HSC ICT Chaper 4 Part 2 | Introduction to Web Design and HTML Part 2

HSC ICT Chapter 4 Part 2 : ওয়েব পোর্টাল (Web Portal) কি? | একটি ওয়েবসাইট খুলতে যে যে পদক্ষেপ নিতে হয় তা কি? | এইচ টি টি পি (HTTP –Hyper Text Transfer Protocol) কি? এফ টি পি(FTP) কি? | ওয়েব সার্ভার (Web Server) কি? | আইপি অ্যাড্রেস (IP Address or Internet Address Protocol) কি? | ডোমেইন নেম (Domain Name) কি? | ওয়েব হোস্টিং (Web Hosting) কি? | ক্লায়েন্ট কম্পিউটার (Client Computer) কি? | টপ লেভেল ডোমেইন (Top Level Domain-TLD) কি? | কান্ট্রিকোড টপ লেভেল ডোমেন (Country Code Top Level Domain - CCTLD) কি? | ওয়েব ব্রাউজিং (Web Browsing) কি? | সার্চ ইঞ্জিন(Search Engine) কি? | ওয়েবসাইটের কাঠামো (Structure of Website) কি?


ওয়েব পোর্টাল (Web Portal) কি?

ওয়েব পোর্টাল হচ্ছে এমন একটি বিশেষ ওয়েব পাতা যেখানে অনেকগুলো উৎস থেকে সংগ্রহ করা বিভিন্ন তথ্য এবং গুরুত্বপূর্ণ লিংক সাজানো থাকে। একটি ওয়েব পোর্টালে সাধারণত সরকারি সেবার তথ্য, স্থানীয়, আঞ্চলিক, স্টক রিপোর্ট, জাতীয় খরচ এবং ই-মেইল সেবা প্রদান করে থাকে। এছাড়া ও প্রতিটা ওয়েব পোর্টাল প্রথম পাতায় সবগুলো তথ্যের লিংক দেওয়া থাকে যাতে ব্যবহারকারীরা সহজে তার দরকারি তথ্য খুঁজে পায়। ওয়েব পোর্টাল বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। যেমন -

  • ব্যক্তিগত ওয়েব পোর্টাল
  • সরকারি ওয়েব পোর্টাল
  • সাংস্কৃতিক ওয়েব পোর্টাল
  • কার্পোরেট ওয়েব পোর্টাল, ইত্যাদি।

একটি ওয়েবসাইট খুলতে যে যে পদক্ষেপ নিতে হয় তা কি?

  • একটি ডোমেইন নেইম (Domain Name) রেজিষ্ট্রেশন করতে হবে।
  • ওয়েবসাইট গুলো ডিডাইন করতে হবে।
  • ওয়েবসাইট সংরক্ষণ করার জন্য নিভর্রযোগ্য কোন সার্ভারে hosting বা মেমরি স্পেস ভাড়া নিতে হবে।
  • ওয়েবসাইটটি সবার কাছে তুলে ধরার জন্য সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) করতে হবে।

এইচ টি টি পি (HTTP –Hyper Text Transfer Protocol) কি?

HTTP এর পূর্ণরুপ- Hyper Text Transfer Protocol ইন্টারনেট TCP/IP প্রটোকলের মাধ্যমে যে প্রটোকল ওয়েব সার্ভারও ক্লায়েন্ট কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা আদান প্রদান করে তাকে HTTP বলে।

মূলকথা, HTTP এর কাজ হচ্ছে সার্ভারের সাথে ব্রাউজারের সংযোগ তৈরি করা, ক্লায়েন্ট এর অনুরোধ সার্ভারে পৌঁছে দেওয়া,সার্ভারের সাড়া মোতাবেক ওয়েব পেইজকে ব্রাউজারে প্রদর্শন করা।

ওয়েব যেভাবে কাজ করে-

World Wide Web ক্লায়েন্ট এবং সার্ভার আর্কিটেকচার অনুযায়ী গড়ে উঠেছে। এর অর্থ হলো ক্লায়েন্ট তার কম্পিউটারে ওয়েব ব্রাউজারের সাহায্যে কোন তথ্যের জন্য ইন্টারনেটের মাধ্যমে কোন সার্ভারকে অনুরোধ পাঠাবে তখন সার্ভার ও ইন্টারনেটের সাহায্যে ব্রাউজারের অনুরোধের রিসপন্স বা সাড়া দেবে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য ব্রাউজারে পাঠাবে এবং ব্রাউজার তা অনুবাদ (interpret) করে স্ক্রিনে (screen) প্রদর্শন করবে।


এফ টি পি(FTP) কি?

FTP এর পূর্ণরুপ -File Transfer Protocol । FTP এমন একটি ইন্টারনেট প্রটোকল যার মাধ্যমে একজন কম্পিউটার ব্যবহারকারী সার্ভার থেকে প্রয়োজনানুযায়ী ফাইল ডাউনলোড (download)করতে পারে এবং সার্ভারে ফাইল রাখতে (upload) পারে। কয়েকটি উল্লেখযোগ্য FTP সফটওয়্যার হলো -

  • WS-FTP
  • FETCH, ইত্যাদি।

ইন্টারনেটের বুলেটিন বোর্ড এ কোন ওয়েব পেজ স্থাপন করতেই এই protocol ব্যবহার হয় ।


ওয়েব সার্ভার (Web Server) কি?

ওয়েব পেজ বা ওয়েবসাইট যে সার্ভারে সংরক্ষিত থাকে তাকে ওয়েব সার্ভার বলে। ব্রাউজারের অনুরোধে (request)সার্ভারের সাড়া দেওয়ার (response) ফলে HTTP প্রটোকলের মাধ্যমে আমরা ওয়েবপেইজ বা ওয়েবসাইটটি ব্রাউজারে দেখতে পাই।

আইপি অ্যাড্রেস (IP Address or Internet Address Protocol) কি?

IP এর পূর্ণরূপ - Internet Protocol। IP address হলো ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত প্রতিটা কম্পিউটারের ইউনিক(unique) ঠিকানা। যা ৩২ বিট বা ৪ বাইট বা ৪ অকন্টেট নিউমেরিক্যাল (numerical) অ্যাড্রেস । IP address কে আমরা ইন্টারনেটের সাথে আমরা ইন্টারনেট সংযুক্ত কম্পিউটারের নির্দিষ্ট ঠিকানা বলতে পারি। যেমন- একটা ব্যক্তির নির্দিষ্ট ঠিকানা থাকে যেখানে গেলে উক্ত ব্যক্তিকে খুঁজে পাওয়া যায় ঠিক তেমনি এই নির্দিষ্ট IP address এর মাধ্যমে ইন্টারনেটে সংযুক্ত কম্পিউটারকে খুঁজে পাওয়া সম্ভব। যেমন - একটা IP address কে নিম্নোক্ত তিন ভাবে প্রকাশ করা যায়। যথা-

  1. ডটেড ডেসিমাল্যাল (Doted Devimal): ২০৩.১৫৫.১৩৯.২
  2. ২.বাইনারি (Binary) : ১১০০১০১১. ১০০১১০১১. ১০০০১০১১. ০০০০০০১০
  3. হেক্সাডেসিম্যাল (Hexadecimal) : CB:9B:8B:02 প্রতিটি IP address কে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
    • নেটওয়ার্ক আইডি (Network ID ):সর্বোচ্চ নেটওয়ার্ক সংখ্যা বা ব্লক (IP)।
    • হোস্ট আইডি ( Host ID) কম্পিউটারের বা ডিভাইস এর সংখ্যা।
  4. [N:B IANA (Internet Assigned Numbers Authority): বিশ্বব্যাপী IP address বরাদ্দের কাজটা নিয়ন্ত্রণ করে।]
IP Address Class কে পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়েছে ।যথা-
  1. Class A
  2. Class B
  3. Class C
  4. Class D
  5. Class E

সাধারণত Class A থেকে Class C আইপি অ্যাড্রেস হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। আর Class D কে multicast address এবং Class E কে reserved address হিসেবে বা ভবিষ্যৎ ব্যবহারের জন্য সংরক্ষিত অবস্থায় রাখা আছে

[N:B: IPv4 ভার্সনে 32 bits যা 232 টি বা প্রায় 4.3 বিলিয়ন অদ্বিতীয় ঠিকানা এবং IPv6 ভার্সনে 128 bits যা 2128 টি বা প্রায় 3.4×104 টি অদ্বিতীয় ঠিকানা প্রকাশ করে। ]

ডোমেইন নেম (Domain Name) কি?

ইন্টারনেটে সংযুক্ত প্রতিটা কম্পিউটারের unique IP address থাকে যা একটা অংক। যেমন -১৯২.৫৫.১৩০.৯। এই অংক তথা IP address কে সহজে মনে রাখার জন্য DNS( Domain Name System) এর মাধ্যমে যে টেক্সট অ্যাড্রেস বা ওয়েব এড্রেস ব্যবহার করা হয় তাকে ডোমেইন নেইম বা ওয়েব অ্যাড্রেস বলে। ওয়েব অ্যাড্রেসকে URL (Uniform Resource Location Locator) ও বলা হয়। যেমন -

২০৭.৬৮.১৩৭.৫৩- IP address

www.microsoft.com -Domain name

[N:B ICANN (Internet Corporation for Assigned Names and Number) এই প্রতিষ্ঠানটা সারাবিশ্বে domain name প্রদান ও নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। ]

ওয়েব হোস্টিং (Web Hosting) কি?

হোস্টিং কে ওয়েব হোস্টিংও বলা হয়। ওয়েব হোস্টিং মূলত ওয়েব অ্যাড্রেস ব্যবহার করার জন্য ওয়েব সার্ভারের নির্দিষ্ট স্পেস যা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ভাড়া নেওয়া হয়। হোস্টিং মূলত দুই ধরনের হয়ে থাকে। যথা-

  1. উইন্ডোজ হোস্টিং (Windows Hosting): এই হোস্টিং ASP + Active Server Page), Microsoft SQL server প্রোগ্রামিং ভাষা এবং ডেটাবেইজ' ব্যবহার করে তৈরি করা হয়। এবং
  2. লিনাক্স হোস্টিং (Linux Hoisting): এই হোস্টিং PHP এবং MySQL ডাটাবেইজ দিয়ে তৈরি করা হয়।

প্রতিটা হোস্টিং তিন ধরনের ই-মেইল (E-mail) সার্ভিস দিয়ে থাকে। সেগুলো হলো -

  1. POP(Post Office Protocol)
  2. IMAP(Instant Message Access Protocol)
  3. ওয়েব বেইজড(Web Based)।

তাছাড়া সুবিধার ওপর ভিত্তি করে হোস্টিং বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। যথা-

  1. বিনামূল্যে হোস্টিং (Free Hoisting): ব্যক্তিগত ও ছোট আকারের এবং ব্যান্ডউইডথ অনেক কম।
  2. শেয়ারড সার্ভার(Shared Server): সার্ভার স্পেস ও অন্যান্য রিসোর্স শেয়ার করা হয়।

    শেয়ার্ড সার্ভারের বৈশিষ্ট্য / সুবিধা / অসুবিধাসমূহ:
    • হার্ডওয়্যার কনফিগারেশন একই থাকতে হয়।
    • রিসোর্স শেয়ারড এর জন্য কার্যক্রম ধীরগতি হয়।
    • নিরাপত্তা কম।
    • তাছাড়াও ই-মেইল,হোস্টিংয়ের ডেটাবেইজ ব্যান্ডউইথ সব কিছুই সীমিত।
  3. ডেডিকেটেড হোস্টিং (Dedicated Hosting): এ সব ক্ষেত্রে সার্ভারের জায়গা, ব্যান্ডউইথসহ অন্যান্য সব ধরনের রিসোর্স শুধুমাত্র একাই ব্যবহার করা যায় ।
    বৈশিষ্ট্য/সুবিধা/অসুবিধাসমূহ :
    • বড় ধরনের অ্যাপ্লিকেশনের জন্য উপযোগী।
    • নিরাপত্তা বেশি।
    • আনলিমিটেড ব্যান্ডউইথ।
    • খরচ বেশি।
    এ ধরনের হোস্টিং দুই ধরনের। যথা-
    1. ক)ম্যানেজড হোস্টিং (Managed Hosting)
    2. আনম্যানেজড হোস্টিং (Unmanaged Hosting)।
  4. কালেক্টেড হোস্টিং (Collected Hosting): শুধুমাত্র কোন কোম্পানিকে ই-মেইল সার্ভিস প্রদান করে।

ক্লায়েন্ট কম্পিউটার (Client Computer) কি?

যে কম্পিউটার থেকে আমরা ওয়েব পেইজ বা সাইট ব্রাউজ করি তাই ক্লায়েন্ট কম্পিউটার। ক্লায়েন্ট কম্পিউটার এর দুইটি মূল রিকুয়ারমেন্ট (requirement) রয়েছে। যথা-

  1. ইন্টারনেট কানেকশন (Internet Connection) এবং
  2. ইন্টারনেট ব্রাউজার রান করার সক্ষমতা

টপ লেভেল ডোমেইন (Top Level Domain-TLD) কি?

জনপ্রিয় কিছু টপ লেভেল ডোমেইন নেইম হলো- .com সাধারণত ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান জন্য

.org সাধারণত অলাভজনক প্রতিষ্ঠানের জন্য

.edu সাধারণত শিক্ষাসংক্রান্ত প্রতিষ্ঠান জন্য

.biz সাধারণত ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের জন্য

.gov সরকারি প্রতিষ্ঠান জন্য

কান্ট্রিকোড টপ লেভেল ডোমেন (Country Code Top Level Domain - CCTLD) কি?

কান্ট্রিকোড টপ লেভেল ডোমেইন হলো দুই অক্ষর বিশিষ্ট্য ডোমেইন নেইম যা দেশের নাম বা ভৌগোলিক অবস্থান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। নিম্নে কয়েকটি দেশের কান্ট্রি কোড উল্লেখ করা হলো -

কান্ট্রি কোড দেশের নাম কান্ট্রি কোড দেশের নাম
.bd বাংলাদেশ .cn চিন
.au অষ্ট্রেলিয়া .fi ফিনল্যান্ড
.in ইন্ডিয়া .fr ফ্রান্স

ওয়েব ব্রাউজিং (Web Browsing) কি?

ব্রাউজার শব্দের অর্থ- সম্পূর্ণভাবে পড়া। ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিশ্বের যেকোন সার্ভারে রাখা ওয়েব পেইজ পরিদর্শন করাকে ওয়েব ব্রাউজিং বলা হয় আর যে সফটওয়্যার দিয়ে ওয়েব পেইজ পরিদর্শন করা হয় তাকে ওয়েব ব্রাউজার বলে।
কয়েকটা ওয়েব ব্রাউজারের নাম নিম্নরূপ -

  • Mozilla Firefox,November 9, 2004
  • Google Chrome, September 2008, ইত্যাদি।

সাধারণত দুইটা পদ্ধতিতে ওয়েব ব্রাউজিং করা হয়। যেমন -

  1. Address বা looking বক্সে নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের web addressলিখে Enter press করে।
  2. শব্দ বা বাক্য (Keyword /Sentence) যে কোনো সার্চ ইঞ্জিনের লিখে। এক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানর web address না জানলেও চলে।

সার্চ ইঞ্জিন(Search Engine) কি?

সার্চ ইঞ্জিন হলো এমন একটি টুলস(tools) যা সমস্ত ইন্টারনেট বিস্তৃত ওয়েব সাইটগুলোকে আয়ত্তের মধ্যে রাখে। যখন কোন ব্যক্তি কোন কিছু সার্চ করেন সার্চ ইঞ্জিন ইন্টারনেটের মাধ্যমে অজস্র ওয়েব সার্ভার থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য সটিং করে ব্রাউজারে প্রদর্শন করে।

[N:B Note:ব্রাউজারের অনুরোধ ও সার্ভারের উত্তর(response) সেবা(SOAP) প্রটোকলের মাধ্যমে XML এ লেখা হয়।]

ওয়েবসাইটের কাঠামো (Structure of Website) কি?

যে অবকাঠামোতে একটা ওয়েবসাইটের সকল তথ্য উপস্থাপন করা হয় তাকে ওয়েবসাইটের কাঠামো বা স্ট্রাকচার বলে। একটা ওয়েবসাইটের কাঠামো মূলত তিন ভাগে বিভক্ত থাকে। যথা -

  1. এক হোম পেইজ (Home Page)
  2. মূল ধারার পেইজ (Main Section)
  3. উপধারার পেইজ (Sub Section)

যে কোন ওয়েবসাইটের প্রদর্শিত প্রথম পেইজটি হলো হোম পেইজ। হোম পেইজের কোন লিংকে ক্লিক করলে যে পেইজটি প্রদর্শিত হয় সেটা হলো মেইন বা মূলধারার পেইজ।আর মেইন সেকশনের কোন লিংকে ক্লিক করলে ক্লিক করার পর যে পেইজটি দেখা যায় তাই হল সাব সেকশন পেইজ।

ওয়েবসাইট কাঠামোর প্রকারভেদ (Type of Website Structure):

ওয়েবসাইটের হোম পেইজ, মেইন সেকশন এবং সাব-সেকশনের পেইজগুলা বিভিন্নভাবে সাজানো থাকতে পারে। তবে বর্তমানে যে স্ট্রাকচার বা কাঠামো সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। তা হলো -

  1. লিনিয়ার কাঠামো (Linear Structure)
  2. হায়ারার্কিক্যাল কাঠামো (Hierarchical Structure)
  3. নেটওয়ার্ক কাঠামো (Network Structure)
  4. হাইব্রিড বা কম্বিনেশন কাঠামো (Hybird Or Combination Structure)