুক্ত আছে। কোনাে কাজের একটি নেটওয়ার্ক টপােলজি স্বয়ংসম্পূর্ন নাও হতে পারে। এ জন্য এসব ক্ষেত্রে হাইব্রিড টপােলজি ব্যবহার করা হয়।


13. ক্লাউড কম্পিউটিং কাকে বলে?

ক্লাউড মম্পিউটিং হলাে এমন এক প্রকার সাবস্ক্রিপশন ভিত্তিক পরিসেবা বা সার্ভিস, যা নেটওয়ার্ক স্টোরেজ স্পেস এবং কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্রাংশের দ্রুত ও সুবিধাজনক ব্যবহার নিশ্চিত করে। অথবা, এটি এমন একটি প্রযুক্তি যা সহজতরভাবে কম সময়ে অধিক ক্ষমতাসম্পন্ন অনলাইন কম্পিউটিং সেবা প্রদান করে থাকে। কম্পিউটার ও ডেটা স্টোরেজ সহজে, ক্রেতার সুবিধামত চাহিবামাত্র এবং ব্যবহার অনুযায়ী ভাড়া দেওয়ার সিস্টেম হলাে ক্লাউড কম্পিউটিং বলে।


14. ক্লাউড কম্পিউটিং কত প্রকার ও কী কী?

ক্লাউড কম্পিউটিং ৪ প্রকার যথা ঃ
ক) পাবলিক ক্লাউড।
খ) কমিউনিটি ক্লাউড।
গ) প্রাইভেট ক্লাউড।
ঘ) হাইব্রিড ক্লাউড।


15. ক্লাউড কম্পিউটিং(cloud computing) এর সুবিধা ও অসুবিধা লেখ।

ক্লাউড কম্পিউটিং এর সুবিধাঃ
১) এ পদ্ধতিতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সফটওয়্যার আপডেট করা যায়।
২) কম্পিউটার নেটওয়ার্ক তৈরি ও রক্ষনাবেক্ষন খরচ অনেক কম।
৩) এত কম হার্ডওয়্যার ব্যবহার করে বেশি আউটপুট পাওয়া যায়।
৪) দ্রুতগতিতে সেবা দেওয়া যায়।
৫) ব্যবহার অনুযায়ী খরচ কম।
৬) বিশ্বের যেকোনাে স্থানে দ্রুত ইন্টারনেট এক্সেস করার সুযােগ সৃষ্টি হয়েছে।
৭) নতুন সফটওয়্যার লাইসেন্স করতে হয় না।
৮) অপারেটিং সিস্টেম খরচ কম।
ক্লাউড কম্পিউটিং এর অসুবিধাঃ
১) সর্বদা ব্যবহারকারীকে নিয়ন্ত্রন করা যায় না।
২) অনেক সময় ব্যবহারকারীর গােপনীয় তথ্যের নিরাপত্তা থাকে না।
৩) এতে অনেক সময় ভুল বা মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত ছড়ানাে হয়।
৪) এতে ভেন্ডরদের প্রতি নির্ভরতা বৃদ্ধি পায়, যা Vendor Lock নামে পরিচিত।
৫) মেইনটেন্যান্স বা হ্যাকিং বা অন্য কারনে সার্ভার ডাউন হলে কাজ বন্ধ হয়ে যায়।
৬) নির্ধারিত সময় অন্তর নির্ধারিত ফি দিয়ে হয়, না দিলে সার্ভিস বন্ধ হয়ে যায়।