Chaper-1 Part-1

Information And Communication Technology

In this ICT Chapter-1 Part-1 : Information And Communication Technology we will learn about What is Information Technology, Communication Technology, ICT ? Advantage and Disadvantage of ICT . What is Radio, Teleconferencing, Reservation System ? What is the impact of information and communication Technology,What is Global Village?


১. তথ্য প্রযুক্তি(Information Technology) কাকে বলে?

উঃ কম্পিউটার এবং টেলিযােগাযােগ ব্যবস্থার মাধ্যমে যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ, একত্রীকরণ, সংরক্ষন, প্রক্রিয়াকরণ এবং বিনিময় বা পরিবেশনের ব্যবস্থাকে তথ্য প্রযুক্তি বলে বা সংক্ষেপে এই প্রযুক্তিকে IT বলা হয়।


২. যােগাযােগ প্রযুক্তি(Communication Technology) কাকে বলে?

উঃ যে প্রযুক্তির মাধ্যমে কোনাে তথ্য এক স্থান হতে অন্য স্থানে কিংবা এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে স্থানান্তর কিংবা একজনের ডেটা অন্যের নিকট স্থানান্তরের প্রক্রিয়াকে যােগাযােগ প্রযুক্তি বলে।


৩. ICT কী?

উঃ ICT এর পূর্নরূপ হলাে Information & Communication Technology । যে প্রযুক্তির মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ, সত্যতা ও বৈধতাযাচাই, সংরক্ষন, প্রক্রিয়াকরন, আধুনিকরন ও ব্যবস্থাপনাকরা হয় এবং তথ্য এক স্থান হতে অন্য স্থানে কিংবা এক কম্পিউটার থেকে । অন্য কম্পিউটারে স্থানান্তর কিংবা একজনের ডেটা অন্যের নিকট স্থানান্তরের প্রক্রিয়াকে তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তি বলে ।
অথবা,
যে প্রযুক্তির মাধ্যমে কোনাে ডেটাকে এক স্থান হতে অন্য স্থানে কিংবা এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে স্থানান্তর কিংবা একজনের ডেটা অন্যের নিকট স্থানান্তরের প্রক্রিয়াকে তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তি বলে।


৪. তথ্য প্রযুক্তির অবদান সমূহ লেখ ?

উঃ
ক) অপচয় রােধকরে ।
খ) সময় সাশ্রয়ী হয় ।
গ) তথ্যের প্রাপ্যতা সহজ হয় ।
ঘ) তাৎক্ষনিক যােগাযােগ সম্ভব হয় ।
যেমনঃ ফোন, ফ্যাক্স, ইন্টারনেট, ই-মেইল, এসএমএস, এমএমএস প্রভৃতি ।
ঙ) সর্বক্ষেত্রে দক্ষতাবৃদ্ধি পায় ।
চ) ব্যবসায়-বানিজ্যে লাভজনক প্রক্রিয়াসৃষ্টিকরে ।
ছ) মানব সম্পদের উন্নয়ন ঘটায় ।
জ) শিক্ষার্থীরা ঘরে বসেই অনলাইনে বিশ্বের বিভিন্ন নামী-দামী ।
শিক্ষা প্রতিষ্টানে শিক্ষা গ্রহন করতে পারবে ।
ঝ) ঘরে বসেই বিদ্যুৎ,পানি, গ্যাস, মােবাইল ফোনের বিল সহ সকল কাজ তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে সম্পন্ন করা হচ্ছে ।


৫. তথ্য প্রযুক্তির উপাদান সমূহের নাম লেখ ?

উঃ
ক) কম্পিউটার ও আনুসঙ্গিক যন্ত্রপাতি ।
খ) কম্পিউটিং ।
গ) রেডিও, টেলিভিশন, ফ্যাক্স ।
ঘ) অডিও ভিডিও ।
ঙ) স্যাটেলাইট ।
চ) কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ।
ছ) ইন্টারনেট ।
জ) আধুনিক টেলিযােগাযােগ ।
ঝ) মডেম ইত্যাদি ।


৬. কম্পিউটার কাকে বলে?

উঃ Computer শব্দটি গ্রিক শব্দ থেকে এসেছে। কম্পিউট (Compute) শব্দ থেকে Computer শব্দটি উৎপত্তি। Computer শব্দের অর্থ গণনাকারী। অর্থাৎ কম্পিউটার শব্দের আভিধানিক অর্থ গণনাকারী যন্ত্র। শুরুতে কম্পিউটারের পরিচয় ছিল গণনা যন্ত্রের। কিন্তু এখন আর কম্পিউটারকে গণনা যন্ত্র বলা যায় না। কম্পিউটার এমন একটি যন্ত্র যা তথ্য গ্রহন করে এবং বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মধ্যমে তা বিশ্লেষন এবং উপস্থাপন করে। অথবা, এটি এমন একটি যন্ত্র যা তথ্য গ্রহন করে এবং বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মধ্যমে তা বিশ্লেষন করে গানিতিক ও যুক্তিমূলক কাজ | সঠিক ভাবে উপস্থাপন করতে পারে তাকে কম্পিউটার বলে।
কম্পিউটার আবিস্কারক ও 1930 সালে মার্ক-১ ডঃ হাওয়ার্ড এইচ আইকেন (Howard H. Aiken)।


৭. কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য সমূহ লেখ?

উঃ
ক) দ্রুতগতি।
খ) নির্ভূলতা।
গ) সূক্ষতা।
ঘ) বিশ্বাসযােগ্যতা।
ঙ) ক্লান্তিহীনতা।
চ) স্মৃতিশক্তি।
ছ) স্বয়ংক্রিয়তা।
জ) যুক্তিসংগত সিদ্ধান্ত।
ঝ) বহুমুখিতা।
ঞ) অসীম জীবনীশক্তি।


৮. কম্পিউটারের কাজ করার গতি কি হিসেবে নির্ণয় করে?

উঃ কম্পিউটার কাজ করে “ন্যানাে সেকেন্ডে" যা 1 সেকেন্ডের 100 কোটি ভাগের এক ভাগ (10-9 সেকেন্ড)।


৯. রেডিও কী?

উঃ রেডিও একটি গ্রাহকযন্ত্র। রিসিভারের মাধ্যমে বেতার তরঙ্গ ধারন করে তাকে এমপ্লিফাই করে বাজিয়ে রেডিওতে শােনা যায়। দূরবর্তী স্থানে বেতার তরঙ্গ পাঠিয়ে শব্দ স্থানান্তরিত করা হয়। বর্তমানে বহুল জনপ্রিয় হলাে FM (Frequency Modulation) রেডিও।
রেডিও আবিস্কারক ও 1894 সালে গুগলিমও মারকনি (Guglielmo Marconi)


১০. টেলিভিশন কী?

উঃ টেলিভিশন হলাে ছবি ও শব্দ প্রেরকযন্ত্র । এটি একটি একমূখী যােগাযােগ ব্যবস্থা। এতে একটি নির্দিষ্ট সম্প্রচার কেন্দ্র। থেকে রেকর্ডকৃত অথবা ভিডিও ক্যামেরা দিয়ে ধারনকৃত ইলেকট্রিক সিগন্যাল পাঠানাে হয় এবং উক্ত সম্প্রচার কেন্দ্রের চ্যানেলে সংযােগকৃত টেলিভিশন সেটে তথ্য ছবি, শব্দ এবং লাইভ প্রােগ্রাম ইত্যাদি দেখা যায়। আবিস্কারকঃ 1926 সালে জন লােগি বেয়ার্ড (John Logie Baird)।


১১. স্যাটেলাইট কী ও এটি কত ভাগে ভাগ করা হয়েছে?

উঃ স্যাটেলাইট হলাে একটি কৃত্রিম উপগ্রহ যা পৃথিবীর চারদিকে। প্রদক্ষিণ করে এমন স্থানে স্থাপিত বিশেষ ধরনের তারবিহীন রিসিভার/ট্রান্সমিটার হলাে স্যাটেলাইট। আবিস্কারকঃ 1957 সালে (Verner E.Suomi) ভারনার ই সওমি। স্যাটেলাইটের কাজের উপর ভিত্তি করে কয়েক ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথাঃ
ক) ওয়েদার স্যাটেলাইট ।
খ) কমিউনিকেশান স্যাটেলাইট।
গ) ন্যাভিগেশান স্যাটেলাইট।
ঘ) আর্থ অবজাভেশন স্যাটেলাইট।
ঙ) মিলিটারী স্যাটেলাইট।


১২. ইন্টারনেট কী?

উঃ ইন্টারনেট হলাে পৃথিবীজুড়ে বিস্তৃত অসংখ্য নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত একটি বৃহৎ নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা। অথবা, একটি কম্পিউটারের সাথে আরেকটি কম্পিউটারের যােগাযােগকে নেটওয়ার্ক বলে। আর একটি নেটওয়ার্কের সাথে এক বা একাধিক নেটওয়ার্কের সংযােগ হয়ে বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত যােগাযােগকে ইন্টারনেট বলে। আবিস্কারকঃ 1969 সালে ভিনটন জি কার্ফ (Vinton G.Cerf)


১৩. ই-মেইল(E-Mail) কী?

উঃ ই-মেইল হল ইলেকট্রনিক মেইল (Electronic Mail) এর সংক্ষিপ্ত রুপ। ই-মেইল হলাে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে তথ্য আদানপ্রদান করার প্রক্রিয়া।
অথবা,
Electronic Mail কে সংক্ষেপে E-Mail বলা হয়। এটি একটি উন্নত ও দ্রুত বৈদ্যুতিক ডাক ব্যবস্থা। এটি এমন এক নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা যার মাধ্যমে স্বল্প ব্যয়ে তাৎক্ষনিকভাবে বিশ্বের যেকোনাে প্রান্তে সংবাদ আদান প্রদান করা যায় । Mail Address হচ্ছে gmail, yahoo, hotmail, outlook, zoho, yandex, proton, icloud,ইত্যাদি। আবিস্কারকঃ 1971 সালে রে টমলিনসন (Ray Tomlinson) Arpanet এর মাধ্যমে E-mail প্রেরন করেন এবং @ চিহ্ন প্রথম ব্যবহার করেন।


১৪. রিজার্ভেশন সিস্টেম (Reservation System)কাকে বলে?

উঃ যােগাযােগ ক্ষেত্রে রিজার্ভেশন সিস্টেম বর্তমানে বহুল প্রচলিত। ইলেকট্রনিক উপায়ে আসন বিন্যস্ত করাকে রিজার্ভেশন সিস্টেম বলে। যেমন : বিমান, রেলওয়ে, দূরপাল্লার বাস, হােটেলের সীট অগ্রিম বুকিং ইত্যাদি।


১৫. মােবাইল ফোন কাকে বলে?

উঃ মােবাইল ফোন হলাে একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস যা বেস স্টেশনের একটি সেলুলার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ফুল ডুপ্লেক্স দ্বিমুখী রেডিও টেলিকমিউনিকেশন্সকে ব্যবহার করে থাকে। এ ফোনকে মােবাইল, সেলুলার ফোন, সেলফোন নামেও ডাকা হয়। আবিস্কারক : 1973 সালে মার্টিন কুপার (Martin Cooper)।


১৬. টেলিকনফারেন্সিং (Teleconferencing) কাকে বলে?

উঃ টেলিফোন সংযােগ ব্যবহার করে কম্পিউটার অডিওমডেম-ভিডিও যন্ত্রের সাহায্যে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে কোন সভায় অংশগ্রহন করার পদ্ধতি হচ্ছে টেলিকনফারেন্সিং। টেলিকনফারেন্সিং ৩ প্রকার যথাঃ
ক) পাবলিক কনফারেন্স।
খ) ক্লোজড কনফারেন্স।
গ) রীড অনলি কনফারেন্স।
আবিস্কারক : 1975 সালে মরিল টারফ (Morrill Tariff)।


১৭. ভিডিও কনফারেন্সিং কাকে বলে?

উঃ ভিডিও কনফারেন্সিং হলাে এক সারি ইন্টারঅ্যাকটিভ টেলিযােগাযােগ প্রযুক্তি যেগুলাে দুই বা ততােধিক অবস্থান হতে নিরবিচ্ছিন্ন দ্বিমুখী অডিও এবং ভিডিও সম্প্রচারের মাধ্যমে একত্রে যােগাযােগ স্থাপনের সুযােগ দেয় তাকে ভিডিও কনফারেন্সিং বলে।


১৮. ইন্টারনেটকে বিশ্বগ্রামের মেরুদন্ড বলা হয় কেন?

উঃ ইন্টারনেটের মাধ্যমেই মানুষ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে অবস্থান। করে একে অপরের সাথে সহজে যােগাযােগ করতে পারে এবং বিভিন্ন ধরনের তথ্য আদান প্রদান করতে পারে। এইজন্যই। ইন্টারনেট হচ্ছে বিশ্বগ্রাম সংযুক্ততার মেরুদন্ড।
অথবা,
বিশ্বগ্রাম হচ্ছে এমন একটি সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক সংগঠন যেখানে কমুউনিটির সকল সদস্য ইন্টারনেট তথা তথ্য যােগাযােগ প্রযুক্তির মাধ্যমে সংযুক্ত। তথ্য ও যােগাযােগ। প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান উন্নতির ফলে বসবাসযােগ্য পৃথিবী ক্রমশ ছােট হয়ে আসছে, যেন একটি গ্রামে পরিনত হচ্ছে। আর এর প্রধান সহায়ক শক্তি হচ্ছে তথ্য ইন্টারনেট। সুতরাং বলা যায়, বিশ্বগ্রাম হচ্ছে ইন্টারনেট ব্যবস্থা। অতএব বলা যায় যে ইন্টারনেটই বিশ্বগ্রামের মেরুদন্ড।


১৯. বিশ্বগ্রাম(Global Village) কাকে বলে?

উঃ বিশ্বগ্রাম হচ্ছে এমন একটি সামাজিক বা সাংস্কৃতিক ব্যবস্থা, যেখানে পৃথিবীর সকল প্রান্তের মানুষই একটি একক সমাজে বসবাস করে এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়া ও তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে তারা সহজেই তাদের চিন্তা-চেতনা, অভিজ্ঞতা, সংস্কৃতি-কৃষ্টি ইত্যাদি বিনিময় করতে পারে ও একে অপরকে সেবা প্রদান করে থাকে।
অথবা,
Global Village শব্দের অর্থ বিশ্বগ্রাম । Global Village হলাে তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তিনির্ভর এমন একটি পরিবেশ, যেখানে দূরবর্তী স্থানে অবস্থান করেও পৃথিবীর সকল মানুষই একটি একক সমাজে বসবাস করার সুবিধা পায় এবং একে অপরকে সেবা প্রদান করে থাকে।
আবিস্কারক : 1962 সালে তার প্রকাশিত বই দ্যা গুটেনবার্গ গ্যালাক্সি(The Gutenberg Galaxy) বিশ্বগাম শব্দটি তুলে ধরেন। কানাডিয়ান দার্শনিক ও লেখক হারবার্ট মার্শাল ম্যাকলুহান(Herbert Marshall McLuhan) ।


২০. বিশ্বগ্রামের সুবিধা ও অসুবিধা সমূহ লেখ?

উঃ বিশ্বগ্রামের সুবিধা সমূহঃ
১) মােবাইল ফোন, ইন্টারনেটের কারণে বিশ্বগ্রাম হওয়ায় বিশ্ব আজ মানুষের হাতের মুঠোয়।
২) বিভিন্ন দেশ এবং তাদের সাংস্কৃতি সম্পর্কে জানা যায় ।
৩) ক্লিক করে মুহূর্তেই যে কোন দেশের তথ্য জানা যায়।
৪) মুহূর্তের মধ্যে বিশ্বের যে কোন স্থানের কোন ব্যাক্তির সাথে যােগাযােগ করা যায়।
৫) মানুষের কাজের দক্ষতা এবং গতি বৃদ্ধি পাচ্ছে।
৬) সহজেই বিভিন্ন গবেষনার ফলাফল জানা যাচ্ছে।
৭) ঘরে বসেই বিভিন্ন দেশের পত্র-পত্রিকা পড়া সহ সকল কাজ করা যায়।
৮) পৃথিবীর যেকোনাে স্থানে বসে চিকিৎসা সেবা পাওয়া যায়।
৯) ই-ব্যাকিং, ই-লার্নিং, ই-মেইল, ই-বুক, ই-সংবাদ ইত্যাদি সেবা সহজেই পাওয়া যায়।
১০)ঘরে বসেই ইন্টারনেটের মাধ্যমে আউটসােসিং করে উপার্জন করা যায়।

বিশ্বগ্রামের অসুবিধা সমূহঃ
১) ইন্টানেট হ্যাকিং করে তথ্য চুরি হওয়া।
২) অসত্য তথ্য প্রকাশের মাধ্যমে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারে।
৩) ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের তথ্য চুরি করা ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড জালিয়াতি।
৪) সাইবার আক্রমন সংঘটিত হওয়া।
৫) সহজে সাংস্কৃতিক বিনিময়ের ফলে কোন দেশের নিজস্ব সংস্কৃতির বিলুপ্তি ঘটা।
৬) প্রযুক্তির বেশি ব্যবহারের ফলে শারীরিক সমস্যা সৃষ্টি হওয়া।
৭) জনগন কোন কিছু পড়ে এর সুত্রে যাচাই না করে সত্য বলে গ্রহন করতে পারে।


২১. বিশ্বগ্রাম প্রতিষ্ঠার উপাদানসমূহ বর্নণা দাও ?

উঃ নিচে বিশ্বগ্রাম প্রতিষ্ঠার প্রধান প্রধান উপাদানসমূহ উল্লেখ করার হলােঃ
১) হার্ডওয়্যার (Hardware)।
২) সফটওয়্যার (Software)।
৩) কানেকটিভিটি (Connectivity)।
৪) ডেটা (Data)।
৫) মানুষের জ্ঞান বা সক্ষমতা (Capacity)।

হার্ডওয়্যার(Hardware) : যে সকল যন্ত্রপাতি স্পর্শ করা। যায় ও অনুভব করা যায় তাকে হার্ডওয়্যার বলে। হার্ডওয়্যার বলতে এখানে কম্পিউটার আর এক সাথে যন্ত্রপাতি, মােবাইল ফোন, স্মার্ট ফোন, অডিও-ভিডিও রেকর্ডার, স্যাটেলাইট, রেডিও, টেলিভিশন এবং তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তির সাথে সম্পৃক্ত ডিভাইস সমূহ।

সফটওয়্যার(Software): সফটওয়্যার হলাে এমন একটি সুক্ষ জিনিস যা শুধুমাত্র অনুভব করা যায় কিন্তু স্পর্শ করা যায় তাকে সফটওয়্যার বলে। সফটওয়্যারের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের অপারেটিং সিস্টেম, ব্রাউজিং সফটওয়্যার, কমিউনিকেটিং সফটওয়্যার এবং প্রােগ্রামিং ভাষা।

কানেকটিভিটি(Connectivity): বিশ্বগ্রামের গ্রামের মেরুদন্ড হলাে নিরাপদভাবে রিসাের্স শেয়ার করার ইন্টারনেট সংযুক্ততা বা কানেকটিভিটি যার মাধ্যমে বিভিন্ন উপাত্ত ও তথ্য প্রতিটি মানুষের নিকট পৌঁছাতে পারে। এক্ষেত্রে টেলিকমিউনিকেশন, ব্রডকাষ্টিং এবং ইন্টারনেট ব্যবহার করে ইন্টারনেট কানেকশন দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়ে থাকে।

ডেটা(Data) : ডেটা হচ্ছে অগােছালাে বা এলােমেলাে ভাবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কিছু তথ্য বা Information। ডেটাকে প্রক্রিয়াকরন বা প্রসেসিং করে ব্যবহারযােগ্য ইনফরমেশন বা তথ্যে পরিনত করা হয়।

মানুষের জ্ঞান বা সক্ষমতা(Capacity) : বিশ্বগ্রামের উপাদানগুলাে মধ্যে মানুষের জ্ঞান বা সক্ষমতা অন্যতম। তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তির অবকাঠামাে ব্যবহার করার জ্ঞান না থাকলে এর সুফল পাওয়া সম্ভব নয়। সুতরাং বলা যায়- যে কোনাে বিষয়ে জ্ঞান আহরণ বা বিতরনের জন্য এই প্রযুক্তিতে মানুষের জ্ঞান বা সক্ষমতা অত্যাবশ্যক।


২২. বিশ্বগ্রামের ধারনা সংশ্লিষ্ট প্রধান উপাদানসমূহ গুলাে কি কি?

উঃ প্রধান প্রধান উপাদানগুলাে নিচে উল্লেখ করা হলােঃ
১) যােগাযােগ(Communication)।
২) কর্মসংস্থান (Employment)।
৩) শিক্ষা (Education)।
8) forrest (Care And Treatment)
৫) গবেষনা (Research)।
৬) অফিস (Office)।
৭) বাসস্থান (Residence)।
৮) ব্যবসায়-বানিজ্য (Business)।
৯) সংবাদ (News)।
১০)বিনােদন ও সামাজিক যােগাযােগ (Entertainment and Social Communication)
১১) সাংস্কৃতিক বিনিময় (Cultural Exchange)।

Best way of learing

Self learing is the best learing in the world. Discover yourself first then will get what you are And what you want to do .It will push you for self learing.

Why you need to learn coding?

Coding will play a vital role in one's life . It will help to open a new window of thinking . You can think better way than past . It helps to organise all the thing in better way .