Chaper-1 Part-2

Information And Communication Technology


২৩. তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর বিশ্বগ্রাম-ব্যাখ্যা কর?

উঃ বিশ্বগ্রাম এমন একটি পরিবেশ যেখানে পৃথিবীর সকল মানুষ একক সমাজে বসবাস করে এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়া ও তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে একে অপরকে সেবা প্রদান করে। তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তির বিস্তৃত ব্যবহার তথা তথ্য আদান প্রদানের জন্য ইনফরমেশন সুপার হাইওয়ের সাথে সংযােগ ছাড়া বিশ্বগ্রামের ধারণা অসম্ভব।


২৪. BBS কাকে বলে?

উঃ BBS এর পূর্নরুপ হলাে Bulletin Board System এটি একটি শক্তিশালী কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের অর্থাৎ মেইনফ্রেম বা মিনি বা সুপার মাইক্রো কম্পিউটারের সাথে টেলিফোন লাইন বা ইন্টারনেট কানেকশনের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে কম ক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটারের সাথে তথ্য আদান-প্রদান করার ব্যবস্থাকে বুলেটিন বাের্ড বলে।


২৫. আউটসােসিং(Outsourcing) কাকে বলে?

উঃ কম্পিউটার ও ইন্টারনেটের মাধ্যমে অনলাইন মার্কেটপ্লেসে দেশে-বিদেশের বিভিন্ন ব্যক্তি বা প্রতিষ্টানের কাছ হতে অর্ডার নিয়ে হাজার হাজার কাজ অর্থের বিনিময়ে সম্পাদন করাকে আউটসােসিং বলে। আউটসােসিং কে ফ্রিল্যান্সিং বা উন্মুক্ত পেশা বলা হয়। যেমনঃ Odesk.com,Freelance.com ইত্যাদি সাইট হতে কাজ নিয়ে কাজ করা যায়।


২৬. ডিজিটাল ক্লাস রুম বা মাল্টিমিডিয়া রুম কী?

উঃ ডিজিটাল ক্লাস রুম হচ্ছে কম্পিউটার, ইন্টারনেট ও মাল্টিমিডিয়া সমৃদ্ধ। শ্রেনিকক্ষে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর ডেস্কে কম্পিউটার বা ল্যাপটপ বা নােট প্যাড ব্যবহার করার ব্যবস্থা থাকবে। শিক্ষক কর্তৃক মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরের মাধ্যমে। কম্পিউটার দ্বারা বিশেষ সফটওয়্যার ব্যবহার করে পাঠদানের উপযােগী ক্লাসকে ডিজিটাল ক্লাস রুম বলে।


২৭. ভার্চুয়াল রিয়েলিটি(Virtual Reality) কাকে বলে?

উঃ প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয় কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্রেককারী, বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বলে। ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলাে সফটওয়্যার নির্মিত একটি কাল্পনিক পরিবেশ, যা ব্যবহারকারীর কাছে বাস্তব জগৎ হিসেবে বিবেচিত হয়।


২৮. Smart Home কী?

উঃ Smart Home হলাে এমন একটি বাসস্থান যেখানে রিমােট কন্ট্রোলিং বা প্রােগ্রামিং ডিভাইসের সাহায্যে বাড়ির হিটিং সিস্টেম, কুলিং সিস্টেম, লাইটিং সিস্টেম ও সিকিউরিটি কন্ট্রোল সিস্টেম ইত্যাদি নিয়ন্ত্রন করা যায়।


২৯. নৈতিকতা কী?

উঃ নৈতিকতা হলাে মানুষের কাজ কর্ম, আচার ব্যবহারের সেই মূলনীতি যার ওপর ভিত্তি করে মানুষ একটি কাজের ভালাে বা মন্দ দিক বিচার বিশ্লেষন করতে পারে।


৩০. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা(Artificial Intelligent) কী?

উঃ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হলাে মানুষের চিন্তাভাবনা গুলােকে কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটার বা কম্পিউটার প্রযুক্তিনির্ভর যন্ত্রের মধ্যে রুপ দেওয়ার ব্যবস্থা করা। আবিস্কারকঃ ১৯৫৬ সালে মিট (MIT) ও জন ম্যাকার্থী (John McCarthy)


৩১. এক্সপার্ট সিস্টেম কাকে বলে?

উঃ এক্সপার্ট সিস্টেম হলাে এক ধরনের সিদ্ধান্ত সমর্থন পদ্ধতি যা নির্দিষ্ট বিষয়ে মানুষের ন্যায় কৃত্রিম দক্ষতা নিয়ে তৈরি। উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন অনেকগুলাে মাইক্রোপ্রসেসর ও চিপ ব্যবহার করে প্রােগ্রামিংয়ের মাধ্যমে কম্পিউটার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সৃষ্টি করা হয়। এ সিস্টেম থেকে প্রশ্ন করে উত্তর জানতে পারে।


৩২. রােবােটিক্স(Robotics) কী?

উঃ Robot শব্দটি এসেছে স্লাভিক শব্দ Robota হতে যার অর্থ ‘শ্রমিক'। প্রযুক্তির যে শাখায় রােবটের নকশা, গঠন ও কাজ সম্পর্কে আলােচনা করা হয় সেই শাখাকে Robotics বলে। আবিস্কারকঃ 1920 সালে জোসেফ এফ এঞ্জেলবার্জার (Joseph F.Engelberger)


৩৩.ক্রায়ােসার্জারি(Cryosurgery) কাকে বলে?

উঃ ক্রায়ােসার্জারি হচ্ছে এক প্রকার চিকিৎসা পদ্ধতি। গ্রিক শব্দ 'Cryo' অর্থ বরফের মতাে ঠান্ডা এবং 'Surgery' অর্থ হাতের কাজ। যে পদ্ধতিতে অত্যধিক শীতল তাপমাত্রা প্রয়ােগ করে ত্বকের অস্বাভাবিক এবং রােগাক্রান্ত টিস্যু ধ্বংস করা হয় তাকে ক্রায়ােসার্জারি বলে। আবিস্কারকঃ 1920 সালে ড. ইরভিং কুপার (Irving Cooper) ও আর্নল্ড লি (Arnold Lee) ।


৩৪. ক্রায়ােপ্রব(Cryoprobe) কী?

উঃ ক্রায়ােসার্জারি পদ্ধতিতে রােগাক্রান্ত টিস্যুর উপর এক প্রকার গােলাকার নল দিয়ে প্রলেপ দেয়া হয়। এই গােলাকার নলকে ক্রায়ােপ্রব বলে।


৩৫. মহাকাশ অভিযান কী?

উঃ পৃথিবীর বাইরে মহাশূন্যের রহস্য আবিস্কারের উদ্দেশ্যে চালিত অনুসন্ধান বা অভিযানকে মহাকাশ অভিযান বলা হয়।


৩৬. বায়ােমেট্রিক্স কাকে বলে?

উঃ “Biometrics” গ্রিক শব্দ। “Bio” অর্থ জীবন ও “metric” অর্থ পরিমাপ। বায়ােমেট্রিক্স হলাে এমন একটি প্রযুক্তি যেখানে কোনাে ব্যক্তির দেহের গঠন ও বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে তাকে Unique বা অদ্বিতীয়ভাবে চিহ্নিত করা হয় তাকে বায়ােমেট্রিক্স বলে। আবিস্কারক 1978 সালে পাওলিন হযওয়েগ (Paulien Hogeweg)।


৩৭. বায়ােমেট্রিক্স এর ব্যবহার সমূহ লেখ।

উঃ বায়ােমেট্রিক্স এর ব্যবহার সমূহ
১) পাসপাের্ট তৈরি।
২) আইডি কার্ড।
৩) ড্রাইভিং লাইসেন্স।
৪) ডাের কন্ট্রোল।
৫) এটিএম কার্ড।
৬) আইনশৃঙ্খলায়।
৭) কম্পিউটার কন্ট্রোল সিকিউরিটি।
৮) সেলারি ম্যানেজমেন্ট ইত্যাদি।


৩৮. জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং কাকে বলে?

উঃ কোন জীব থেকে একটি নির্দিষ্ট জিন (Gene) বহনকারী DNA(Deoxyribonucleic acid) পৃথক করে ভিন্ন একটি জীবে স্থানান্তরের কৌশলকে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বলে। অথবা, বংশগতি সংক্রান্ত বিষয়ে আহরিত জ্ঞানকে মানুষের মঙ্গলের উদ্দেশ্যে কাজে লাগানাে প্রক্রিয়াকে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বলে। আবিস্কারক ও 1951 সালে জ্যাক উইলিয়ামসন (Jack Williamson)।


৩৯. ন্যানােটেকনােলজি কাকে বলে?

উঃ ন্যানােটেকনােলজি কে সংক্ষেপে ন্যানােটেক বলে। ন্যানােপ্রযুক্তি পদার্থকে আনবিক পর্যায়ে পরিবর্তন ও নিয়ন্ত্রন করার বিদ্যা। ন্যানােটেকনােলজি হলাে এমন একটি প্রযুক্তি যেখানে ন্যানাে স্কেলে একটি বস্তুকে নিপুনভাবে ব্যবহার করা যায় অর্থাৎ এর পরিবর্তন, পরিবর্ধন, ধ্বংস বা সৃষ্টি করা যায় । অথবা, ন্যানাে প্রযুক্তি হলাে পারমানবিক বা আনবিক স্কেলে অতিক্ষুদ্র ডিভাইস তৈরি করার জন্য ধাতব ও বস্তুকে। সুনিপুনভাবে কাজে লাগানাের বিজ্ঞান। আবিস্কারকঃ 1959 সালে রিচার্ড ফাইনম্যান (Richard Feynman)।


৪০. হ্যাকিং(Hacking) কী?

উঃ প্রােগ্রাম রচনা ও প্রয়ােগের মাধ্যমে কোন কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের ক্ষতিসাধন করাকে হ্যাকিং বলে।
অথবা,
হ্যাকিং হচ্ছে অনাধিকার প্রবেশ এবং অনৈতিক কর্মকান্ড । যা কম্পিউটারে বা ওয়েবসাইটে ঢুকে অন্যের তথ্যের ক্ষতি সাধন করাকে হ্যাকিং বলে।। আবিস্কারক ঃ 1995 সালে ক্যাভিন ডেভিড মিটনিক (Kevin David Mitnick)


৪১. স্পুফিং ও স্নিফিং (Spoofing & Sniffing) কী?

উঃ স্পুফিং ভূয়া ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আর্থিক তথ্যাদি হাতিয়ে নেয়ার একটি সাধারন পদ্ধতিকে স্পুফিং বলে। সিফিং ও যে কোনাে তথ্য ট্রান্সমিশন লাইন দিয়ে তথ্য যাবার সময় তথ্যকে তুলে নেয়ার পদ্ধতিকে হিফিং বলে।


৪২. সাইবার-আক্রমন (Cyber-attack) বা সাইবার ওয়ারফে য়ার কাকে বলে?

উঃ কোনাে কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রন অর্জনের প্রচেষ্টা এবং কোনাে ব্যক্তি বা গ্রুপের অনুমতি ছাড়াই তাদের সমগ্র। গতিবিধিকে ট্র্যাক করাকে সাইবার আক্রমন বলে।


৪৩.সাইবার থেফট(Cyber theft) কী?

উঃ অসৎ উদ্দেশ্য ব্যবহারের জন্য কিংবা অন্যান্য অবৈধ। ব্যবহারের জন্য কম্পিউটার ব্যবহার করে ব্যবসায়িক অথবা ব্যক্তিগত তথ্যাদি চুরি করাই হলাে সাইবার থেফট।


৪৪. সফটওয়্যার পাইরেসি(Software Piracy) কী?

উঃ যে কোনাে সফটওয়্যার প্রস্তুতকারীর বিনা অনুমতিতে। কোন সফটওয়্যার কপি করা, বিতরন করা, আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে চালিয়ে দেয়া ইত্যাদি কার্যক্রমকে সফটওয়্যার পাইরেসি বলে।


৪৫. প্লেজিয়ারিজম(Plagiarism) কী?

উঃ যে কোন উৎসের লেখা সংযােজন করা হােক না কেন তাতে মূল লেখক বা মূল কর্মের স্রষ্টার নাম অবশ্যই সংযােজন করা না হলে তা অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে। এ ধরনের অপরাধকে প্লেজিয়ারিজম বলে।


৪৬. ই-কমার্স কী?

উঃ ইলেকট্রনিক কমার্সকেই সাধারন অর্থে ই-কমার্স বলে। অর্থাৎ ইন্টারনেট বা অন্য কোনাে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে কোনাে পন্য বা সেবা ক্রয় বিক্রয়ের কাজটিকেই ই-কমার্স বলে।


৪৭.ই-কমার্সের সুবিধা সমূহ লেখ?

উঃ ই-কমার্সের সুবিধা সমূহ
১) দ্রুত ক্রয়-বিক্রয় পদ্ধতি, সহজে পন্য খুঁজে পাওয়া যায় ।
২) ব্যবসা পরিচালনা খরচ কমায়।
৩) ভৌগােলিক সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করে সহজেই ক্রেতার কাছে পৌছা যায়।
৪) পন্যের গুনগত মান উন্নয়ন করে।
৫) কম খরচে উন্নত সেবা প্রদান করে।
৬) বাহ্যিক সেটআপ ছাড়াই ব্যবসা করা যায়।
৭) সহজেই ব্যবসা শুরু করা যায় এবং ব্যবস্থাপনা করা যায়।
৮) ক্রেতা দৈহিকভাবে না গিয়ে বিভিন্ন প্রােভাইডারদের প্রােডাক্ট নির্বাচন করতে পারে।


৪৮.স্প্যামিং(Spamming) কী?

উঃ অনেক সময় অপ্রয়ােজনীয় মেইল আসে, যা খুবই বিরক্তিকর, এই মেইলগুলােকে স্পামিং মেইল বলে। এ ধরনের মেইল ওয়েব সার্ভার ব্যস্ত রাখে, মেমােরি জায়গা দখল করে।


৪৯. সমাজে তথ্য প্রযুক্তির সুফল ও কুফল সমূহ কি কি?

উঃ সমাজে তথ্য প্রযুক্তির সুফল সমূহ
১) সময় বাচায়।
২) অপচয় কমায়।
৩) দক্ষতা বৃদ্ধি।
৪) তথ্যের প্রাচুর্য।
৫) দ্রুত যােগাযােগ।
৬) ভিডিও কনফারেন্সিং।
৭) ব্যবসা-বানিজ্যে।
৮) শিক্ষক্ষেত্রে। ৯) ই-গভর্নেন্স।
১০) যােগাযােগ ব্যবস্থায়।
১১) চিকিৎসায় ।
১২) কর্মসংস্থান ।
১৩) বিনােদনক্ষেত্রে।
১৪) প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।

সমাজে তথ্য প্রযুক্তির কুফল সমূহ:
১) অপরাধপ্রবনতা।
২) অশ্লীলতা।
৩) তথ্যের গােপনীয়তা প্রকাশ।
৪) বেকারত্ব সৃষ্টি।
৫) শারীরিক সমস্যা।
৬) বুদ্ধিমত্তার ক্ষঙ্খিস্ততা।
৭) মিথ্যা প্রচারণা।
৮) ডিজিটাল ডিভাইড


৫০. ICT এর অর্থনৈতিক উন্নয়ন সমূহ কি কি?

উঃ ICT এর অর্থনৈতিক উন্নয়ন সমূহ
১) বিনিয়ােগ।
২) কর্মসংস্থান।
৩) আউটসােসিং।
৪) ব্যবসায় উদ্যোগ।
৫) উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি।
৬) ক্ষুদ্র ব্যবসায়।
৭) যােগাযােগ ব্যবস্থায় উন্নয়ন।
৮) শিক্ষা বিস্তার।
৯) ই-গভর্নেন্স।
১০) ই-ব্যাংকিং।
১১) মােবাইল ব্যাংকিং ইত্যাদি।


৫১. ভাইরাস(VIRUS) কী?

উঃ VIRUS এর পূর্নরুপ হলাে Vital Information Resources Under Seize এটি হলাে এক ধরনের অজানা ক্ষতিকারক প্রােগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্বাহ, সংক্রমণ ও বংশ বৃদ্ধি করে কম্পিউটারে রক্ষিত অন্যান্য প্রােগ্রামকে নষ্ট করে দেয় তাকে ভাইরাস বলে। কয়েকটি ভাইরাসের নামঃ Trojon horse, Abraxas, Melissa, The Anna Kournikova Etc. আবিস্কারক : 1986 সালে ফ্রেড কোহেন (Fred Cohen)


৫২. টেলিমেডিসিন কাকে বলে?

উঃ ইন্টরনেট, টেলি কনফারেন্স বা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে পৃথিবীর যেকোনাে দেশে অবস্থান করেও একজন ডাক্তার অন্য যে কোনাে স্থানের কোনাে রােগীর চিকিৎসা সেবা দিয়ে থাকেন, তাকে ই-ডাক্তার বা টেলিমেডিসন বলে।


৫৩, আর্টিফিসিয়াল ইনটেলিজেন্ট কী? এর জনক কে?

উঃ মানুষের চিন্তা ভাবনা অথবা বুদ্ধিমত্তার পদ্ধতিকে কৃত্রিম উপায়ে প্রযুক্তি নির্ভর যন্ত্র বা কম্পিউটারের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করাকে আর্টিফিসিয়াল ইনটেলিজেন্ট বলে। আবিস্কারক : 1940 সালে অ্যালান টুরিং (Alan turing)।


Best way of learing

Self learing is the best learing in the world. Discover yourself first then will get what you are And what you want to do .It will push you for self learing.

Why you need to learn coding?

Coding will play a vital role in one's life . It will help to open a new window of thinking . You can think better way than past . It helps to organise all the thing in better way .